একুশ ঘিরে নিরাপত্তায় ১৫ হাজার পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার

একুশ ঘিরে নিরাপত্তায় ১৫ হাজার পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ‘শঙ্কা দেখছেন না’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এরপরেও শনিবার দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার। বেলা ১১টায় সেখানে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোক সমাগম হবে। এই উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।
আগামীকাল শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হবে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানান তিনি।
সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রাস্তা অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ড্রাইভারসন চলবে।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ‘শঙ্কা দেখছেন না’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এরপরেও শনিবার দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার। বেলা ১১টায় সেখানে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোক সমাগম হবে। এই উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।
আগামীকাল শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হবে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানান তিনি।
সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রাস্তা অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ড্রাইভারসন চলবে।

একুশ ঘিরে নিরাপত্তায় ১৫ হাজার পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ‘শঙ্কা দেখছেন না’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এরপরেও শনিবার দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার। বেলা ১১টায় সেখানে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোক সমাগম হবে। এই উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।
আগামীকাল শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হবে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানান তিনি।
সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রাস্তা অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ড্রাইভারসন চলবে।




