সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯

সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম রাতে জানান, সর্বশেষে মতিউর রহমান (১৯) নামের এক তরুণকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৭ জন শ্রমিক মারাত্মক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নয় শ্রমিক হলেন সানি জলদাস, পলাশ জলদাস, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ মনসুর, নাসির উদ্দিন, আবদুল আলীম, রানা মিয়া, মতিউর রহমান ও খোকন মিয়া। তাদের মধ্যে মনসুর ও নাসির দুজন আপন ভাই। নিহতদের বেশিরভাগই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা হলেও খোকন ও রানার বাড়ি গাইবান্ধায় এবং আবদুল আলীমের বাড়ি পাবনায়।
স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, সকালে কাজ চলাকালীন হঠাৎ করেই কারখানার ভেতর থেকে আকুল চিৎকার ভেসে আসতে থাকে। আশপাশের মানুষ দ্রুত সেখানে পৌঁছে দেখতে পান অসুস্থ শ্রমিকদের গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী কারখানায় ঢুকে ক্ষোভ প্রকাশ ও ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম জানান, যে স্ক্র্যাপ জাহাজটি কাটা হচ্ছিল সেটি মূলত জ্বালানি গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করত। নিয়ম অনুযায়ী এ জাতীয় জাহাজ কাটার আগে ভেতরের সব ট্যাংক সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত করা বাধ্যতামূলক। কার্বন মনোক্সাইড বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাস থেকে যাওয়ায় এবং শ্রমিকদের সুরক্ষায় ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকাতেই এ ভয়াবহ অঘটন ঘটেছে।
ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও একটি পৃথক তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম রাতে জানান, সর্বশেষে মতিউর রহমান (১৯) নামের এক তরুণকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৭ জন শ্রমিক মারাত্মক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নয় শ্রমিক হলেন সানি জলদাস, পলাশ জলদাস, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ মনসুর, নাসির উদ্দিন, আবদুল আলীম, রানা মিয়া, মতিউর রহমান ও খোকন মিয়া। তাদের মধ্যে মনসুর ও নাসির দুজন আপন ভাই। নিহতদের বেশিরভাগই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা হলেও খোকন ও রানার বাড়ি গাইবান্ধায় এবং আবদুল আলীমের বাড়ি পাবনায়।
স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, সকালে কাজ চলাকালীন হঠাৎ করেই কারখানার ভেতর থেকে আকুল চিৎকার ভেসে আসতে থাকে। আশপাশের মানুষ দ্রুত সেখানে পৌঁছে দেখতে পান অসুস্থ শ্রমিকদের গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী কারখানায় ঢুকে ক্ষোভ প্রকাশ ও ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম জানান, যে স্ক্র্যাপ জাহাজটি কাটা হচ্ছিল সেটি মূলত জ্বালানি গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করত। নিয়ম অনুযায়ী এ জাতীয় জাহাজ কাটার আগে ভেতরের সব ট্যাংক সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত করা বাধ্যতামূলক। কার্বন মনোক্সাইড বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাস থেকে যাওয়ায় এবং শ্রমিকদের সুরক্ষায় ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকাতেই এ ভয়াবহ অঘটন ঘটেছে।
ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও একটি পৃথক তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম রাতে জানান, সর্বশেষে মতিউর রহমান (১৯) নামের এক তরুণকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৭ জন শ্রমিক মারাত্মক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নয় শ্রমিক হলেন সানি জলদাস, পলাশ জলদাস, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ মনসুর, নাসির উদ্দিন, আবদুল আলীম, রানা মিয়া, মতিউর রহমান ও খোকন মিয়া। তাদের মধ্যে মনসুর ও নাসির দুজন আপন ভাই। নিহতদের বেশিরভাগই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা হলেও খোকন ও রানার বাড়ি গাইবান্ধায় এবং আবদুল আলীমের বাড়ি পাবনায়।
স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, সকালে কাজ চলাকালীন হঠাৎ করেই কারখানার ভেতর থেকে আকুল চিৎকার ভেসে আসতে থাকে। আশপাশের মানুষ দ্রুত সেখানে পৌঁছে দেখতে পান অসুস্থ শ্রমিকদের গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী কারখানায় ঢুকে ক্ষোভ প্রকাশ ও ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম জানান, যে স্ক্র্যাপ জাহাজটি কাটা হচ্ছিল সেটি মূলত জ্বালানি গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করত। নিয়ম অনুযায়ী এ জাতীয় জাহাজ কাটার আগে ভেতরের সব ট্যাংক সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত করা বাধ্যতামূলক। কার্বন মনোক্সাইড বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাস থেকে যাওয়ায় এবং শ্রমিকদের সুরক্ষায় ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকাতেই এ ভয়াবহ অঘটন ঘটেছে।
ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও একটি পৃথক তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু: প্রত্যেকের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা
সীতাকুণ্ডে জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু বেড়ে ৮




