শিরোনাম

চাকরির নিশ্চয়তা চান আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের ৪ হাজার কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাকরির নিশ্চয়তা চান আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের ৪ হাজার কর্মী
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মানববন্ধন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প’ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ৪ হাজার ৩৮২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা চাকরির স্থায়িত্ব ও নিশ্চয়তার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারী’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে এ দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

স্বাস্থ্যকর্মীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, এফডব্লিউভি ও অন্যান্য মাঠকর্মীরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে নগর স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভা এলাকায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ মোট ১৯২টি বহুতল স্থাপনার মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ৪ হাজার ৩৮২ জন দক্ষ জনবল কর্মরত আছেন।

আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

তাদের অভিযোগ, প্রকল্পটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মরত জনবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এতে কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা সেবার মানেও প্রভাব ফেলতে পারে।

মানববন্ধনে স্বাস্থ্যকর্মী মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, আমরা চুক্তিভিত্তিক কোনো চাকরি চাই না। আমরা স্থায়ী চাকরি চাই। আমরা আমাদের চাকরির অধিকার চাই। আমরা আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী আমাদের চাকরির নিশ্চয়তা দিবেন।

বক্তারা বলেন, মোট কর্মীদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। এই চাকরির আয়ের ওপর তাদের পরিবার নির্ভরশীল। চাকরি হারালে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

তারা আরও বলেন, নারীদের কর্মহীন করে নারী ক্ষমতায়ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই সব কর্মীর চাকরি বহাল রাখা এবং স্থায়ী করার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

আন্দোলনকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত তাদের চাকরির নিশ্চয়তা দিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।

/এসএ/