দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান রিজভীর

দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান রিজভীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
রবিবার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে এ আহ্বান জানান তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। ভারতের মানুষও এ ধরনের আচরণ চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
তিনি বলেন, আপনাদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করার কোনো সুযোগ নেই। নানা মত থাকতে পারে কিন্তু আপনারা দেশাত্মবোধ নিয়ে কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সকাল ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন শুধু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা আপনাদের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছি সেগুলো যাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, সেজন্য সরকারের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি। আট লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের চাওয়া ও বেঁচে থাকার লড়াই এবং নিজের মর্যাদার জন্য আপনাদের ন্যায়সঙ্গত বিষয়গুলো সরকার নজরে রাখবে।
তিনি বলেন, সরকার ইতিবাচক যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে সেগুলো জনগণের মধ্যে আপনাদের তুলে ধরতে হবে, বোঝাতে হবে এটি এমন একটি সরকার যারা জবাবদিহিতা করবে। পার্লামেন্ট শুরুর পর থেকে অধিকাংশ সংসদ সদস্যকে পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে জনগণের প্রশ্ন করার অধিকার আছে, আর বিএনপি সরকার জবাবদিহিতা করছে।

দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
রবিবার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে এ আহ্বান জানান তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। ভারতের মানুষও এ ধরনের আচরণ চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
তিনি বলেন, আপনাদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করার কোনো সুযোগ নেই। নানা মত থাকতে পারে কিন্তু আপনারা দেশাত্মবোধ নিয়ে কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সকাল ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন শুধু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা আপনাদের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছি সেগুলো যাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, সেজন্য সরকারের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি। আট লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের চাওয়া ও বেঁচে থাকার লড়াই এবং নিজের মর্যাদার জন্য আপনাদের ন্যায়সঙ্গত বিষয়গুলো সরকার নজরে রাখবে।
তিনি বলেন, সরকার ইতিবাচক যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে সেগুলো জনগণের মধ্যে আপনাদের তুলে ধরতে হবে, বোঝাতে হবে এটি এমন একটি সরকার যারা জবাবদিহিতা করবে। পার্লামেন্ট শুরুর পর থেকে অধিকাংশ সংসদ সদস্যকে পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে জনগণের প্রশ্ন করার অধিকার আছে, আর বিএনপি সরকার জবাবদিহিতা করছে।

দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান রিজভীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
রবিবার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে এ আহ্বান জানান তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। ভারতের মানুষও এ ধরনের আচরণ চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।
তিনি বলেন, আপনাদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করার কোনো সুযোগ নেই। নানা মত থাকতে পারে কিন্তু আপনারা দেশাত্মবোধ নিয়ে কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সকাল ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন শুধু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা আপনাদের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছি সেগুলো যাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, সেজন্য সরকারের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি। আট লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের চাওয়া ও বেঁচে থাকার লড়াই এবং নিজের মর্যাদার জন্য আপনাদের ন্যায়সঙ্গত বিষয়গুলো সরকার নজরে রাখবে।
তিনি বলেন, সরকার ইতিবাচক যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে সেগুলো জনগণের মধ্যে আপনাদের তুলে ধরতে হবে, বোঝাতে হবে এটি এমন একটি সরকার যারা জবাবদিহিতা করবে। পার্লামেন্ট শুরুর পর থেকে অধিকাংশ সংসদ সদস্যকে পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে জনগণের প্রশ্ন করার অধিকার আছে, আর বিএনপি সরকার জবাবদিহিতা করছে।

সামাজিক কর্মসূচিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী 


