রেকর্ড সংখ্যক সেনা নিয়োগ
‘মৃত্যুচক্র’ থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত

‘মৃত্যুচক্র’ থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ কয়েক দশকের স্থবিরতা কাটিয়ে এবং সশস্ত্র বাহিনীর ‘মৃত্যুচক্র’ থেকে বেরিয়ে এসে এক অভাবনীয় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত। মাত্র দুই বছর আগেও যেখানে সৈন্য সংকটে ধুঁকছিল দেশটি, আজ সেখানে গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে এক শক্তিশালী সামরিক উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ন্যাটোর প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণের প্রবল চাপে পড়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকার প্রতিরক্ষা বাজেটকে বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে, যা কানাডাকে এক নতুন সামরিক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এ পরিবর্তনের পেছনে একদিকে যেমন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা কাজ করছে, অন্যদিকে মার্কিন রাজনীতির নাটকীয় মোড় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডাকে ৫১তম রাজ্য হিসেবে অভিহিত করার মতো সার্বভৌমত্বে আঘাতকারী মন্তব্যও নাগরিকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সামরিক জাগরণের পেছনে ট্রাম্প প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি দেশের অভ্যন্তরে উচ্চ বেকারত্ব এবং সামরিক কর্মীদের জন্য ঘোষিত রেকর্ড বেতন বৃদ্ধির বিষয়টিও বড় ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন, কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ৫ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছে। নতুন সরঞ্জাম ক্রয়, আর্কটিক অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া ডিজিটাইজ করার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহ এখন আকাশচুম্বী। গত এক বছরে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই হচ্ছে স্থায়ীভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিক।
তবে এ অগ্রগতি সত্ত্বেও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, প্রকৃত সক্ষমতা অর্জনে কানাডাকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। যদিও বর্তমানে আটলান্টিক ও আর্কটিক সীমান্তে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগের চেয়ে অনেক বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মিত্র দেশগুলোর তুলনায় কানাডা এখনও সামরিক জনবল ও আধুনিক যুদ্ধবিমানের দিক থেকে পিছিয়ে আছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রিচার্ড শিমুকার মতে, সামরিক বাহিনীর বর্তমান শোচনীয় অবস্থা কাটিয়ে উঠে আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা অর্জন করতে আরও অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর সময় প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও, আর্কটিক অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাসদস্যদের মধ্যে নতুন সরঞ্জামের প্রতিশ্রুতি ও বেতন কাঠামো পরিবর্তনের ফলে যে মনোবল তৈরি হয়েছে, তা কানাডার প্রতিরক্ষা খাতের এ পুনর্জাগরণকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

দীর্ঘ কয়েক দশকের স্থবিরতা কাটিয়ে এবং সশস্ত্র বাহিনীর ‘মৃত্যুচক্র’ থেকে বেরিয়ে এসে এক অভাবনীয় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত। মাত্র দুই বছর আগেও যেখানে সৈন্য সংকটে ধুঁকছিল দেশটি, আজ সেখানে গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে এক শক্তিশালী সামরিক উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ন্যাটোর প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণের প্রবল চাপে পড়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকার প্রতিরক্ষা বাজেটকে বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে, যা কানাডাকে এক নতুন সামরিক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এ পরিবর্তনের পেছনে একদিকে যেমন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা কাজ করছে, অন্যদিকে মার্কিন রাজনীতির নাটকীয় মোড় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডাকে ৫১তম রাজ্য হিসেবে অভিহিত করার মতো সার্বভৌমত্বে আঘাতকারী মন্তব্যও নাগরিকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সামরিক জাগরণের পেছনে ট্রাম্প প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি দেশের অভ্যন্তরে উচ্চ বেকারত্ব এবং সামরিক কর্মীদের জন্য ঘোষিত রেকর্ড বেতন বৃদ্ধির বিষয়টিও বড় ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন, কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ৫ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছে। নতুন সরঞ্জাম ক্রয়, আর্কটিক অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া ডিজিটাইজ করার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহ এখন আকাশচুম্বী। গত এক বছরে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই হচ্ছে স্থায়ীভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিক।
তবে এ অগ্রগতি সত্ত্বেও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, প্রকৃত সক্ষমতা অর্জনে কানাডাকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। যদিও বর্তমানে আটলান্টিক ও আর্কটিক সীমান্তে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগের চেয়ে অনেক বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মিত্র দেশগুলোর তুলনায় কানাডা এখনও সামরিক জনবল ও আধুনিক যুদ্ধবিমানের দিক থেকে পিছিয়ে আছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রিচার্ড শিমুকার মতে, সামরিক বাহিনীর বর্তমান শোচনীয় অবস্থা কাটিয়ে উঠে আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা অর্জন করতে আরও অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর সময় প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও, আর্কটিক অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাসদস্যদের মধ্যে নতুন সরঞ্জামের প্রতিশ্রুতি ও বেতন কাঠামো পরিবর্তনের ফলে যে মনোবল তৈরি হয়েছে, তা কানাডার প্রতিরক্ষা খাতের এ পুনর্জাগরণকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

‘মৃত্যুচক্র’ থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ কয়েক দশকের স্থবিরতা কাটিয়ে এবং সশস্ত্র বাহিনীর ‘মৃত্যুচক্র’ থেকে বেরিয়ে এসে এক অভাবনীয় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কানাডার প্রতিরক্ষা খাত। মাত্র দুই বছর আগেও যেখানে সৈন্য সংকটে ধুঁকছিল দেশটি, আজ সেখানে গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে এক শক্তিশালী সামরিক উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ন্যাটোর প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণের প্রবল চাপে পড়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকার প্রতিরক্ষা বাজেটকে বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে, যা কানাডাকে এক নতুন সামরিক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এ পরিবর্তনের পেছনে একদিকে যেমন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা কাজ করছে, অন্যদিকে মার্কিন রাজনীতির নাটকীয় মোড় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডাকে ৫১তম রাজ্য হিসেবে অভিহিত করার মতো সার্বভৌমত্বে আঘাতকারী মন্তব্যও নাগরিকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সামরিক জাগরণের পেছনে ট্রাম্প প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি দেশের অভ্যন্তরে উচ্চ বেকারত্ব এবং সামরিক কর্মীদের জন্য ঘোষিত রেকর্ড বেতন বৃদ্ধির বিষয়টিও বড় ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন, কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ৫ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছে। নতুন সরঞ্জাম ক্রয়, আর্কটিক অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া ডিজিটাইজ করার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহ এখন আকাশচুম্বী। গত এক বছরে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই হচ্ছে স্থায়ীভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিক।
তবে এ অগ্রগতি সত্ত্বেও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, প্রকৃত সক্ষমতা অর্জনে কানাডাকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। যদিও বর্তমানে আটলান্টিক ও আর্কটিক সীমান্তে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগের চেয়ে অনেক বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মিত্র দেশগুলোর তুলনায় কানাডা এখনও সামরিক জনবল ও আধুনিক যুদ্ধবিমানের দিক থেকে পিছিয়ে আছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রিচার্ড শিমুকার মতে, সামরিক বাহিনীর বর্তমান শোচনীয় অবস্থা কাটিয়ে উঠে আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা অর্জন করতে আরও অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর সময় প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও, আর্কটিক অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাসদস্যদের মধ্যে নতুন সরঞ্জামের প্রতিশ্রুতি ও বেতন কাঠামো পরিবর্তনের ফলে যে মনোবল তৈরি হয়েছে, তা কানাডার প্রতিরক্ষা খাতের এ পুনর্জাগরণকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

কানাডায় স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলি, বন্দুকধারীসহ নিহত ১০


