পেশাদারিত্ব থাকলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমনের সাহস পাবে না: রিজওয়ানা

পেশাদারিত্ব থাকলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমনের সাহস পাবে না: রিজওয়ানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পেশাদার সাংবাদিকতা গড়ে উঠলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমন করার সাহস পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত বা দলীয় পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় দেশের মানুষ সাংবাদিকদের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠতা প্রত্যাশা করে। অতীতে সরকারের সঙ্গে থেকে সুবিধা নেওয়া এবং বর্তমানেও সুবিধা নেওয়ার মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা গড়ে উঠলে যে কোনো সরকার সাংবাদিকদের দমন করার আগে দুইবার ভাববে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই রেভল্যুশনারি জার্নালিস্ট’স অ্যালায়েন্স আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সংবিধানে মানুষের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব অধিকার অন্তরে ধারণ করেই সাংবাদিকদের আইনের কাঠামোর ভেতর থেকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় মূল লক্ষ্য হতে হবে বস্তুনিষ্ঠতা। সংবাদ বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিবেশন করা হয়েছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণে ভিন্নমত থাকতে পারে, কেউ খুশি হতে পারে, আবার কেউ নাও হতে পারে। তবে নিজের মত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করার অধিকার সাংবাদিকের রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল আবেদন হলো– স্বৈরাচারী ব্যবস্থা যেন আর কখনো ফিরে আসতে না পারে। স্বৈরাচার শুধু ব্যক্তি বা সরকার নয়, আইনের বাইরে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করা বা বাধা দেওয়া হলেও তা স্বৈরাচারী আচরণের মধ্যে পড়ে।
আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সম্প্রচারসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর খসড়া জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। খসড়া মানেই চূড়ান্ত নয়। যুক্তিসংগত মতামত পেলে তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। সব দাবি পূরণ না হলেও আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়ন করাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, সমালোচনা ও প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ নিন্দনীয়। জুলাই স্পিরিট মানেই ভিন্ন মতকে ধারণ করা। গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্ন মতের সহাবস্থান থাকতে হবে।
রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় না। গণতন্ত্র রক্ষায় সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। পটপরিবর্তনের পর সাংবাদিকদের আনুগত্য পরিবর্তনের অভিযোগ থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে পেশাগত উত্তম চর্চার মাধ্যমে।
তিনি জানান, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি বা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ থাকলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা হবে।

পেশাদার সাংবাদিকতা গড়ে উঠলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমন করার সাহস পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত বা দলীয় পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় দেশের মানুষ সাংবাদিকদের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠতা প্রত্যাশা করে। অতীতে সরকারের সঙ্গে থেকে সুবিধা নেওয়া এবং বর্তমানেও সুবিধা নেওয়ার মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা গড়ে উঠলে যে কোনো সরকার সাংবাদিকদের দমন করার আগে দুইবার ভাববে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই রেভল্যুশনারি জার্নালিস্ট’স অ্যালায়েন্স আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সংবিধানে মানুষের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব অধিকার অন্তরে ধারণ করেই সাংবাদিকদের আইনের কাঠামোর ভেতর থেকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় মূল লক্ষ্য হতে হবে বস্তুনিষ্ঠতা। সংবাদ বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিবেশন করা হয়েছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণে ভিন্নমত থাকতে পারে, কেউ খুশি হতে পারে, আবার কেউ নাও হতে পারে। তবে নিজের মত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করার অধিকার সাংবাদিকের রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল আবেদন হলো– স্বৈরাচারী ব্যবস্থা যেন আর কখনো ফিরে আসতে না পারে। স্বৈরাচার শুধু ব্যক্তি বা সরকার নয়, আইনের বাইরে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করা বা বাধা দেওয়া হলেও তা স্বৈরাচারী আচরণের মধ্যে পড়ে।
আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সম্প্রচারসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর খসড়া জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। খসড়া মানেই চূড়ান্ত নয়। যুক্তিসংগত মতামত পেলে তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। সব দাবি পূরণ না হলেও আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়ন করাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, সমালোচনা ও প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ নিন্দনীয়। জুলাই স্পিরিট মানেই ভিন্ন মতকে ধারণ করা। গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্ন মতের সহাবস্থান থাকতে হবে।
রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় না। গণতন্ত্র রক্ষায় সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। পটপরিবর্তনের পর সাংবাদিকদের আনুগত্য পরিবর্তনের অভিযোগ থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে পেশাগত উত্তম চর্চার মাধ্যমে।
তিনি জানান, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি বা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ থাকলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা হবে।

পেশাদারিত্ব থাকলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমনের সাহস পাবে না: রিজওয়ানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পেশাদার সাংবাদিকতা গড়ে উঠলে কোনো সরকারই সাংবাদিক দমন করার সাহস পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত বা দলীয় পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় দেশের মানুষ সাংবাদিকদের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠতা প্রত্যাশা করে। অতীতে সরকারের সঙ্গে থেকে সুবিধা নেওয়া এবং বর্তমানেও সুবিধা নেওয়ার মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা গড়ে উঠলে যে কোনো সরকার সাংবাদিকদের দমন করার আগে দুইবার ভাববে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই রেভল্যুশনারি জার্নালিস্ট’স অ্যালায়েন্স আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সংবিধানে মানুষের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব অধিকার অন্তরে ধারণ করেই সাংবাদিকদের আইনের কাঠামোর ভেতর থেকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকতা করার সময় মূল লক্ষ্য হতে হবে বস্তুনিষ্ঠতা। সংবাদ বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিবেশন করা হয়েছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণে ভিন্নমত থাকতে পারে, কেউ খুশি হতে পারে, আবার কেউ নাও হতে পারে। তবে নিজের মত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করার অধিকার সাংবাদিকের রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল আবেদন হলো– স্বৈরাচারী ব্যবস্থা যেন আর কখনো ফিরে আসতে না পারে। স্বৈরাচার শুধু ব্যক্তি বা সরকার নয়, আইনের বাইরে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করা বা বাধা দেওয়া হলেও তা স্বৈরাচারী আচরণের মধ্যে পড়ে।
আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সম্প্রচারসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর খসড়া জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। খসড়া মানেই চূড়ান্ত নয়। যুক্তিসংগত মতামত পেলে তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। সব দাবি পূরণ না হলেও আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়ন করাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, সমালোচনা ও প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ নিন্দনীয়। জুলাই স্পিরিট মানেই ভিন্ন মতকে ধারণ করা। গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্ন মতের সহাবস্থান থাকতে হবে।
রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় না। গণতন্ত্র রক্ষায় সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। পটপরিবর্তনের পর সাংবাদিকদের আনুগত্য পরিবর্তনের অভিযোগ থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে পেশাগত উত্তম চর্চার মাধ্যমে।
তিনি জানান, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি বা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ থাকলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা হবে।




