সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন পাস

সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন পাস
সিটিজেন ডেস্ক

জাতীয় সংসদে রোববার (৫ এপ্রিল) ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন ও অসদাচরণের কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
এই বিলটি পাসে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি এবং বিরোধী দলের কোনো সদস্য কণ্ঠভোটে অংশগ্রহণ করেননি। বিলটি পাসে সময় লেগেছে মাত্র ৩ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
নতুন আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য চারটি কার্যক্রম ‘অসদাচরণ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
১. এমন কোনো কাজে লিপ্ত হওয়া যা অনানুগত্যের শামিল অথবা যা অন্য কর্মচারীদের মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে কিংবা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে।
২. অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকা, বিরত থাকা বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়া।
৩. অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে, বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেওয়া বা প্ররোচিত করা।
৪. যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করা।
আইনে তিন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে—চাকরি থেকে বরখাস্ত, অব্যাহতি, এবং বেতন ও পদের গ্রেড কমানো।
বিল পাসের পরই সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারি স্থানে কর্মচারীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন আইন সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম গ্রহণে সহায়ক হবে।

জাতীয় সংসদে রোববার (৫ এপ্রিল) ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন ও অসদাচরণের কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
এই বিলটি পাসে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি এবং বিরোধী দলের কোনো সদস্য কণ্ঠভোটে অংশগ্রহণ করেননি। বিলটি পাসে সময় লেগেছে মাত্র ৩ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
নতুন আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য চারটি কার্যক্রম ‘অসদাচরণ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
১. এমন কোনো কাজে লিপ্ত হওয়া যা অনানুগত্যের শামিল অথবা যা অন্য কর্মচারীদের মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে কিংবা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে।
২. অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকা, বিরত থাকা বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়া।
৩. অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে, বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেওয়া বা প্ররোচিত করা।
৪. যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করা।
আইনে তিন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে—চাকরি থেকে বরখাস্ত, অব্যাহতি, এবং বেতন ও পদের গ্রেড কমানো।
বিল পাসের পরই সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারি স্থানে কর্মচারীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন আইন সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম গ্রহণে সহায়ক হবে।

সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন পাস
সিটিজেন ডেস্ক

জাতীয় সংসদে রোববার (৫ এপ্রিল) ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন ও অসদাচরণের কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
এই বিলটি পাসে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি এবং বিরোধী দলের কোনো সদস্য কণ্ঠভোটে অংশগ্রহণ করেননি। বিলটি পাসে সময় লেগেছে মাত্র ৩ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
নতুন আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য চারটি কার্যক্রম ‘অসদাচরণ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
১. এমন কোনো কাজে লিপ্ত হওয়া যা অনানুগত্যের শামিল অথবা যা অন্য কর্মচারীদের মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে কিংবা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে।
২. অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকা, বিরত থাকা বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়া।
৩. অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে, বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেওয়া বা প্ররোচিত করা।
৪. যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করা।
আইনে তিন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে—চাকরি থেকে বরখাস্ত, অব্যাহতি, এবং বেতন ও পদের গ্রেড কমানো।
বিল পাসের পরই সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারি স্থানে কর্মচারীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন আইন সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম গ্রহণে সহায়ক হবে।




