‘নির্বাচিত এমপিদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই’

‘নির্বাচিত এমপিদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই’
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।
আসিফ নজরুল বলেন, শপথ পড়ানোর বিষয়ে বর্তমানে দুটি অপশন রয়েছে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির কথা বলা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, যদি তা না হয়, তাহলে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে, যা সরকার চায় না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণ সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
আইন উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কেউই দায়িত্ব পালনের অবস্থায় নেই। একজন নিখোঁজ, অন্যজন কারাগারে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে এবং স্পিকার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ফলে তাঁদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারলে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। আর তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ সম্পন্ন না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনা করা হবে জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, সিনিয়র সচিব এলে তার সঙ্গে আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর চূড়ান্ত অভিমত প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।
আসিফ নজরুল বলেন, শপথ পড়ানোর বিষয়ে বর্তমানে দুটি অপশন রয়েছে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির কথা বলা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, যদি তা না হয়, তাহলে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে, যা সরকার চায় না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণ সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
আইন উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কেউই দায়িত্ব পালনের অবস্থায় নেই। একজন নিখোঁজ, অন্যজন কারাগারে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে এবং স্পিকার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ফলে তাঁদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারলে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। আর তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ সম্পন্ন না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনা করা হবে জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, সিনিয়র সচিব এলে তার সঙ্গে আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর চূড়ান্ত অভিমত প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হবে।

‘নির্বাচিত এমপিদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই’
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর ক্ষেত্রে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়াতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।
আসিফ নজরুল বলেন, শপথ পড়ানোর বিষয়ে বর্তমানে দুটি অপশন রয়েছে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির কথা বলা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, যদি তা না হয়, তাহলে নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে, যা সরকার চায় না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণ সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
আইন উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কেউই দায়িত্ব পালনের অবস্থায় নেই। একজন নিখোঁজ, অন্যজন কারাগারে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে এবং স্পিকার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ফলে তাঁদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারলে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। আর তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ সম্পন্ন না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন। এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনা করা হবে জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, সিনিয়র সচিব এলে তার সঙ্গে আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর চূড়ান্ত অভিমত প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হবে।




