খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক
নিজস্ব প্রতিবেদক

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরোও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক গুদাম ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সরকার দেশের সকল নাগরিকের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
একদিনে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে আব্দুল বারী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে।

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরোও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক গুদাম ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সরকার দেশের সকল নাগরিকের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
একদিনে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে আব্দুল বারী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে।

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক
নিজস্ব প্রতিবেদক

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরোও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক গুদাম ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সরকার দেশের সকল নাগরিকের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
একদিনে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে আব্দুল বারী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে।

গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না সরকার: তথ্যমন্ত্রী


