অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতা শেষ সীমায়: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতা শেষ সীমায়: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা এখন শেষ সীমায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের যতটুকু সংস্কার করার সুযোগ ছিল, যেটুকু সংস্কার করার জায়গা ছিল, যেটুকু বিচার করার জায়গা ছিল- তা শেষ সীমায় চলে গেছে।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মানুষের প্রত্যাশায়। দীর্ঘদিন পেছনে পড়ে থাকা মানুষরা এখন দৃশ্যমান হচ্ছেন, প্রকাশ্যে কথা বলছেন এবং গণপরিসরে সক্রিয় হচ্ছেন। এই পরিবর্তনের কৃতিত্ব সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো আরও প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইশতেহার দিতে পারত। তবে যেটুকু দেওয়া হয়েছে, সেটিও পুরোপুরি অগ্রাহ্য করার মতো নয়। কিন্তু জবাবদিহিতা না থাকলে কোনো ইশতেহারই কার্যকর হয় না।
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। কিন্তু যারা এমন নির্বাচন চান না, তারা এটিকে সমাজের জন্য উপকারী বলে মনে করেন না। পেছনে পড়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বলই থেকে যাবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি তাদের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তাহলে সেটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে বাস্তবতা হলো, নির্বাচনে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ধারাবাহিকভাবে কমে এসেছে। আগের সংসদে থাকা সংখ্যালঘু প্রতিনিধিরাও সংসদের ভেতরে তাদের সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারেননি। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে সংখ্যালঘুদের সমস্যাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে।
সিপিডির এই ফেলো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক ছাতার নিচে রাখার কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই ‘ছাতা’ এখনো পুরোপুরি খোলা হয়নি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আমরা কি সত্যিই জবাবদিহিতা চাই? পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগানো যাবে কি না– সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণায় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। জরিপে অংশ নেওয়া ৫০৫ জন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি নির্বাচনের সময় উদ্বিগ্ন থাকার কথা জানান। আর ২৫ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা নিজেদের অনিরাপদ বা চরম অনিরাপদ বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ ছিলেন না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান বলেন, অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নির্বাচন নাগরিক অধিকার চর্চার প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির সময়। নির্বাচন ও সহিংসতার পুনরাবৃত্ত সম্পর্ক নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমিয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান। আলোচনা সভায় রাজনীতিক, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা এখন শেষ সীমায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের যতটুকু সংস্কার করার সুযোগ ছিল, যেটুকু সংস্কার করার জায়গা ছিল, যেটুকু বিচার করার জায়গা ছিল- তা শেষ সীমায় চলে গেছে।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মানুষের প্রত্যাশায়। দীর্ঘদিন পেছনে পড়ে থাকা মানুষরা এখন দৃশ্যমান হচ্ছেন, প্রকাশ্যে কথা বলছেন এবং গণপরিসরে সক্রিয় হচ্ছেন। এই পরিবর্তনের কৃতিত্ব সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো আরও প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইশতেহার দিতে পারত। তবে যেটুকু দেওয়া হয়েছে, সেটিও পুরোপুরি অগ্রাহ্য করার মতো নয়। কিন্তু জবাবদিহিতা না থাকলে কোনো ইশতেহারই কার্যকর হয় না।
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। কিন্তু যারা এমন নির্বাচন চান না, তারা এটিকে সমাজের জন্য উপকারী বলে মনে করেন না। পেছনে পড়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বলই থেকে যাবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি তাদের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তাহলে সেটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে বাস্তবতা হলো, নির্বাচনে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ধারাবাহিকভাবে কমে এসেছে। আগের সংসদে থাকা সংখ্যালঘু প্রতিনিধিরাও সংসদের ভেতরে তাদের সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারেননি। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে সংখ্যালঘুদের সমস্যাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে।
সিপিডির এই ফেলো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক ছাতার নিচে রাখার কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই ‘ছাতা’ এখনো পুরোপুরি খোলা হয়নি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আমরা কি সত্যিই জবাবদিহিতা চাই? পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগানো যাবে কি না– সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণায় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। জরিপে অংশ নেওয়া ৫০৫ জন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি নির্বাচনের সময় উদ্বিগ্ন থাকার কথা জানান। আর ২৫ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা নিজেদের অনিরাপদ বা চরম অনিরাপদ বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ ছিলেন না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান বলেন, অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নির্বাচন নাগরিক অধিকার চর্চার প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির সময়। নির্বাচন ও সহিংসতার পুনরাবৃত্ত সম্পর্ক নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমিয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান। আলোচনা সভায় রাজনীতিক, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতা শেষ সীমায়: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা এখন শেষ সীমায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের যতটুকু সংস্কার করার সুযোগ ছিল, যেটুকু সংস্কার করার জায়গা ছিল, যেটুকু বিচার করার জায়গা ছিল- তা শেষ সীমায় চলে গেছে।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মানুষের প্রত্যাশায়। দীর্ঘদিন পেছনে পড়ে থাকা মানুষরা এখন দৃশ্যমান হচ্ছেন, প্রকাশ্যে কথা বলছেন এবং গণপরিসরে সক্রিয় হচ্ছেন। এই পরিবর্তনের কৃতিত্ব সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো আরও প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইশতেহার দিতে পারত। তবে যেটুকু দেওয়া হয়েছে, সেটিও পুরোপুরি অগ্রাহ্য করার মতো নয়। কিন্তু জবাবদিহিতা না থাকলে কোনো ইশতেহারই কার্যকর হয় না।
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। কিন্তু যারা এমন নির্বাচন চান না, তারা এটিকে সমাজের জন্য উপকারী বলে মনে করেন না। পেছনে পড়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বলই থেকে যাবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি তাদের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তাহলে সেটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে বাস্তবতা হলো, নির্বাচনে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ধারাবাহিকভাবে কমে এসেছে। আগের সংসদে থাকা সংখ্যালঘু প্রতিনিধিরাও সংসদের ভেতরে তাদের সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারেননি। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে সংখ্যালঘুদের সমস্যাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে দেখতে হবে।
সিপিডির এই ফেলো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক ছাতার নিচে রাখার কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই ‘ছাতা’ এখনো পুরোপুরি খোলা হয়নি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আমরা কি সত্যিই জবাবদিহিতা চাই? পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগানো যাবে কি না– সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণায় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। জরিপে অংশ নেওয়া ৫০৫ জন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি নির্বাচনের সময় উদ্বিগ্ন থাকার কথা জানান। আর ২৫ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা নিজেদের অনিরাপদ বা চরম অনিরাপদ বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ ছিলেন না। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান বলেন, অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নির্বাচন নাগরিক অধিকার চর্চার প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির সময়। নির্বাচন ও সহিংসতার পুনরাবৃত্ত সম্পর্ক নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমিয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান। আলোচনা সভায় রাজনীতিক, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।




