জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার প্রায় তিন মাস পর কারামুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৩ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোহাম্মদ আল আমিন জানান, আনিস আলমগীর দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে কারাগার থেকে বের হন। তিনি গত ২১ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুরে আনা হয়েছিলেন। সবশেষ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র ও নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
ওই মামলায় আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
পরবর্তীতে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে আইনজীবীরা হাই কোর্টে আবেদন করেন। গত ৫ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।
এর মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক। ২৮ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। পরে ১১ মার্চ ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ ওই মামলায় তাকে জামিন দেন। এরপর শনিবার দুপুরে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর– আনিস আলমগীর নামেই বেশি পরিচিত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন ইস্যুতে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্ট নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।
তার স্ত্রী শাহনাজ চৌধুরীর দাবি, স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই তার স্বামীকে কারাভোগ করতে হয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার প্রায় তিন মাস পর কারামুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৩ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোহাম্মদ আল আমিন জানান, আনিস আলমগীর দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে কারাগার থেকে বের হন। তিনি গত ২১ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুরে আনা হয়েছিলেন। সবশেষ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র ও নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
ওই মামলায় আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
পরবর্তীতে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে আইনজীবীরা হাই কোর্টে আবেদন করেন। গত ৫ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।
এর মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক। ২৮ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। পরে ১১ মার্চ ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ ওই মামলায় তাকে জামিন দেন। এরপর শনিবার দুপুরে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর– আনিস আলমগীর নামেই বেশি পরিচিত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন ইস্যুতে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্ট নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।
তার স্ত্রী শাহনাজ চৌধুরীর দাবি, স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই তার স্বামীকে কারাভোগ করতে হয়েছে।

জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার প্রায় তিন মাস পর কারামুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৩ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোহাম্মদ আল আমিন জানান, আনিস আলমগীর দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে কারাগার থেকে বের হন। তিনি গত ২১ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুরে আনা হয়েছিলেন। সবশেষ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র ও নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
ওই মামলায় আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
পরবর্তীতে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে আইনজীবীরা হাই কোর্টে আবেদন করেন। গত ৫ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।
এর মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক। ২৮ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। পরে ১১ মার্চ ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ ওই মামলায় তাকে জামিন দেন। এরপর শনিবার দুপুরে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর– আনিস আলমগীর নামেই বেশি পরিচিত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সমসাময়িক রাজনীতি ও বিভিন্ন ইস্যুতে টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্ট নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।
তার স্ত্রী শাহনাজ চৌধুরীর দাবি, স্বাধীন মত প্রকাশের কারণেই তার স্বামীকে কারাভোগ করতে হয়েছে।




