সিপিএলে অভিষেকেই নিজের জাত চেনালেন মিরাজ

সিপিএলে অভিষেকেই নিজের জাত চেনালেন মিরাজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলতে নেমেছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। অভিষেক ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন তিনি। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে খেলতে নেমে চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর দলের অধিনায়ক ইমরান তাহির শিকার করেছেন ৫ উইকেট। এই দুই অলরাউন্ডারের বোলিং ঘূর্ণিতে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। পরে ৪ উইকেটে জিতেছে গায়ানা।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকদের স্পিনের সামনে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়ে সেন্ট লুসিয়া। কামিল পুরানের ৩৫ বলে ৪৩ এবং ওবার পিয়েনারের ২৮ বলে ৩৫ রান ছাড়া দলের আর কেউই ভালো করতে পারেনি। এতে ১৮.৫ ওভারে স্রেফ ১১৯ রানে অলআউট হয় কিংস।
বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি মিরাজ। পাঁচ নম্বরে নেমে চার বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি।
সিপিএলে দ্বিতীয়বার দল পেয়েছেন মিরাজ। এর আগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের স্কোয়াডে ছিলেন। তবে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এবার মোহাম্মদ নবীর জায়গায় গায়ানার দলে সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি।
বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান মিরাজ। তার ছুড়ে দেওয়া অফস্পিন বল এগিয়ে এসে উড়িয়ে মারতে যান ক্যাম্পবেল। তবে লং-অনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে পরপর কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে আউট করেন বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডার। বাকি সময়ে আর উইকেট না পেলেও প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ ধরে রাখেন। ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৩টি ডট বল করেছেন মিরাজ।
অন্যদিকে ৪৭ বছর বয়সেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ইমরান তাহির। মাত্র ১৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই লেগ স্পিনার। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার তালিকায় তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে। এই কীর্তি সবচেয়ে বেশি ৭ বার করেছেন ডেভিড ভিসে।
সেন্ট লুসিয়াকে জবাব দিতে নেমে কিছুটা ভুগতে হয়েছে গায়ানাকে। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ৪ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়েছেন। তবে গ্লেন ফিলিপস ও কুইন্টিন স্যাম্পসন সমান ৩৭ রান করলে ৯ বল এবং ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় তারা। সিপিএলের ৮ ম্যাচের মধ্যে গায়ানার এটি সপ্তম জয়।
সিপিএলে মিরাজের পরবর্তী ম্যাচ ১১ সেপ্টেম্বর ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে।

প্রথমবারের মতো ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলতে নেমেছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। অভিষেক ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন তিনি। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে খেলতে নেমে চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর দলের অধিনায়ক ইমরান তাহির শিকার করেছেন ৫ উইকেট। এই দুই অলরাউন্ডারের বোলিং ঘূর্ণিতে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। পরে ৪ উইকেটে জিতেছে গায়ানা।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকদের স্পিনের সামনে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়ে সেন্ট লুসিয়া। কামিল পুরানের ৩৫ বলে ৪৩ এবং ওবার পিয়েনারের ২৮ বলে ৩৫ রান ছাড়া দলের আর কেউই ভালো করতে পারেনি। এতে ১৮.৫ ওভারে স্রেফ ১১৯ রানে অলআউট হয় কিংস।
বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি মিরাজ। পাঁচ নম্বরে নেমে চার বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি।
সিপিএলে দ্বিতীয়বার দল পেয়েছেন মিরাজ। এর আগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের স্কোয়াডে ছিলেন। তবে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এবার মোহাম্মদ নবীর জায়গায় গায়ানার দলে সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি।
বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান মিরাজ। তার ছুড়ে দেওয়া অফস্পিন বল এগিয়ে এসে উড়িয়ে মারতে যান ক্যাম্পবেল। তবে লং-অনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে পরপর কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে আউট করেন বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডার। বাকি সময়ে আর উইকেট না পেলেও প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ ধরে রাখেন। ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৩টি ডট বল করেছেন মিরাজ।
অন্যদিকে ৪৭ বছর বয়সেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ইমরান তাহির। মাত্র ১৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই লেগ স্পিনার। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার তালিকায় তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে। এই কীর্তি সবচেয়ে বেশি ৭ বার করেছেন ডেভিড ভিসে।
সেন্ট লুসিয়াকে জবাব দিতে নেমে কিছুটা ভুগতে হয়েছে গায়ানাকে। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ৪ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়েছেন। তবে গ্লেন ফিলিপস ও কুইন্টিন স্যাম্পসন সমান ৩৭ রান করলে ৯ বল এবং ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় তারা। সিপিএলের ৮ ম্যাচের মধ্যে গায়ানার এটি সপ্তম জয়।
সিপিএলে মিরাজের পরবর্তী ম্যাচ ১১ সেপ্টেম্বর ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে।

সিপিএলে অভিষেকেই নিজের জাত চেনালেন মিরাজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলতে নেমেছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। অভিষেক ম্যাচে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন তিনি। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে খেলতে নেমে চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর দলের অধিনায়ক ইমরান তাহির শিকার করেছেন ৫ উইকেট। এই দুই অলরাউন্ডারের বোলিং ঘূর্ণিতে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। পরে ৪ উইকেটে জিতেছে গায়ানা।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকদের স্পিনের সামনে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়ে সেন্ট লুসিয়া। কামিল পুরানের ৩৫ বলে ৪৩ এবং ওবার পিয়েনারের ২৮ বলে ৩৫ রান ছাড়া দলের আর কেউই ভালো করতে পারেনি। এতে ১৮.৫ ওভারে স্রেফ ১১৯ রানে অলআউট হয় কিংস।
বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি মিরাজ। পাঁচ নম্বরে নেমে চার বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি।
সিপিএলে দ্বিতীয়বার দল পেয়েছেন মিরাজ। এর আগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের স্কোয়াডে ছিলেন। তবে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এবার মোহাম্মদ নবীর জায়গায় গায়ানার দলে সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি।
বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান মিরাজ। তার ছুড়ে দেওয়া অফস্পিন বল এগিয়ে এসে উড়িয়ে মারতে যান ক্যাম্পবেল। তবে লং-অনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে পরপর কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে আউট করেন বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডার। বাকি সময়ে আর উইকেট না পেলেও প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ ধরে রাখেন। ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৩টি ডট বল করেছেন মিরাজ।
অন্যদিকে ৪৭ বছর বয়সেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ইমরান তাহির। মাত্র ১৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই লেগ স্পিনার। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার তালিকায় তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে। এই কীর্তি সবচেয়ে বেশি ৭ বার করেছেন ডেভিড ভিসে।
সেন্ট লুসিয়াকে জবাব দিতে নেমে কিছুটা ভুগতে হয়েছে গায়ানাকে। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ৪ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়েছেন। তবে গ্লেন ফিলিপস ও কুইন্টিন স্যাম্পসন সমান ৩৭ রান করলে ৯ বল এবং ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় তারা। সিপিএলের ৮ ম্যাচের মধ্যে গায়ানার এটি সপ্তম জয়।
সিপিএলে মিরাজের পরবর্তী ম্যাচ ১১ সেপ্টেম্বর ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে।

সিপিএলে দল পেলেন মিরাজ







