তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে মোদির অভিনন্দন

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে মোদির অভিনন্দন
সিটিজেন ডেস্ক

চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রবিবার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি তামিলনাড়ুর উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় উল্লেখ করেন, জনগণের জীবনমান বৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার একযোগে কাজ করবে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো চেন্নাই শহরজুড়ে ছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। জাতীয় রাজনীতির প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। তবে শপথ নেওয়ার ঠিক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিজয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। শপথ গ্রহণের পর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে বিজয় নিজেকে একজন ‘সাধারণ মানুষ’ হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, কোনো রাজকীয় পরিবার বা রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে না আসা সত্ত্বেও জনগণ তাকে আপন করে নিয়েছে।
প্রশাসনিক নীতি স্পষ্ট করে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, তিনি সস্তা বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার সরকারের মূল লক্ষ্য। এ সময় তিনি তামিলনাড়ুকে একটি প্রগতিশীল রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে জনগণের কাছ থেকে কিছুটা সময় ও সহযোগিতা কামনা করেন। সরকার পরিচালনা নিয়ে বিজয় জানান, তার প্রশাসনে ক্ষমতার অন্য কোনো কেন্দ্র থাকবে না এবং তিনিই হবেন একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও জোট সমীকরণের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে থালাপতি বিজয়ের হাত ধরেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রবিবার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি তামিলনাড়ুর উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় উল্লেখ করেন, জনগণের জীবনমান বৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার একযোগে কাজ করবে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো চেন্নাই শহরজুড়ে ছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। জাতীয় রাজনীতির প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। তবে শপথ নেওয়ার ঠিক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিজয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। শপথ গ্রহণের পর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে বিজয় নিজেকে একজন ‘সাধারণ মানুষ’ হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, কোনো রাজকীয় পরিবার বা রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে না আসা সত্ত্বেও জনগণ তাকে আপন করে নিয়েছে।
প্রশাসনিক নীতি স্পষ্ট করে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, তিনি সস্তা বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার সরকারের মূল লক্ষ্য। এ সময় তিনি তামিলনাড়ুকে একটি প্রগতিশীল রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে জনগণের কাছ থেকে কিছুটা সময় ও সহযোগিতা কামনা করেন। সরকার পরিচালনা নিয়ে বিজয় জানান, তার প্রশাসনে ক্ষমতার অন্য কোনো কেন্দ্র থাকবে না এবং তিনিই হবেন একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও জোট সমীকরণের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে থালাপতি বিজয়ের হাত ধরেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে মোদির অভিনন্দন
সিটিজেন ডেস্ক

চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রবিবার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি তামিলনাড়ুর উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় উল্লেখ করেন, জনগণের জীবনমান বৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার একযোগে কাজ করবে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো চেন্নাই শহরজুড়ে ছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। জাতীয় রাজনীতির প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। তবে শপথ নেওয়ার ঠিক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিজয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। শপথ গ্রহণের পর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে বিজয় নিজেকে একজন ‘সাধারণ মানুষ’ হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, কোনো রাজকীয় পরিবার বা রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে না আসা সত্ত্বেও জনগণ তাকে আপন করে নিয়েছে।
প্রশাসনিক নীতি স্পষ্ট করে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, তিনি সস্তা বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার সরকারের মূল লক্ষ্য। এ সময় তিনি তামিলনাড়ুকে একটি প্রগতিশীল রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে জনগণের কাছ থেকে কিছুটা সময় ও সহযোগিতা কামনা করেন। সরকার পরিচালনা নিয়ে বিজয় জানান, তার প্রশাসনে ক্ষমতার অন্য কোনো কেন্দ্র থাকবে না এবং তিনিই হবেন একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও জোট সমীকরণের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে থালাপতি বিজয়ের হাত ধরেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

তামিলনাড়ুতে বিজয়ের দলের বড় জয়ের আভাস


