৫৩ বছর পর চাঁদের পথে ৪ নভোচারী

৫৩ বছর পর চাঁদের পথে ৪ নভোচারী
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ৫৩ বছরেরও বেশি সময় পর আবারও ৪ নভোচারীকে চাঁদে পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে আর্টেমিস টু।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। রকেট উৎক্ষেপণ সরাসরি সম্প্রচার করবে সংস্থাটি।
সর্বশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের অংশ হিসেবে চন্দ্রাভিযানে যান ৩ মার্কিন নভোচারী। তাদের মধ্যে ইউজিন অ্যান্ড্রু কারনান (জিন কারনান) ছিলেন শেষ মানুষ, যিনি চাঁদের বুকে হেঁটে বেড়ানোর সুযোগ পান।
জানা গেছে, আর্টেমিস টু অভিযানের পেছনে রয়েছে নাসার বেশ কয়েক বছরের প্রস্তুতি। নানা প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে অবশেষে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ২৪ মিনিট) ফ্লোরিডা থেকে আর্টেমিস টু যাত্রা করবে। এ অভিযানে মার্কিন নাগরিক রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ এর সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।
আর্টেমিস টু প্রায় ১০ দিনের অভিযান। তবে এবারের অভিযানে মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণ করবে না। ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো ৮ অভিযানের মতো এবারও শুধু পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ হয়ে কক্ষপথে ঘুরে বেড়াবে মহাকাশযানটি। এই অভিযানের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের বুকে অবতরণ করে আবার নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলে কর্মকর্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন।

এবারই প্রথম মহাকাশ অভিযানে একজন নারী, অ-মার্কিন নাগরিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রাভিযানে। একইসঙ্গে এটা নাসার নতুন রকেট ‘এসএলএস’-এরও প্রথম অভিযান। যা মধ্য দিয়ে শুরুর আগেই ইতিহাস গড়েছে এই অভিযানটি।
আর্টেমিস প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটি স্থায়ী মহাকাশ ঘাঁটি তৈরি করা। সেখান থেকে মহাকাশের আরও দূরবর্তী অংশে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
এক সংবাদ সম্মেলনে নভোচারী কচ বলেন, চাঁদে অভিযানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। যার মাধ্যমে অতীতে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল– এমন প্রমাণও আমরা খুঁজে পেতে পারি।
এই অভিযান ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বেশ কয়েকবার কারিগরি সমস্যার কারণে তা পিছিয়ে যায়।
নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় গণমাধ্যমকে জানান, মহাকাশযানটি এখন প্রস্তুত। সব প্রক্রিয়া প্রস্তুত আছে। ক্রুরাও প্রস্তুত।
আর্টেমিস টু প্রকল্প বেশ কয়েকবার বিলম্বিত হয়েছে। যার ফলে এটি বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, দ্রুত অভিযান শুরুর জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৯ সালের শুরুতে ক্ষমতা ছাড়বেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই চাঁদের বুকে মার্কিন নভোচারীদের বুট জুতার ছাপ দেখতে চান তিনি।
এবারের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য রকেট ও মহাকাশযানের সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া। যার ফলে আগামী ২ বছরের মধ্যে এটি চাঁদে অবতরণ করে আবার ফিরে আসতে পারে। চাঁদে অবতরণের জন্য অপর একটি ছোট মহাকাশযান প্রয়োজন। এই মহাকাশযান তৈরির দায়িত্ব পড়েছে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স ও জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিনের ওপর।
এ চন্দ্রাভিযান চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বেইজিং ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

দীর্ঘ ৫৩ বছরেরও বেশি সময় পর আবারও ৪ নভোচারীকে চাঁদে পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে আর্টেমিস টু।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। রকেট উৎক্ষেপণ সরাসরি সম্প্রচার করবে সংস্থাটি।
সর্বশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের অংশ হিসেবে চন্দ্রাভিযানে যান ৩ মার্কিন নভোচারী। তাদের মধ্যে ইউজিন অ্যান্ড্রু কারনান (জিন কারনান) ছিলেন শেষ মানুষ, যিনি চাঁদের বুকে হেঁটে বেড়ানোর সুযোগ পান।
জানা গেছে, আর্টেমিস টু অভিযানের পেছনে রয়েছে নাসার বেশ কয়েক বছরের প্রস্তুতি। নানা প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে অবশেষে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ২৪ মিনিট) ফ্লোরিডা থেকে আর্টেমিস টু যাত্রা করবে। এ অভিযানে মার্কিন নাগরিক রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ এর সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।
আর্টেমিস টু প্রায় ১০ দিনের অভিযান। তবে এবারের অভিযানে মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণ করবে না। ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো ৮ অভিযানের মতো এবারও শুধু পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ হয়ে কক্ষপথে ঘুরে বেড়াবে মহাকাশযানটি। এই অভিযানের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের বুকে অবতরণ করে আবার নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলে কর্মকর্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন।

এবারই প্রথম মহাকাশ অভিযানে একজন নারী, অ-মার্কিন নাগরিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রাভিযানে। একইসঙ্গে এটা নাসার নতুন রকেট ‘এসএলএস’-এরও প্রথম অভিযান। যা মধ্য দিয়ে শুরুর আগেই ইতিহাস গড়েছে এই অভিযানটি।
আর্টেমিস প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটি স্থায়ী মহাকাশ ঘাঁটি তৈরি করা। সেখান থেকে মহাকাশের আরও দূরবর্তী অংশে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
এক সংবাদ সম্মেলনে নভোচারী কচ বলেন, চাঁদে অভিযানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। যার মাধ্যমে অতীতে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল– এমন প্রমাণও আমরা খুঁজে পেতে পারি।
এই অভিযান ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বেশ কয়েকবার কারিগরি সমস্যার কারণে তা পিছিয়ে যায়।
নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় গণমাধ্যমকে জানান, মহাকাশযানটি এখন প্রস্তুত। সব প্রক্রিয়া প্রস্তুত আছে। ক্রুরাও প্রস্তুত।
আর্টেমিস টু প্রকল্প বেশ কয়েকবার বিলম্বিত হয়েছে। যার ফলে এটি বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, দ্রুত অভিযান শুরুর জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৯ সালের শুরুতে ক্ষমতা ছাড়বেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই চাঁদের বুকে মার্কিন নভোচারীদের বুট জুতার ছাপ দেখতে চান তিনি।
এবারের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য রকেট ও মহাকাশযানের সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া। যার ফলে আগামী ২ বছরের মধ্যে এটি চাঁদে অবতরণ করে আবার ফিরে আসতে পারে। চাঁদে অবতরণের জন্য অপর একটি ছোট মহাকাশযান প্রয়োজন। এই মহাকাশযান তৈরির দায়িত্ব পড়েছে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স ও জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিনের ওপর।
এ চন্দ্রাভিযান চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বেইজিং ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

৫৩ বছর পর চাঁদের পথে ৪ নভোচারী
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ৫৩ বছরেরও বেশি সময় পর আবারও ৪ নভোচারীকে চাঁদে পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে আর্টেমিস টু।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। রকেট উৎক্ষেপণ সরাসরি সম্প্রচার করবে সংস্থাটি।
সর্বশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের অংশ হিসেবে চন্দ্রাভিযানে যান ৩ মার্কিন নভোচারী। তাদের মধ্যে ইউজিন অ্যান্ড্রু কারনান (জিন কারনান) ছিলেন শেষ মানুষ, যিনি চাঁদের বুকে হেঁটে বেড়ানোর সুযোগ পান।
জানা গেছে, আর্টেমিস টু অভিযানের পেছনে রয়েছে নাসার বেশ কয়েক বছরের প্রস্তুতি। নানা প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে অবশেষে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ২৪ মিনিট) ফ্লোরিডা থেকে আর্টেমিস টু যাত্রা করবে। এ অভিযানে মার্কিন নাগরিক রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ এর সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।
আর্টেমিস টু প্রায় ১০ দিনের অভিযান। তবে এবারের অভিযানে মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণ করবে না। ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো ৮ অভিযানের মতো এবারও শুধু পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ হয়ে কক্ষপথে ঘুরে বেড়াবে মহাকাশযানটি। এই অভিযানের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের বুকে অবতরণ করে আবার নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলে কর্মকর্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন।

এবারই প্রথম মহাকাশ অভিযানে একজন নারী, অ-মার্কিন নাগরিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রাভিযানে। একইসঙ্গে এটা নাসার নতুন রকেট ‘এসএলএস’-এরও প্রথম অভিযান। যা মধ্য দিয়ে শুরুর আগেই ইতিহাস গড়েছে এই অভিযানটি।
আর্টেমিস প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটি স্থায়ী মহাকাশ ঘাঁটি তৈরি করা। সেখান থেকে মহাকাশের আরও দূরবর্তী অংশে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
এক সংবাদ সম্মেলনে নভোচারী কচ বলেন, চাঁদে অভিযানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। যার মাধ্যমে অতীতে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল– এমন প্রমাণও আমরা খুঁজে পেতে পারি।
এই অভিযান ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বেশ কয়েকবার কারিগরি সমস্যার কারণে তা পিছিয়ে যায়।
নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় গণমাধ্যমকে জানান, মহাকাশযানটি এখন প্রস্তুত। সব প্রক্রিয়া প্রস্তুত আছে। ক্রুরাও প্রস্তুত।
আর্টেমিস টু প্রকল্প বেশ কয়েকবার বিলম্বিত হয়েছে। যার ফলে এটি বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, দ্রুত অভিযান শুরুর জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৯ সালের শুরুতে ক্ষমতা ছাড়বেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই চাঁদের বুকে মার্কিন নভোচারীদের বুট জুতার ছাপ দেখতে চান তিনি।
এবারের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য রকেট ও মহাকাশযানের সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া। যার ফলে আগামী ২ বছরের মধ্যে এটি চাঁদে অবতরণ করে আবার ফিরে আসতে পারে। চাঁদে অবতরণের জন্য অপর একটি ছোট মহাকাশযান প্রয়োজন। এই মহাকাশযান তৈরির দায়িত্ব পড়েছে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স ও জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিনের ওপর।
এ চন্দ্রাভিযান চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বেইজিং ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।




