সৌরবিদ্যুতে পূরণ হবে পোশাক খাতের ১৪ শতাংশ চাহিদা

সৌরবিদ্যুতে পূরণ হবে পোশাক খাতের ১৪ শতাংশ চাহিদা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে এখন তীব্র লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস তেলের প্রয়োজন হয়। এগুলোর মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ খুব কম। কয়লার সরবরাহ নিয়েও অনেক সমস্য। ফার্নেস তেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন এখন অনেকটাই আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই গ্যাস-সংকটে শুধু লোডশেডিংই নয়, শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কিছু কিছু এলাকায় শিল্পকারখানা একেবারেই বন্ধ।
গ্যাসের সংকটে রপ্তানি আয়ের বড় উৎস পোশাক খাতের অবস্থাও খুব খারাপ। অনেক কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় হুমকিতে এই খাতের অস্তিত্ব।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী ও দেশি-বিদেশি সংস্থা বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য কাজের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন শুরু করার পরামর্শ জোরালোভাবে দিয়ে যাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস সৌরশক্তি বা সৌরবিদ্যুৎ।
যদি সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়া যায় ১ হাজার ৩০০ পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে যাবে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘পোশাক কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। গবেষণায় দেশের ৩ হাজার ৩২০টি পোশাক কারখানার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০টি কারখানায় সরাসরি সমীক্ষা চালানো হয়।
গবেষণায় বলা হয়, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ৮৭৮টি পোশাক কারখানা কারখানার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র তিন শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে। তবে রুফটপ সোলারের মাধ্যমে পোশাক খাতের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব।
গবেষণায় বলা হয়, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ৩ দশমিক ০৪ টাকা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কেনার তুলনায় এ খরচ অর্ধেকেরও কম।
অনুষ্ঠানে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘প্রত্যেকেই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের (সংকট নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ) ভেতরে রয়েছে। এই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট আরও কম হতে পারত, যদি অনেক আগে থেকেই শিল্প কারখানাগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে পারতাম।’
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, পোশাক খাতে সবমিলিয়ে প্রায় ৯ দশমিক ৭ মিলিয়ন বর্গমিটার জায়গা রয়েছে, যেখানে রুফটপ সোলার স্থাপন করা সম্ভব। এসব ছাদ থেকে প্রায় ১ হাজার ৭৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, রুফটপ সোলারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কিংবা অনেক রিসোর্সের প্রয়োজন নেই। মাত্র ১৮৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) হলেই চলবে।’
অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা ২৯ দশমিক ২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার ইতোমধ্যে করে ফেলেছি। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পুরো জ্বালানি চাহিদার মাত্র ছয় শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা।’

দেশে এখন তীব্র লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস তেলের প্রয়োজন হয়। এগুলোর মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ খুব কম। কয়লার সরবরাহ নিয়েও অনেক সমস্য। ফার্নেস তেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন এখন অনেকটাই আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই গ্যাস-সংকটে শুধু লোডশেডিংই নয়, শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কিছু কিছু এলাকায় শিল্পকারখানা একেবারেই বন্ধ।
গ্যাসের সংকটে রপ্তানি আয়ের বড় উৎস পোশাক খাতের অবস্থাও খুব খারাপ। অনেক কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় হুমকিতে এই খাতের অস্তিত্ব।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী ও দেশি-বিদেশি সংস্থা বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য কাজের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন শুরু করার পরামর্শ জোরালোভাবে দিয়ে যাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস সৌরশক্তি বা সৌরবিদ্যুৎ।
যদি সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়া যায় ১ হাজার ৩০০ পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে যাবে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘পোশাক কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। গবেষণায় দেশের ৩ হাজার ৩২০টি পোশাক কারখানার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০টি কারখানায় সরাসরি সমীক্ষা চালানো হয়।
গবেষণায় বলা হয়, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ৮৭৮টি পোশাক কারখানা কারখানার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র তিন শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে। তবে রুফটপ সোলারের মাধ্যমে পোশাক খাতের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব।
গবেষণায় বলা হয়, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ৩ দশমিক ০৪ টাকা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কেনার তুলনায় এ খরচ অর্ধেকেরও কম।
অনুষ্ঠানে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘প্রত্যেকেই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের (সংকট নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ) ভেতরে রয়েছে। এই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট আরও কম হতে পারত, যদি অনেক আগে থেকেই শিল্প কারখানাগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে পারতাম।’
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, পোশাক খাতে সবমিলিয়ে প্রায় ৯ দশমিক ৭ মিলিয়ন বর্গমিটার জায়গা রয়েছে, যেখানে রুফটপ সোলার স্থাপন করা সম্ভব। এসব ছাদ থেকে প্রায় ১ হাজার ৭৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, রুফটপ সোলারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কিংবা অনেক রিসোর্সের প্রয়োজন নেই। মাত্র ১৮৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) হলেই চলবে।’
অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা ২৯ দশমিক ২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার ইতোমধ্যে করে ফেলেছি। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পুরো জ্বালানি চাহিদার মাত্র ছয় শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা।’

সৌরবিদ্যুতে পূরণ হবে পোশাক খাতের ১৪ শতাংশ চাহিদা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে এখন তীব্র লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস তেলের প্রয়োজন হয়। এগুলোর মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ খুব কম। কয়লার সরবরাহ নিয়েও অনেক সমস্য। ফার্নেস তেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন এখন অনেকটাই আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই গ্যাস-সংকটে শুধু লোডশেডিংই নয়, শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কিছু কিছু এলাকায় শিল্পকারখানা একেবারেই বন্ধ।
গ্যাসের সংকটে রপ্তানি আয়ের বড় উৎস পোশাক খাতের অবস্থাও খুব খারাপ। অনেক কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় হুমকিতে এই খাতের অস্তিত্ব।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী ও দেশি-বিদেশি সংস্থা বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য কাজের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন শুরু করার পরামর্শ জোরালোভাবে দিয়ে যাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস সৌরশক্তি বা সৌরবিদ্যুৎ।
যদি সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়া যায় ১ হাজার ৩০০ পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে যাবে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘পোশাক কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। গবেষণায় দেশের ৩ হাজার ৩২০টি পোশাক কারখানার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০টি কারখানায় সরাসরি সমীক্ষা চালানো হয়।
গবেষণায় বলা হয়, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ৮৭৮টি পোশাক কারখানা কারখানার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র তিন শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে। তবে রুফটপ সোলারের মাধ্যমে পোশাক খাতের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব।
গবেষণায় বলা হয়, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ৩ দশমিক ০৪ টাকা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কেনার তুলনায় এ খরচ অর্ধেকেরও কম।
অনুষ্ঠানে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘প্রত্যেকেই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের (সংকট নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ) ভেতরে রয়েছে। এই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট আরও কম হতে পারত, যদি অনেক আগে থেকেই শিল্প কারখানাগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে পারতাম।’
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, পোশাক খাতে সবমিলিয়ে প্রায় ৯ দশমিক ৭ মিলিয়ন বর্গমিটার জায়গা রয়েছে, যেখানে রুফটপ সোলার স্থাপন করা সম্ভব। এসব ছাদ থেকে প্রায় ১ হাজার ৭৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, রুফটপ সোলারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ কিংবা অনেক রিসোর্সের প্রয়োজন নেই। মাত্র ১৮৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) হলেই চলবে।’
অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা ২৯ দশমিক ২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার ইতোমধ্যে করে ফেলেছি। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পুরো জ্বালানি চাহিদার মাত্র ছয় শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা।’

গ্যাস-সংকটে উৎপাদন বন্ধ, দুশ্চিন্তায় শিল্প-মালিকরা






