পাকিস্তানে মাদ্রাসার জন্য ভাঙা হলো শত বছরের পুরোনো মন্দির

পাকিস্তানে মাদ্রাসার জন্য ভাঙা হলো শত বছরের পুরোনো মন্দির
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-e3ce52.jpg)
পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে শতাব্দী প্রাচীন একটি মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। লাহোর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরের গ্রামে প্রায় এক হাজার বর্গমিটার জায়গাব্যাপী বিস্তৃত ছিল ১২৫ বছর পুরোনো মন্দিরটি। অভিযোগ উঠেছে, পাশের একটি মাদ্রাসা বড় করার উদ্দেশ্যে কট্টরপন্থি একটি গোষ্ঠী এটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং উচ্ছেদ হওয়া জমি পুনরুদ্ধার করে মন্দিরটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সংখ্যালঘু নেতা ও মানবাধিকারকর্মীরা।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর বরাতে জানা গেছে, ২১ আগস্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত কট্টর-ডানপন্থি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান’ (টিএলপি)-এর কিছু সদস্য মাদ্রাসার সীমানা বাড়াতে মন্দিরটিতে ভাঙচুর চালায়। পুরো স্থাপনা ধ্বংসের পর গুঁড়িয়ে দেওয়া মন্দিরের চূড়ার ধাতব অংশ, ইট এবং অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ‘পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টি’ (পিএমএমপি)-র চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা এ নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শরিফের সরকারের। তিনি ২৮ আগস্ট পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারী সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান।
জমি দখল প্রসঙ্গে সাহোত্রা বলেন, সরকারি সংস্থা ‘ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড’ (ইটিপিবি) পূর্বে মাদ্রাসার জন্য মন্দিরের সংলগ্ন জমি ইজারা দিয়েছিল। তবে বছরের পর বছর ভাড়া বকেয়া থাকা এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করায় পরবর্তীতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়।’ রাজস্ব দপ্তরের নথির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ইটিপিবি শিয়ালকোট কার্যালয় ২৯ জানুয়ারি অবৈধ দখলদারদের হটানো ও সম্পত্তি সিলগালা করার নির্দেশ দিলেও তা আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
স্থানীয় সংখ্যালঘু নেতারা জানান, চত্বরে মাদ্রাসা চালু থাকায় নিরাপত্তার ভয়ে স্থানটিতে যেতেও চরম আতঙ্কবোধ করছেন সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। নারোওয়াল জেলা শান্তি কমিটি ও পাক ধর্ম আস্থান হিন্দু কমিটির সদস্য রতন লাল এ ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসন ও ইটিপিবি স্থানটি রক্ষায় কিংবা দখলদারদের সরাতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে মন্দিরটি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।’
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সংস্থা ইটিপিবি-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রানা ইফতিখার দাবি করেন, কোনো পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ হয়নি। তার ভাষ্য, ‘মন্দিরটি প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো ছিল এবং মুষলধারে বৃষ্টির কারণেই এটি ধসে পড়েছে।’ সরকারি নথিতে নির্দিষ্ট নাম না থাকা এই প্রাচীন স্থাপনার পাশের জমি ইজারার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, “মন্দিরের মূল জমি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি।”
তবে ইটিপিবি কর্মকর্তা বৃষ্টির কারণে ভবন ধসের দাবি করলেও পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ নথি তাদের এই বক্তব্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ১১ এপ্রিলের এক পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে মন্দিরটির নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে এবং এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আপাতত সরকারি কর্মকর্তারা মন্দির পুনর্নির্মাণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেলেও, পাঞ্জাবজুড়ে হিন্দু মন্দির, শিখ গুরুদুয়ারা ও গির্জার স্থায়ী সুরক্ষার নিশ্চয়তা চাইছেন স্থানীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী।
সূত্র: এনডিটিভি
-CznNewsLab-e3ce52.jpg)
পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে শতাব্দী প্রাচীন একটি মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। লাহোর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরের গ্রামে প্রায় এক হাজার বর্গমিটার জায়গাব্যাপী বিস্তৃত ছিল ১২৫ বছর পুরোনো মন্দিরটি। অভিযোগ উঠেছে, পাশের একটি মাদ্রাসা বড় করার উদ্দেশ্যে কট্টরপন্থি একটি গোষ্ঠী এটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং উচ্ছেদ হওয়া জমি পুনরুদ্ধার করে মন্দিরটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সংখ্যালঘু নেতা ও মানবাধিকারকর্মীরা।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর বরাতে জানা গেছে, ২১ আগস্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত কট্টর-ডানপন্থি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান’ (টিএলপি)-এর কিছু সদস্য মাদ্রাসার সীমানা বাড়াতে মন্দিরটিতে ভাঙচুর চালায়। পুরো স্থাপনা ধ্বংসের পর গুঁড়িয়ে দেওয়া মন্দিরের চূড়ার ধাতব অংশ, ইট এবং অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ‘পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টি’ (পিএমএমপি)-র চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা এ নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শরিফের সরকারের। তিনি ২৮ আগস্ট পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারী সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান।
জমি দখল প্রসঙ্গে সাহোত্রা বলেন, সরকারি সংস্থা ‘ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড’ (ইটিপিবি) পূর্বে মাদ্রাসার জন্য মন্দিরের সংলগ্ন জমি ইজারা দিয়েছিল। তবে বছরের পর বছর ভাড়া বকেয়া থাকা এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করায় পরবর্তীতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়।’ রাজস্ব দপ্তরের নথির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ইটিপিবি শিয়ালকোট কার্যালয় ২৯ জানুয়ারি অবৈধ দখলদারদের হটানো ও সম্পত্তি সিলগালা করার নির্দেশ দিলেও তা আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
স্থানীয় সংখ্যালঘু নেতারা জানান, চত্বরে মাদ্রাসা চালু থাকায় নিরাপত্তার ভয়ে স্থানটিতে যেতেও চরম আতঙ্কবোধ করছেন সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। নারোওয়াল জেলা শান্তি কমিটি ও পাক ধর্ম আস্থান হিন্দু কমিটির সদস্য রতন লাল এ ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসন ও ইটিপিবি স্থানটি রক্ষায় কিংবা দখলদারদের সরাতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে মন্দিরটি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।’
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সংস্থা ইটিপিবি-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রানা ইফতিখার দাবি করেন, কোনো পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ হয়নি। তার ভাষ্য, ‘মন্দিরটি প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো ছিল এবং মুষলধারে বৃষ্টির কারণেই এটি ধসে পড়েছে।’ সরকারি নথিতে নির্দিষ্ট নাম না থাকা এই প্রাচীন স্থাপনার পাশের জমি ইজারার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, “মন্দিরের মূল জমি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি।”
তবে ইটিপিবি কর্মকর্তা বৃষ্টির কারণে ভবন ধসের দাবি করলেও পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ নথি তাদের এই বক্তব্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ১১ এপ্রিলের এক পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে মন্দিরটির নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে এবং এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আপাতত সরকারি কর্মকর্তারা মন্দির পুনর্নির্মাণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেলেও, পাঞ্জাবজুড়ে হিন্দু মন্দির, শিখ গুরুদুয়ারা ও গির্জার স্থায়ী সুরক্ষার নিশ্চয়তা চাইছেন স্থানীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী।
সূত্র: এনডিটিভি

পাকিস্তানে মাদ্রাসার জন্য ভাঙা হলো শত বছরের পুরোনো মন্দির
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-e3ce52.jpg)
পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে শতাব্দী প্রাচীন একটি মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। লাহোর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরের গ্রামে প্রায় এক হাজার বর্গমিটার জায়গাব্যাপী বিস্তৃত ছিল ১২৫ বছর পুরোনো মন্দিরটি। অভিযোগ উঠেছে, পাশের একটি মাদ্রাসা বড় করার উদ্দেশ্যে কট্টরপন্থি একটি গোষ্ঠী এটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং উচ্ছেদ হওয়া জমি পুনরুদ্ধার করে মন্দিরটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সংখ্যালঘু নেতা ও মানবাধিকারকর্মীরা।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর বরাতে জানা গেছে, ২১ আগস্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত কট্টর-ডানপন্থি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান’ (টিএলপি)-এর কিছু সদস্য মাদ্রাসার সীমানা বাড়াতে মন্দিরটিতে ভাঙচুর চালায়। পুরো স্থাপনা ধ্বংসের পর গুঁড়িয়ে দেওয়া মন্দিরের চূড়ার ধাতব অংশ, ইট এবং অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ‘পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টি’ (পিএমএমপি)-র চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা এ নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শরিফের সরকারের। তিনি ২৮ আগস্ট পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারী সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান।
জমি দখল প্রসঙ্গে সাহোত্রা বলেন, সরকারি সংস্থা ‘ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড’ (ইটিপিবি) পূর্বে মাদ্রাসার জন্য মন্দিরের সংলগ্ন জমি ইজারা দিয়েছিল। তবে বছরের পর বছর ভাড়া বকেয়া থাকা এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করায় পরবর্তীতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়।’ রাজস্ব দপ্তরের নথির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ইটিপিবি শিয়ালকোট কার্যালয় ২৯ জানুয়ারি অবৈধ দখলদারদের হটানো ও সম্পত্তি সিলগালা করার নির্দেশ দিলেও তা আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
স্থানীয় সংখ্যালঘু নেতারা জানান, চত্বরে মাদ্রাসা চালু থাকায় নিরাপত্তার ভয়ে স্থানটিতে যেতেও চরম আতঙ্কবোধ করছেন সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। নারোওয়াল জেলা শান্তি কমিটি ও পাক ধর্ম আস্থান হিন্দু কমিটির সদস্য রতন লাল এ ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসন ও ইটিপিবি স্থানটি রক্ষায় কিংবা দখলদারদের সরাতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে মন্দিরটি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।’
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সংস্থা ইটিপিবি-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রানা ইফতিখার দাবি করেন, কোনো পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ হয়নি। তার ভাষ্য, ‘মন্দিরটি প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো ছিল এবং মুষলধারে বৃষ্টির কারণেই এটি ধসে পড়েছে।’ সরকারি নথিতে নির্দিষ্ট নাম না থাকা এই প্রাচীন স্থাপনার পাশের জমি ইজারার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, “মন্দিরের মূল জমি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি।”
তবে ইটিপিবি কর্মকর্তা বৃষ্টির কারণে ভবন ধসের দাবি করলেও পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ নথি তাদের এই বক্তব্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ১১ এপ্রিলের এক পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে মন্দিরটির নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে এবং এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আপাতত সরকারি কর্মকর্তারা মন্দির পুনর্নির্মাণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেলেও, পাঞ্জাবজুড়ে হিন্দু মন্দির, শিখ গুরুদুয়ারা ও গির্জার স্থায়ী সুরক্ষার নিশ্চয়তা চাইছেন স্থানীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী।
সূত্র: এনডিটিভি

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরও দখল করবো: শুভেন্দু






