যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ০৩

আইওসি সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকট বর্তমানে দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই কঠিন সময়ে অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি এবং সম্মিলিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই এখন নতুন করে পর্যালোচনার সময় এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক এবং পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা দেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নমূলক অর্জন রক্ষা এবং সংকট মোকাবিলায় উদ্ভাবনী চিন্তা ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ছে।’
সম্মেলনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যা বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করবে। এটি আমাদের জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এমএসএমই) শক্তিশালী করবে। ফলে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।’
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্ব তোলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমাদের সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে উপলব্ধি করা এবং কাজে লাগানোই যৌক্তিক হবে। পাশাপাশি আমাদের সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’
সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারত মহাসাগরের দেশগুলোর আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকট বর্তমানে দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই কঠিন সময়ে অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি এবং সম্মিলিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই এখন নতুন করে পর্যালোচনার সময় এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক এবং পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা দেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নমূলক অর্জন রক্ষা এবং সংকট মোকাবিলায় উদ্ভাবনী চিন্তা ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ছে।’
সম্মেলনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যা বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করবে। এটি আমাদের জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এমএসএমই) শক্তিশালী করবে। ফলে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।’
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্ব তোলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমাদের সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে উপলব্ধি করা এবং কাজে লাগানোই যৌক্তিক হবে। পাশাপাশি আমাদের সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’
সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারত মহাসাগরের দেশগুলোর আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ০৩

আইওসি সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকট বর্তমানে দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই কঠিন সময়ে অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি এবং সম্মিলিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই এখন নতুন করে পর্যালোচনার সময় এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক এবং পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা দেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নমূলক অর্জন রক্ষা এবং সংকট মোকাবিলায় উদ্ভাবনী চিন্তা ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়ছে।’
সম্মেলনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যা বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করবে। এটি আমাদের জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এমএসএমই) শক্তিশালী করবে। ফলে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।’
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্ব তোলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমাদের সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে উপলব্ধি করা এবং কাজে লাগানোই যৌক্তিক হবে। পাশাপাশি আমাদের সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’
সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারত মহাসাগরের দেশগুলোর আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
/এফআর/

চেকপোস্ট দেখে পালানোর চেষ্টা, অটোরিকশায় মিললো ২৭ কেজি গাঁজা


