শিরোনাম

৩০ জেলায় হবে মেডিকেল কলেজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জেলায় হবে মেডিকেল কলেজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের যেসব জেলায় এখনও সরকারি মেডিকেল কলেজ নেই, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৩৪টি জেলায় মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ চালু আছে। তবে ৩০টি জেলায় কোনো সরকারি মেডিকেল কলেজ নেই। এসব জেলায় নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

তিনি বলেন, যেসব জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে- নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, মৌলভীবাজার, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও শেরপুর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলমান।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যক্ষ্মা এখনও বাংলাদেশের জন্য একটি বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বেশি এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। ১৯৯৩ সালে যক্ষ্মাকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পর থেকে সরকার রোগটি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

তিনি বলেন, দারিদ্র্য, অপুষ্টি, ধূমপান, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ এবং সচেতনতার অভাব যক্ষ্মা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ। এ রোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরীক্ষার সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে সরকারি অর্থায়ন বাড়ানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তাও নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ৩ হাজার ১৪২ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এছাড়া স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে নিয়োগ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি মিডওয়াইফ পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুতই শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে।

/এসবি/