শাহজালালে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

শাহজালালে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা একটা পর্যন্ত ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এদিকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের ফ্লাইট চালু আছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা ও পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে।
এর প্রভাবে আজ দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক যাত্রীকে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়। আবার অনেকে বিমানবন্দরে অবস্থান করে অপেক্ষা করছিলেন। তারা বলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইট কবে কখন পুনরায় চালু হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য তারা জানেন না। তাই অনিশ্চয়তার মধ্যেই অপেক্ষা করছেন। নিশ্চিত হলে তারা ফেরত যাবেন।
এক যাত্রী বলেন, তিনি সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন। কিন্তু, ফ্লাইট বাতিলের খবরে আর যেতে পারছেন না। সেখানে আমার কাজে যোগদান করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে এসে শুনি ফ্লাইট বাতিল। এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না।’
অপর এক যাত্রী বলেন, তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট ধরতে তিনি খুব সকালে বিমানবন্দরে হাজির হন। বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাসের সময় তাকে আটকে দেওয়া হয়। বলা হয়, যাওয়া যাবে না। মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা একটা পর্যন্ত ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এদিকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের ফ্লাইট চালু আছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা ও পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে।
এর প্রভাবে আজ দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক যাত্রীকে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়। আবার অনেকে বিমানবন্দরে অবস্থান করে অপেক্ষা করছিলেন। তারা বলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইট কবে কখন পুনরায় চালু হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য তারা জানেন না। তাই অনিশ্চয়তার মধ্যেই অপেক্ষা করছেন। নিশ্চিত হলে তারা ফেরত যাবেন।
এক যাত্রী বলেন, তিনি সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন। কিন্তু, ফ্লাইট বাতিলের খবরে আর যেতে পারছেন না। সেখানে আমার কাজে যোগদান করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে এসে শুনি ফ্লাইট বাতিল। এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না।’
অপর এক যাত্রী বলেন, তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট ধরতে তিনি খুব সকালে বিমানবন্দরে হাজির হন। বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাসের সময় তাকে আটকে দেওয়া হয়। বলা হয়, যাওয়া যাবে না। মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

শাহজালালে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা একটা পর্যন্ত ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এদিকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের ফ্লাইট চালু আছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা ও পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে।
এর প্রভাবে আজ দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক যাত্রীকে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়। আবার অনেকে বিমানবন্দরে অবস্থান করে অপেক্ষা করছিলেন। তারা বলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইট কবে কখন পুনরায় চালু হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য তারা জানেন না। তাই অনিশ্চয়তার মধ্যেই অপেক্ষা করছেন। নিশ্চিত হলে তারা ফেরত যাবেন।
এক যাত্রী বলেন, তিনি সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন। কিন্তু, ফ্লাইট বাতিলের খবরে আর যেতে পারছেন না। সেখানে আমার কাজে যোগদান করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে এসে শুনি ফ্লাইট বাতিল। এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না।’
অপর এক যাত্রী বলেন, তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট ধরতে তিনি খুব সকালে বিমানবন্দরে হাজির হন। বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাসের সময় তাকে আটকে দেওয়া হয়। বলা হয়, যাওয়া যাবে না। মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।




