আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার

আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার
বিশেষ প্রতিনিধি

বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থসহ বিভিন্ন শ্রেণির আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার। কারাবিধি অনুযায়ী এসব বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রবীণ, জটিল রোগে আক্রান্ত, অন্তঃসত্ত্বা বা শিশুসহ নারী বন্দী এবং যাদের অপরাধ গুরুতর নয়-এমন আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে সরকার। তবে বিশেষ কয়েকটি ধারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা এই সুযোগ পাচ্ছেন না। এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচ বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরই সরকার কারাবিধির ৫৬৯ অনুযায়ী কারাগারে থাকা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পাওয়া বন্দীদের মুক্তি দেয়। বিশেষ করে যাদের সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ শেষ হয়েছে, যারা চলাফেরা করতে পারে না এবং যাদের লঘূদণ্ড হয়েছে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দিচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা–২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মুক্তি দেওয়ার জন্য যে পাাঁচজনের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন চাঁদপুর কারাগারের আকাশ দাস, লক্ষ্মীপুর কারাগারের রবিউল হোসেন, রংপুর কারাগারের জিকরুল হক ও মো. নুরুজ্জামান এবং কুমিল্লা কারাগারের মো. আব্দুল করিম।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কারা অনুবিভাগ) মু. জসীম উদ্দিন খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুযায়ী সারা দেশ থেকে আট শতাধিক বন্দীর তালিকা তাদের কাছে এসেছে। এসব তালিকা যাচাই–বাছাই শেষ আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসে স্বল্পসংখ্যক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, এসব বন্দীর বিষয়ে জেলা কারাগার থেকে কারা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব বন্দীর বিষয়ে তদন্ত করে চূড়ান্ত তালিকা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
তবে গুরুতর অপরাধের দায়ে সাজা পাওয়া আসামিরা আগাম মুক্তি পাচ্ছেন না। অর্থাৎ যারা দণ্ডবিধির ১২১–১৩৫ ধারা, ২২৯ ধারা, ৩০২–৩০৪ ধারা, ৩৯২–৪০২, ৪০৯ ধারায় মামলায় সাজাপ্রাপ্তরা সুযোগ পাচ্ছে না। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষমতায় আইন, বিষ্ফোরক আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী আইন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, বিজিবি ও দুদক আইনে সাজা পেয়েছে তারা এসব দিবসে মুক্তির সুযোগ পাবে না।

বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থসহ বিভিন্ন শ্রেণির আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার। কারাবিধি অনুযায়ী এসব বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রবীণ, জটিল রোগে আক্রান্ত, অন্তঃসত্ত্বা বা শিশুসহ নারী বন্দী এবং যাদের অপরাধ গুরুতর নয়-এমন আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে সরকার। তবে বিশেষ কয়েকটি ধারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা এই সুযোগ পাচ্ছেন না। এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচ বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরই সরকার কারাবিধির ৫৬৯ অনুযায়ী কারাগারে থাকা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পাওয়া বন্দীদের মুক্তি দেয়। বিশেষ করে যাদের সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ শেষ হয়েছে, যারা চলাফেরা করতে পারে না এবং যাদের লঘূদণ্ড হয়েছে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দিচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা–২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মুক্তি দেওয়ার জন্য যে পাাঁচজনের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন চাঁদপুর কারাগারের আকাশ দাস, লক্ষ্মীপুর কারাগারের রবিউল হোসেন, রংপুর কারাগারের জিকরুল হক ও মো. নুরুজ্জামান এবং কুমিল্লা কারাগারের মো. আব্দুল করিম।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কারা অনুবিভাগ) মু. জসীম উদ্দিন খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুযায়ী সারা দেশ থেকে আট শতাধিক বন্দীর তালিকা তাদের কাছে এসেছে। এসব তালিকা যাচাই–বাছাই শেষ আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসে স্বল্পসংখ্যক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, এসব বন্দীর বিষয়ে জেলা কারাগার থেকে কারা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব বন্দীর বিষয়ে তদন্ত করে চূড়ান্ত তালিকা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
তবে গুরুতর অপরাধের দায়ে সাজা পাওয়া আসামিরা আগাম মুক্তি পাচ্ছেন না। অর্থাৎ যারা দণ্ডবিধির ১২১–১৩৫ ধারা, ২২৯ ধারা, ৩০২–৩০৪ ধারা, ৩৯২–৪০২, ৪০৯ ধারায় মামলায় সাজাপ্রাপ্তরা সুযোগ পাচ্ছে না। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষমতায় আইন, বিষ্ফোরক আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী আইন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, বিজিবি ও দুদক আইনে সাজা পেয়েছে তারা এসব দিবসে মুক্তির সুযোগ পাবে না।

আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার
বিশেষ প্রতিনিধি

বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থসহ বিভিন্ন শ্রেণির আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার। কারাবিধি অনুযায়ী এসব বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রবীণ, জটিল রোগে আক্রান্ত, অন্তঃসত্ত্বা বা শিশুসহ নারী বন্দী এবং যাদের অপরাধ গুরুতর নয়-এমন আট শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে সরকার। তবে বিশেষ কয়েকটি ধারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা এই সুযোগ পাচ্ছেন না। এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচ বন্দীকে মুক্তি দিচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরই সরকার কারাবিধির ৫৬৯ অনুযায়ী কারাগারে থাকা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পাওয়া বন্দীদের মুক্তি দেয়। বিশেষ করে যাদের সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ শেষ হয়েছে, যারা চলাফেরা করতে পারে না এবং যাদের লঘূদণ্ড হয়েছে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার পাঁচজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দিচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা–২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মুক্তি দেওয়ার জন্য যে পাাঁচজনের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন চাঁদপুর কারাগারের আকাশ দাস, লক্ষ্মীপুর কারাগারের রবিউল হোসেন, রংপুর কারাগারের জিকরুল হক ও মো. নুরুজ্জামান এবং কুমিল্লা কারাগারের মো. আব্দুল করিম।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কারা অনুবিভাগ) মু. জসীম উদ্দিন খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুযায়ী সারা দেশ থেকে আট শতাধিক বন্দীর তালিকা তাদের কাছে এসেছে। এসব তালিকা যাচাই–বাছাই শেষ আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসে স্বল্পসংখ্যক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, এসব বন্দীর বিষয়ে জেলা কারাগার থেকে কারা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব বন্দীর বিষয়ে তদন্ত করে চূড়ান্ত তালিকা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
তবে গুরুতর অপরাধের দায়ে সাজা পাওয়া আসামিরা আগাম মুক্তি পাচ্ছেন না। অর্থাৎ যারা দণ্ডবিধির ১২১–১৩৫ ধারা, ২২৯ ধারা, ৩০২–৩০৪ ধারা, ৩৯২–৪০২, ৪০৯ ধারায় মামলায় সাজাপ্রাপ্তরা সুযোগ পাচ্ছে না। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষমতায় আইন, বিষ্ফোরক আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী আইন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন, বিজিবি ও দুদক আইনে সাজা পেয়েছে তারা এসব দিবসে মুক্তির সুযোগ পাবে না।




