যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তস্রোত’ বইবে: কিউবার প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তস্রোত’ বইবে: কিউবার প্রেসিডেন্ট
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের পাশাপাশি কিউবার সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। তিনি বলেন, কিউবার ওপর মার্কিন সামরিক হামলা ‘অকল্পনীয় পরিণতি বয়ে আনবে। এটি ভয়াবহ রক্তস্নানের কারণ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিয়াজ বলেন, ‘কিউবা কোনো দেশের জন্য হুমকি নয় এবং তাদের কোনো আগ্রাসী অভিপ্রায়ও নেই। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও হাভানার কোনো উদ্দেশ্য নেই, অতীতেও ছিলো না। কিন্তু যদি সামরিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
দিয়াজ আরও বলেন, কিউবা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বহুমাত্রিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে।
সামরিক আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার কিউবার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে চাপ এবং কমিউনিস্ট-শাসিত দ্বীপটিতে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের কারণে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে কিউবায় জ্বালানি আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। করাণ দেশটিতে জ্বালানির সিংহভাগ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে। এতে করে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে।
গত সপ্তাহে কিউবার জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার দেওয়া তেল অনুদান শেষ হয়ে গেছে। কিউবার জনগণকে আরও বিদ্যুৎ বিভ্রাট সহ্য করতে হবে।
হাভানার সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ, ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকা।
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে।
এদিকে সোমবার ট্রাম্প প্রশাসন কিউবা সরকারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার মধ্যে দেশটির প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অন্তর্ভুক্ত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আগামী দিন ও সপ্তাহে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিচারমন্ত্রী এবং বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর উপমন্ত্রীসহ ১১ জন কিউবান কর্মকর্তার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
তবে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিউবার নাগরিকরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
অন্যদিকে কেউ কেউ উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন, সামা টিভি

ইরানের পাশাপাশি কিউবার সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। তিনি বলেন, কিউবার ওপর মার্কিন সামরিক হামলা ‘অকল্পনীয় পরিণতি বয়ে আনবে। এটি ভয়াবহ রক্তস্নানের কারণ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিয়াজ বলেন, ‘কিউবা কোনো দেশের জন্য হুমকি নয় এবং তাদের কোনো আগ্রাসী অভিপ্রায়ও নেই। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও হাভানার কোনো উদ্দেশ্য নেই, অতীতেও ছিলো না। কিন্তু যদি সামরিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
দিয়াজ আরও বলেন, কিউবা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বহুমাত্রিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে।
সামরিক আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার কিউবার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে চাপ এবং কমিউনিস্ট-শাসিত দ্বীপটিতে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের কারণে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে কিউবায় জ্বালানি আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। করাণ দেশটিতে জ্বালানির সিংহভাগ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে। এতে করে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে।
গত সপ্তাহে কিউবার জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার দেওয়া তেল অনুদান শেষ হয়ে গেছে। কিউবার জনগণকে আরও বিদ্যুৎ বিভ্রাট সহ্য করতে হবে।
হাভানার সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ, ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকা।
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে।
এদিকে সোমবার ট্রাম্প প্রশাসন কিউবা সরকারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার মধ্যে দেশটির প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অন্তর্ভুক্ত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আগামী দিন ও সপ্তাহে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিচারমন্ত্রী এবং বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর উপমন্ত্রীসহ ১১ জন কিউবান কর্মকর্তার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
তবে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিউবার নাগরিকরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
অন্যদিকে কেউ কেউ উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন, সামা টিভি

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তস্রোত’ বইবে: কিউবার প্রেসিডেন্ট
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের পাশাপাশি কিউবার সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। তিনি বলেন, কিউবার ওপর মার্কিন সামরিক হামলা ‘অকল্পনীয় পরিণতি বয়ে আনবে। এটি ভয়াবহ রক্তস্নানের কারণ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সোমবার (১৮ মে) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিয়াজ বলেন, ‘কিউবা কোনো দেশের জন্য হুমকি নয় এবং তাদের কোনো আগ্রাসী অভিপ্রায়ও নেই। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও হাভানার কোনো উদ্দেশ্য নেই, অতীতেও ছিলো না। কিন্তু যদি সামরিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
দিয়াজ আরও বলেন, কিউবা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বহুমাত্রিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে।
সামরিক আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার কিউবার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে চাপ এবং কমিউনিস্ট-শাসিত দ্বীপটিতে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের কারণে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে কিউবায় জ্বালানি আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। করাণ দেশটিতে জ্বালানির সিংহভাগ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে। এতে করে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে।
গত সপ্তাহে কিউবার জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার দেওয়া তেল অনুদান শেষ হয়ে গেছে। কিউবার জনগণকে আরও বিদ্যুৎ বিভ্রাট সহ্য করতে হবে।
হাভানার সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ, ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকা।
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে।
এদিকে সোমবার ট্রাম্প প্রশাসন কিউবা সরকারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার মধ্যে দেশটির প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অন্তর্ভুক্ত। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আগামী দিন ও সপ্তাহে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিচারমন্ত্রী এবং বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর উপমন্ত্রীসহ ১১ জন কিউবান কর্মকর্তার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
তবে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিউবার নাগরিকরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
অন্যদিকে কেউ কেউ উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন, সামা টিভি

কিউবায় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিউবায় তেল পাঠাচ্ছে রাশিয়া

