হুথিদের লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

হুথিদের লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের মদদপুষ্ট ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠি সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এই হামলার লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। সৌদি, পাকিস্তানি ও ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংকট আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তান এই বার্তা দিয়েছে।একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে হুথিরা। খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং নিকটবর্তী শহরগুলোর তেল অবকাঠামোতে চালানো ওই হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, গত ১২ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ‘জবাব এবং এর শাস্তি দেয়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আরেকটি ফ্রন্ট তৈরি করেছে। একদিকে হুথি এবং সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, অন্যদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেও হামলা চলমান রয়েছে। এমন অবস্থায় হুতিদের লাগাম টানতে তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিলো ইসলামাবাদ। সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকার কারণে ইরানের প্রতি পাকিস্তানের সতর্কবার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
যদিও পাকিস্তান জোর দিয়ে বলেছে, তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবে হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদকে নিয়ে করা যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে চলা পাকিস্তানের এই উদ্যোগই দেখিয়ে দিচ্ছে হুতিদের হামলা কতটা গুরুতর হয়ে উঠেছে। তেহরানের প্রতি ইসলামাবাদের বার্তাটি স্পষ্ট- হয় হুতিদের নিয়ন্ত্রণ করবেন, নইলে প্রক্সি যুদ্ধ আরও বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের মদদপুষ্ট ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠি সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এই হামলার লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। সৌদি, পাকিস্তানি ও ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংকট আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তান এই বার্তা দিয়েছে।একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে হুথিরা। খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং নিকটবর্তী শহরগুলোর তেল অবকাঠামোতে চালানো ওই হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, গত ১২ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ‘জবাব এবং এর শাস্তি দেয়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আরেকটি ফ্রন্ট তৈরি করেছে। একদিকে হুথি এবং সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, অন্যদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেও হামলা চলমান রয়েছে। এমন অবস্থায় হুতিদের লাগাম টানতে তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিলো ইসলামাবাদ। সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকার কারণে ইরানের প্রতি পাকিস্তানের সতর্কবার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
যদিও পাকিস্তান জোর দিয়ে বলেছে, তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবে হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদকে নিয়ে করা যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে চলা পাকিস্তানের এই উদ্যোগই দেখিয়ে দিচ্ছে হুতিদের হামলা কতটা গুরুতর হয়ে উঠেছে। তেহরানের প্রতি ইসলামাবাদের বার্তাটি স্পষ্ট- হয় হুতিদের নিয়ন্ত্রণ করবেন, নইলে প্রক্সি যুদ্ধ আরও বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

হুথিদের লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের মদদপুষ্ট ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠি সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এই হামলার লাগাম টানতে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। সৌদি, পাকিস্তানি ও ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংকট আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে পাকিস্তান এই বার্তা দিয়েছে।একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবে সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে হুথিরা। খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং নিকটবর্তী শহরগুলোর তেল অবকাঠামোতে চালানো ওই হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, গত ১২ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ‘জবাব এবং এর শাস্তি দেয়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আরেকটি ফ্রন্ট তৈরি করেছে। একদিকে হুথি এবং সৌদি আরবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, অন্যদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেও হামলা চলমান রয়েছে। এমন অবস্থায় হুতিদের লাগাম টানতে তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিলো ইসলামাবাদ। সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকার কারণে ইরানের প্রতি পাকিস্তানের সতর্কবার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
যদিও পাকিস্তান জোর দিয়ে বলেছে, তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা সৌদি ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবে হামলা আরও ছড়িয়ে পড়লে রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদকে নিয়ে করা যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে চলা পাকিস্তানের এই উদ্যোগই দেখিয়ে দিচ্ছে হুতিদের হামলা কতটা গুরুতর হয়ে উঠেছে। তেহরানের প্রতি ইসলামাবাদের বার্তাটি স্পষ্ট- হয় হুতিদের নিয়ন্ত্রণ করবেন, নইলে প্রক্সি যুদ্ধ আরও বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মক্কা চুক্তি: হুথি বিদ্রোহীদের সতর্কবার্তা পাকিস্তানের







