সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৪৯ প্রার্থী

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৪৯ প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এ তথ্য জানান তিনি।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব নাম নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করে তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে, যাতে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
তিনি বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো প্রার্থী আবেদন করেননি। এছাড়া শূন্য আসনের সংখ্যার সমান মনোনয়ন জমা পড়ায় আইন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হবে।
বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা হলেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন-জামায়াতের নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির মাহমুদা আলম মিতু, জাগপার তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
নব নির্বাচিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই যোগ দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোয়নপত্র বাছাই হয়। ২৭ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি এবং ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন নির্ধারিত ছিল। ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোট দিন ১২ মে। এর মধ্যে ৪৯ জন বিনাভোটে নির্বাচিত হওয়ায় প্রতীক বরাদ্দ ও ১২ মে ভোটের প্রয়োজন পড়ছে না।
তবে একটি আসন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়ে গেছে। কারণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ে পরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে তা আর গৃহীত হয়নি। পরে তিনি হাইকোর্টে গেলে মনোনয়নপত্র নেওয়ার জন্য ইসিকে নির্দেশনা দেয় আদালত।
অন্যদিকে, ২২ এপ্রিল জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হয়, যেখানে বাদ পড়েন এনসিপির মনিরা শারমিন। সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় বাছাইয়ে বাদ পড়ে তিনি। নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও তা নামঞ্জুর হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি নারী আসন শূন্য হওয়ায় আসনটির জন্য কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে বা আদালতের আদেশে একজন যুক্ত হওয়ার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এ তথ্য জানান তিনি।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব নাম নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করে তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে, যাতে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
তিনি বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো প্রার্থী আবেদন করেননি। এছাড়া শূন্য আসনের সংখ্যার সমান মনোনয়ন জমা পড়ায় আইন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হবে।
বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা হলেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন-জামায়াতের নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির মাহমুদা আলম মিতু, জাগপার তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
নব নির্বাচিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই যোগ দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোয়নপত্র বাছাই হয়। ২৭ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি এবং ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন নির্ধারিত ছিল। ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোট দিন ১২ মে। এর মধ্যে ৪৯ জন বিনাভোটে নির্বাচিত হওয়ায় প্রতীক বরাদ্দ ও ১২ মে ভোটের প্রয়োজন পড়ছে না।
তবে একটি আসন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়ে গেছে। কারণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ে পরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে তা আর গৃহীত হয়নি। পরে তিনি হাইকোর্টে গেলে মনোনয়নপত্র নেওয়ার জন্য ইসিকে নির্দেশনা দেয় আদালত।
অন্যদিকে, ২২ এপ্রিল জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হয়, যেখানে বাদ পড়েন এনসিপির মনিরা শারমিন। সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় বাছাইয়ে বাদ পড়ে তিনি। নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও তা নামঞ্জুর হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি নারী আসন শূন্য হওয়ায় আসনটির জন্য কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে বা আদালতের আদেশে একজন যুক্ত হওয়ার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৪৯ প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এ তথ্য জানান তিনি।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব নাম নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করে তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে, যাতে তাদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
তিনি বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো প্রার্থী আবেদন করেননি। এছাড়া শূন্য আসনের সংখ্যার সমান মনোনয়ন জমা পড়ায় আইন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হবে।
বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা হলেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন-জামায়াতের নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির মাহমুদা আলম মিতু, জাগপার তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
নব নির্বাচিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই যোগ দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল। ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোয়নপত্র বাছাই হয়। ২৭ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি এবং ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন নির্ধারিত ছিল। ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোট দিন ১২ মে। এর মধ্যে ৪৯ জন বিনাভোটে নির্বাচিত হওয়ায় প্রতীক বরাদ্দ ও ১২ মে ভোটের প্রয়োজন পড়ছে না।
তবে একটি আসন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়ে গেছে। কারণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ে পরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে তা আর গৃহীত হয়নি। পরে তিনি হাইকোর্টে গেলে মনোনয়নপত্র নেওয়ার জন্য ইসিকে নির্দেশনা দেয় আদালত।
অন্যদিকে, ২২ এপ্রিল জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হয়, যেখানে বাদ পড়েন এনসিপির মনিরা শারমিন। সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় বাছাইয়ে বাদ পড়ে তিনি। নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও তা নামঞ্জুর হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি নারী আসন শূন্য হওয়ায় আসনটির জন্য কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে বা আদালতের আদেশে একজন যুক্ত হওয়ার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।

বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ


