আগস্টে রপ্তানি আয়ে সুখবর, বড় ভরসা পোশাকেই

আগস্টে রপ্তানি আয়ে সুখবর, বড় ভরসা পোশাকেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে আগস্টে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এক মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির দিকে তাকালে দেখা যায়, এর মূল চালিকাশক্তি এখনো ‘তৈরি পোশাক খাত’ (আরএমজি)। পাশাপাশি পাট, ওষুধ, চামড়া, প্রকৌশল পণ্য ও ফুটওয়্যারের মতো অপ্রচলিত খাতগুলোও তুলনামূলক দ্রুত বাড়ছে, যা রপ্তানি বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে আনছে।
তবে মাসিক প্রবৃদ্ধির এই শক্তিশালী চিত্রের বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম। জুলাই-আগস্টে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ আগস্টের এক মাসের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো দুই মাসের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে একই মাত্রায় নিয়ে যেতে পারেনি।
প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রে এখনো পোশাক
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের। এক বছর আগে একই মাসে এর পরিমাণ ছিল কম। ফলে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও পোশাক খাতের রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসের মোট ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির প্রায় ৮২ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও পণ্য রপ্তানিতে ‘আরএমজির’ ওপর নির্ভরতার জায়গাটি এখনো খুব বেশি বদলায়নি।
পোশাকের দুই প্রধান উপখাতের মধ্যে আগস্টে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে দুই মাসের হিসাবে প্রবৃদ্ধির ব্যবধান বড়—নিটওয়্যারে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশের বিপরীতে ওভেনে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।
অপ্রচলিত খাতে প্রবৃদ্ধির গতি বেশি
রপ্তানির তথ্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি। আগস্টে পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া ওষুধে ২৮ দশমিক ৫২ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ২৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, মুদ্রণ সামগ্রীতে ২৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যে ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং চামড়া ছাড়া ফুটওয়্যারে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও এসব খাতের ফলাফল পোশাকের তুলনায় বেশি গতিশীল। জুলাই-আগস্টে মুদ্রণ সামগ্রীর রপ্তানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ওষুধে ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ফুটওয়্যারে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং পাট ও পাটজাত পণ্যে ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে প্রবৃদ্ধির হার বেশি হলেও পোশাকের কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে অপ্রচলিত খাতগুলোর অনেকগুলোর ভিত্তি এখনো তুলনামূলক ছোট।
বাজারেও বৈচিত্র্যের ইঙ্গিত
এছাড়া উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ১৪১ দশমিক ০৩ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৪২ দশমিক ০৯ শতাংশ।
চলতি বছরের আগস্ট মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। অপ্রচলিত খাতেও প্রবৃদ্ধির হার বেশি।

বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে আগস্টে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এক মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির দিকে তাকালে দেখা যায়, এর মূল চালিকাশক্তি এখনো ‘তৈরি পোশাক খাত’ (আরএমজি)। পাশাপাশি পাট, ওষুধ, চামড়া, প্রকৌশল পণ্য ও ফুটওয়্যারের মতো অপ্রচলিত খাতগুলোও তুলনামূলক দ্রুত বাড়ছে, যা রপ্তানি বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে আনছে।
তবে মাসিক প্রবৃদ্ধির এই শক্তিশালী চিত্রের বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম। জুলাই-আগস্টে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ আগস্টের এক মাসের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো দুই মাসের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে একই মাত্রায় নিয়ে যেতে পারেনি।
প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রে এখনো পোশাক
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের। এক বছর আগে একই মাসে এর পরিমাণ ছিল কম। ফলে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও পোশাক খাতের রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসের মোট ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির প্রায় ৮২ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও পণ্য রপ্তানিতে ‘আরএমজির’ ওপর নির্ভরতার জায়গাটি এখনো খুব বেশি বদলায়নি।
পোশাকের দুই প্রধান উপখাতের মধ্যে আগস্টে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে দুই মাসের হিসাবে প্রবৃদ্ধির ব্যবধান বড়—নিটওয়্যারে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশের বিপরীতে ওভেনে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।
অপ্রচলিত খাতে প্রবৃদ্ধির গতি বেশি
রপ্তানির তথ্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি। আগস্টে পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া ওষুধে ২৮ দশমিক ৫২ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ২৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, মুদ্রণ সামগ্রীতে ২৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যে ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং চামড়া ছাড়া ফুটওয়্যারে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও এসব খাতের ফলাফল পোশাকের তুলনায় বেশি গতিশীল। জুলাই-আগস্টে মুদ্রণ সামগ্রীর রপ্তানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ওষুধে ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ফুটওয়্যারে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং পাট ও পাটজাত পণ্যে ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে প্রবৃদ্ধির হার বেশি হলেও পোশাকের কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে অপ্রচলিত খাতগুলোর অনেকগুলোর ভিত্তি এখনো তুলনামূলক ছোট।
বাজারেও বৈচিত্র্যের ইঙ্গিত
এছাড়া উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ১৪১ দশমিক ০৩ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৪২ দশমিক ০৯ শতাংশ।
চলতি বছরের আগস্ট মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। অপ্রচলিত খাতেও প্রবৃদ্ধির হার বেশি।

আগস্টে রপ্তানি আয়ে সুখবর, বড় ভরসা পোশাকেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে আগস্টে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এক মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির দিকে তাকালে দেখা যায়, এর মূল চালিকাশক্তি এখনো ‘তৈরি পোশাক খাত’ (আরএমজি)। পাশাপাশি পাট, ওষুধ, চামড়া, প্রকৌশল পণ্য ও ফুটওয়্যারের মতো অপ্রচলিত খাতগুলোও তুলনামূলক দ্রুত বাড়ছে, যা রপ্তানি বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে আনছে।
তবে মাসিক প্রবৃদ্ধির এই শক্তিশালী চিত্রের বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম। জুলাই-আগস্টে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ আগস্টের এক মাসের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো দুই মাসের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে একই মাত্রায় নিয়ে যেতে পারেনি।
প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রে এখনো পোশাক
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের। এক বছর আগে একই মাসে এর পরিমাণ ছিল কম। ফলে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও পোশাক খাতের রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসের মোট ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির প্রায় ৮২ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও পণ্য রপ্তানিতে ‘আরএমজির’ ওপর নির্ভরতার জায়গাটি এখনো খুব বেশি বদলায়নি।
পোশাকের দুই প্রধান উপখাতের মধ্যে আগস্টে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে দুই মাসের হিসাবে প্রবৃদ্ধির ব্যবধান বড়—নিটওয়্যারে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশের বিপরীতে ওভেনে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।
অপ্রচলিত খাতে প্রবৃদ্ধির গতি বেশি
রপ্তানির তথ্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি। আগস্টে পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া ওষুধে ২৮ দশমিক ৫২ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ২৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, মুদ্রণ সামগ্রীতে ২৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যে ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং চামড়া ছাড়া ফুটওয়্যারে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।
দুই মাসের হিসাবেও এসব খাতের ফলাফল পোশাকের তুলনায় বেশি গতিশীল। জুলাই-আগস্টে মুদ্রণ সামগ্রীর রপ্তানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ওষুধে ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ফুটওয়্যারে ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং পাট ও পাটজাত পণ্যে ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে প্রবৃদ্ধির হার বেশি হলেও পোশাকের কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে অপ্রচলিত খাতগুলোর অনেকগুলোর ভিত্তি এখনো তুলনামূলক ছোট।
বাজারেও বৈচিত্র্যের ইঙ্গিত
এছাড়া উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে আগস্টে রপ্তানি বেড়েছে ১৪১ দশমিক ০৩ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৪২ দশমিক ০৯ শতাংশ।
চলতি বছরের আগস্ট মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পোশাক খাত থেকে। অপ্রচলিত খাতেও প্রবৃদ্ধির হার বেশি।

টেকসই টেক্সটাইল খাত গড়তে বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডসের সমঝোতা

-CznNewsLab-e3ce52.jpg)




