পরোক্ষ ধূমপানের ভয়াবহ প্রভাব, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু

পরোক্ষ ধূমপানের ভয়াবহ প্রভাব, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি নিজে ধূমপান করছেন না, অথবা ধূমপান পছন্দও করেন না, তার পরেও এটা আপনার জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে। প্রশ্ন জাগতে পারে কীভাবে? উত্তর হলো- পরোক্ষ ধূমপানে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কেউ একজন সিগারেট, পাইপ বা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়ছে, সেই বাতাস আপনি গ্রহণ করলে সেটাকে পরোক্ষ ধূমপান বলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর শিশুসহ ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। এর কারণে ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
গবেষকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের সামান্য পরিমাণ ধোঁয়াও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুসের নানা জটিলতা এবং ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ‘দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথ’ জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশ করেছেন। তারা ২০৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গেছেন।
এছাড়া গত বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। এর মধ্যে মধ্যে ৭৬.৭ কোটি শিশু (যাদের বয়স ১৪ বছর বা তার কম) রয়েছে।
মৃত্যুর প্রধান কারণসমূহ
গবেষণায় বলা হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ ৩৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর পেছনে এই কারণটি জড়িত ছিল। এছাড়া অন্যান্য মৃত্যুর কারণগুলো হলো-
ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি): ৩ লাখ ৫৪ হাজার মৃত্যু
স্ট্রোক: ২ লাখ ৭৮ হাজার মৃত্যু
শ্বাসনালীর নিচের অংশের সংক্রমণ: ১ লাখ ৮৫ হাজার মৃত্যু
ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যান্সার: ১ লাখ ৬১ হাজার মৃত্যু
কোন অঞ্চলে প্রভাব বেশি?
গবেষণায় জানানো হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে। এ সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৮৯ হাজার। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া, প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার। বিশ্বের মোট পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের প্রায় অর্ধেকই চীন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ার। এই তিন দেশে ধূমপানের হার সবচেয়ে বেশি।
পরোক্ষ ধূমপানে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য। ১৯৯০ সালে যেখানে প্রায় ১৪,৯০০ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গিয়েছিলেন, ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬,১০০ জনে। তবে গবেষকদের মতে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি এখনো বেশ বড় উদ্বেগের বিষয় রয়ে গেছে।
গবেষণার সীমাবদ্ধতা
এই গবেষণায় শুধুমাত্র বাসা এবং কর্মক্ষেত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন। অর্থাৎ গাড়ি, বিনোদন কেন্দ্র বা জনসমাগমস্থলে মানুষ কতটুকু ধোঁয়ার শিকার হচ্ছেন, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া মানুষ ঠিক কতক্ষণ ধরে এই ধোঁয়ার সংস্পর্শে ছিল, তাও পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। এই সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিসংখ্যান আরও ভয়াবহ হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে গবেষকরা বিশ্বব্যাপী তামাকের উচ্চ কর, ধূমপানবিরোধী ক্যাম্পেইন এবং সাধারণ মোড়কজাতকরণ ব্যবস্থা চালুর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র: ডেইলি মেইল

আপনি নিজে ধূমপান করছেন না, অথবা ধূমপান পছন্দও করেন না, তার পরেও এটা আপনার জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে। প্রশ্ন জাগতে পারে কীভাবে? উত্তর হলো- পরোক্ষ ধূমপানে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কেউ একজন সিগারেট, পাইপ বা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়ছে, সেই বাতাস আপনি গ্রহণ করলে সেটাকে পরোক্ষ ধূমপান বলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর শিশুসহ ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। এর কারণে ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
গবেষকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের সামান্য পরিমাণ ধোঁয়াও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুসের নানা জটিলতা এবং ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ‘দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথ’ জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশ করেছেন। তারা ২০৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গেছেন।
এছাড়া গত বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। এর মধ্যে মধ্যে ৭৬.৭ কোটি শিশু (যাদের বয়স ১৪ বছর বা তার কম) রয়েছে।
মৃত্যুর প্রধান কারণসমূহ
গবেষণায় বলা হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ ৩৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর পেছনে এই কারণটি জড়িত ছিল। এছাড়া অন্যান্য মৃত্যুর কারণগুলো হলো-
ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি): ৩ লাখ ৫৪ হাজার মৃত্যু
স্ট্রোক: ২ লাখ ৭৮ হাজার মৃত্যু
শ্বাসনালীর নিচের অংশের সংক্রমণ: ১ লাখ ৮৫ হাজার মৃত্যু
ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যান্সার: ১ লাখ ৬১ হাজার মৃত্যু
কোন অঞ্চলে প্রভাব বেশি?
গবেষণায় জানানো হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে। এ সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৮৯ হাজার। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া, প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার। বিশ্বের মোট পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের প্রায় অর্ধেকই চীন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ার। এই তিন দেশে ধূমপানের হার সবচেয়ে বেশি।
পরোক্ষ ধূমপানে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য। ১৯৯০ সালে যেখানে প্রায় ১৪,৯০০ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গিয়েছিলেন, ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬,১০০ জনে। তবে গবেষকদের মতে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি এখনো বেশ বড় উদ্বেগের বিষয় রয়ে গেছে।
গবেষণার সীমাবদ্ধতা
এই গবেষণায় শুধুমাত্র বাসা এবং কর্মক্ষেত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন। অর্থাৎ গাড়ি, বিনোদন কেন্দ্র বা জনসমাগমস্থলে মানুষ কতটুকু ধোঁয়ার শিকার হচ্ছেন, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া মানুষ ঠিক কতক্ষণ ধরে এই ধোঁয়ার সংস্পর্শে ছিল, তাও পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। এই সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিসংখ্যান আরও ভয়াবহ হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে গবেষকরা বিশ্বব্যাপী তামাকের উচ্চ কর, ধূমপানবিরোধী ক্যাম্পেইন এবং সাধারণ মোড়কজাতকরণ ব্যবস্থা চালুর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র: ডেইলি মেইল

পরোক্ষ ধূমপানের ভয়াবহ প্রভাব, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি নিজে ধূমপান করছেন না, অথবা ধূমপান পছন্দও করেন না, তার পরেও এটা আপনার জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে। প্রশ্ন জাগতে পারে কীভাবে? উত্তর হলো- পরোক্ষ ধূমপানে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কেউ একজন সিগারেট, পাইপ বা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়ছে, সেই বাতাস আপনি গ্রহণ করলে সেটাকে পরোক্ষ ধূমপান বলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর শিশুসহ ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। এর কারণে ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
গবেষকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের সামান্য পরিমাণ ধোঁয়াও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুসের নানা জটিলতা এবং ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ‘দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথ’ জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশ করেছেন। তারা ২০৪টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গেছেন।
এছাড়া গত বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। এর মধ্যে মধ্যে ৭৬.৭ কোটি শিশু (যাদের বয়স ১৪ বছর বা তার কম) রয়েছে।
মৃত্যুর প্রধান কারণসমূহ
গবেষণায় বলা হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ ৩৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর পেছনে এই কারণটি জড়িত ছিল। এছাড়া অন্যান্য মৃত্যুর কারণগুলো হলো-
ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি): ৩ লাখ ৫৪ হাজার মৃত্যু
স্ট্রোক: ২ লাখ ৭৮ হাজার মৃত্যু
শ্বাসনালীর নিচের অংশের সংক্রমণ: ১ লাখ ৮৫ হাজার মৃত্যু
ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যান্সার: ১ লাখ ৬১ হাজার মৃত্যু
কোন অঞ্চলে প্রভাব বেশি?
গবেষণায় জানানো হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে। এ সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৮৯ হাজার। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া, প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার। বিশ্বের মোট পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের প্রায় অর্ধেকই চীন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ার। এই তিন দেশে ধূমপানের হার সবচেয়ে বেশি।
পরোক্ষ ধূমপানে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য। ১৯৯০ সালে যেখানে প্রায় ১৪,৯০০ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা গিয়েছিলেন, ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬,১০০ জনে। তবে গবেষকদের মতে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি এখনো বেশ বড় উদ্বেগের বিষয় রয়ে গেছে।
গবেষণার সীমাবদ্ধতা
এই গবেষণায় শুধুমাত্র বাসা এবং কর্মক্ষেত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন। অর্থাৎ গাড়ি, বিনোদন কেন্দ্র বা জনসমাগমস্থলে মানুষ কতটুকু ধোঁয়ার শিকার হচ্ছেন, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া মানুষ ঠিক কতক্ষণ ধরে এই ধোঁয়ার সংস্পর্শে ছিল, তাও পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। এই সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিসংখ্যান আরও ভয়াবহ হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে গবেষকরা বিশ্বব্যাপী তামাকের উচ্চ কর, ধূমপানবিরোধী ক্যাম্পেইন এবং সাধারণ মোড়কজাতকরণ ব্যবস্থা চালুর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র: ডেইলি মেইল

‘ট্রেনে ধূমপান করব, আপনি জরিমানা করেন’







