কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আবাসিক হোটেলের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশি নাগরিকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মরদেহগুলো পরিবারের স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছজনের মরদেহ কফিনবন্দি করে অ্যাম্বুলেন্সে এবং একজনের মরদেহ শববাহী গাড়িতে তোলা হয়। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ছয়টি মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে, আর বাকি একজনের শেষকৃত্য করা হবে কলকাতাতেই।
এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সি সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী। আগুনে প্রাণ হারানো অন্য তিন বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের বাসিন্দা আহমেদ বাবু, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামান এবং একই জেলার কালীগঞ্জ থানার রেবতী সরকার।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে রাতেই কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ে আসেন। সেখান থেকে তাদের ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট (এনওসি) প্রদান করার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর ফরেইনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ করা হবে। সব ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়ার পরপরই ছয় স্বজনের মরদেহ নিয়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের পরিবারের ইচ্ছায় তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হচ্ছে না। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলা শ্মশানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। অন্যদিকে দেশে ফেরানো ছয় মরদেহের মধ্যে পাঁচজনকে আনা হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে, আর সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আবাসিক হোটেলের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশি নাগরিকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মরদেহগুলো পরিবারের স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছজনের মরদেহ কফিনবন্দি করে অ্যাম্বুলেন্সে এবং একজনের মরদেহ শববাহী গাড়িতে তোলা হয়। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ছয়টি মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে, আর বাকি একজনের শেষকৃত্য করা হবে কলকাতাতেই।
এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সি সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী। আগুনে প্রাণ হারানো অন্য তিন বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের বাসিন্দা আহমেদ বাবু, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামান এবং একই জেলার কালীগঞ্জ থানার রেবতী সরকার।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে রাতেই কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ে আসেন। সেখান থেকে তাদের ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট (এনওসি) প্রদান করার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর ফরেইনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ করা হবে। সব ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়ার পরপরই ছয় স্বজনের মরদেহ নিয়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের পরিবারের ইচ্ছায় তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হচ্ছে না। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলা শ্মশানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। অন্যদিকে দেশে ফেরানো ছয় মরদেহের মধ্যে পাঁচজনকে আনা হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে, আর সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে।

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আবাসিক হোটেলের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশি নাগরিকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মরদেহগুলো পরিবারের স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছজনের মরদেহ কফিনবন্দি করে অ্যাম্বুলেন্সে এবং একজনের মরদেহ শববাহী গাড়িতে তোলা হয়। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ছয়টি মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে, আর বাকি একজনের শেষকৃত্য করা হবে কলকাতাতেই।
এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সি সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী। আগুনে প্রাণ হারানো অন্য তিন বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের বাসিন্দা আহমেদ বাবু, সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামান এবং একই জেলার কালীগঞ্জ থানার রেবতী সরকার।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে রাতেই কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ে আসেন। সেখান থেকে তাদের ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট (এনওসি) প্রদান করার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর ফরেইনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ করা হবে। সব ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়ার পরপরই ছয় স্বজনের মরদেহ নিয়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের পরিবারের ইচ্ছায় তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হচ্ছে না। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলা শ্মশানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। অন্যদিকে দেশে ফেরানো ছয় মরদেহের মধ্যে পাঁচজনকে আনা হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে, আর সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে।

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু





