দুই দিনে গ্রাহকদের ৫৭৭ কোটি টাকা ফেরত দিলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

দুই দিনে গ্রাহকদের ৫৭৭ কোটি টাকা ফেরত দিলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
সিজেডএন ডেস্ক

তারল্য সংকট কাটিয়ে আমানতকারীদের বকেয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরতে শুরু করেছে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। পরিশোধ কার্যক্রমের প্রথম দুই দিনেই ১৩ হাজার ৮৯৬ জন আমানতকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৫৭৭ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তায় পরিচালিত এ কার্যক্রমে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পর অনেক আমানতকারীই আবার টাকা না তুলে স্থায়ীভাবে জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
প্রভাবশালী পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত এ সম্মিলিত ব্যাংকটির কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রাহকভেদে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। গ্রাহকরা বর্তমানে সম্মিলিত ব্যাংকটির অধীনে দেশের ৭৬১টি শাখা থেকে সরাসরি ও অনলাইন মাধ্যমে লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছেন।
১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোট ৭৪ হাজার ২১১ জন গ্রাহক ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
আমানত ফেরতের প্রথম দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ৬ হাজার জন আমানতকারীকে ২৫০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৮৯৬ জনে এবং উত্তোলনের পরিমাণ পৌঁছায় ৩২৭ কোটি টাকায়।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান সিকদার জানান, আবেদনকারীদের অনেকেই টাকা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বার্তা পেয়ে বহু গ্রাহক টাকা তুলছেন না, কিংবা তোলার পরপরই পুনরায় আমানত হিসেবে ব্যাংকেই জমা রাখছেন।

তারল্য সংকট কাটিয়ে আমানতকারীদের বকেয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরতে শুরু করেছে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। পরিশোধ কার্যক্রমের প্রথম দুই দিনেই ১৩ হাজার ৮৯৬ জন আমানতকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৫৭৭ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তায় পরিচালিত এ কার্যক্রমে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পর অনেক আমানতকারীই আবার টাকা না তুলে স্থায়ীভাবে জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
প্রভাবশালী পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত এ সম্মিলিত ব্যাংকটির কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রাহকভেদে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। গ্রাহকরা বর্তমানে সম্মিলিত ব্যাংকটির অধীনে দেশের ৭৬১টি শাখা থেকে সরাসরি ও অনলাইন মাধ্যমে লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছেন।
১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোট ৭৪ হাজার ২১১ জন গ্রাহক ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
আমানত ফেরতের প্রথম দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ৬ হাজার জন আমানতকারীকে ২৫০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৮৯৬ জনে এবং উত্তোলনের পরিমাণ পৌঁছায় ৩২৭ কোটি টাকায়।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান সিকদার জানান, আবেদনকারীদের অনেকেই টাকা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বার্তা পেয়ে বহু গ্রাহক টাকা তুলছেন না, কিংবা তোলার পরপরই পুনরায় আমানত হিসেবে ব্যাংকেই জমা রাখছেন।

দুই দিনে গ্রাহকদের ৫৭৭ কোটি টাকা ফেরত দিলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
সিজেডএন ডেস্ক

তারল্য সংকট কাটিয়ে আমানতকারীদের বকেয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরতে শুরু করেছে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। পরিশোধ কার্যক্রমের প্রথম দুই দিনেই ১৩ হাজার ৮৯৬ জন আমানতকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৫৭৭ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তায় পরিচালিত এ কার্যক্রমে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পর অনেক আমানতকারীই আবার টাকা না তুলে স্থায়ীভাবে জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
প্রভাবশালী পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত এ সম্মিলিত ব্যাংকটির কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রাহকভেদে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। গ্রাহকরা বর্তমানে সম্মিলিত ব্যাংকটির অধীনে দেশের ৭৬১টি শাখা থেকে সরাসরি ও অনলাইন মাধ্যমে লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছেন।
১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোট ৭৪ হাজার ২১১ জন গ্রাহক ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন।
আমানত ফেরতের প্রথম দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ৬ হাজার জন আমানতকারীকে ২৫০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৮৯৬ জনে এবং উত্তোলনের পরিমাণ পৌঁছায় ৩২৭ কোটি টাকায়।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান সিকদার জানান, আবেদনকারীদের অনেকেই টাকা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বার্তা পেয়ে বহু গ্রাহক টাকা তুলছেন না, কিংবা তোলার পরপরই পুনরায় আমানত হিসেবে ব্যাংকেই জমা রাখছেন।

সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে ৫০ শতাংশ কোটা কমালো সরকার







