ট্রাম্পের যে মন্তব্যে বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম

ট্রাম্পের যে মন্তব্যে বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে 'গঠনমূলক' আলোচনা হয়েছে– মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করার পর থেকেই তেলের দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করে।
সোমবার (২৩ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, দুই দেশ একটি 'সম্পূর্ণ ও সামগ্রিক' সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে।
এদিকে, ট্রাম্পের ওই বিবৃতির পর ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল অর্থাৎ অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে, আর বিপরীতে ইউরোপীয় এবং মার্কিন শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া না হয়, তবে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো 'নিশ্চিহ্ন' করে দেবেন।
জবাবে ইরানও বলেছিল, তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাবে।
শনিবার ও রবিবার জুড়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ওইসব বক্তব্যে আর্থিক বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে রূপ নিতে পারে– এমন আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
সোমবার এক পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৩ মার্কিন ডলারে উঠে গিয়েছিল। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পর তা দ্রুত নিচে নেমে আসে। এরপর ব্যারেল প্রতি সর্বনিম্ন ৯৬ ডলারে নেমে পরে আবারও সামান্য বৃদ্ধি পায়।

ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ও ঐকমত্য হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। এমন খবরকে ‘মিথ্যা কথা’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটি।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছেও একই দাবি করেন। সোমবার ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে। দুপক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে খুব আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ (সোমবার) সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’
ট্রাম্পের দাবি, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এ আলোচনা চালাচ্ছেন।
ইরানের ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প বলেন, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তবে ট্রাম্প জানান, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি। মোজতবা বেঁচে আছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এসব দাবির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
দ্বিতীয় একটি পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে। এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন।’
গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা

বিশ্ববাজারে নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে 'গঠনমূলক' আলোচনা হয়েছে– মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করার পর থেকেই তেলের দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করে।
সোমবার (২৩ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, দুই দেশ একটি 'সম্পূর্ণ ও সামগ্রিক' সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে।
এদিকে, ট্রাম্পের ওই বিবৃতির পর ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল অর্থাৎ অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে, আর বিপরীতে ইউরোপীয় এবং মার্কিন শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া না হয়, তবে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো 'নিশ্চিহ্ন' করে দেবেন।
জবাবে ইরানও বলেছিল, তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাবে।
শনিবার ও রবিবার জুড়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ওইসব বক্তব্যে আর্থিক বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে রূপ নিতে পারে– এমন আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
সোমবার এক পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৩ মার্কিন ডলারে উঠে গিয়েছিল। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পর তা দ্রুত নিচে নেমে আসে। এরপর ব্যারেল প্রতি সর্বনিম্ন ৯৬ ডলারে নেমে পরে আবারও সামান্য বৃদ্ধি পায়।

ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ও ঐকমত্য হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। এমন খবরকে ‘মিথ্যা কথা’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটি।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছেও একই দাবি করেন। সোমবার ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে। দুপক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে খুব আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ (সোমবার) সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’
ট্রাম্পের দাবি, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এ আলোচনা চালাচ্ছেন।
ইরানের ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প বলেন, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তবে ট্রাম্প জানান, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি। মোজতবা বেঁচে আছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এসব দাবির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
দ্বিতীয় একটি পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে। এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন।’
গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা

ট্রাম্পের যে মন্তব্যে বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে 'গঠনমূলক' আলোচনা হয়েছে– মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করার পর থেকেই তেলের দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করে।
সোমবার (২৩ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, দুই দেশ একটি 'সম্পূর্ণ ও সামগ্রিক' সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে।
এদিকে, ট্রাম্পের ওই বিবৃতির পর ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল অর্থাৎ অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে, আর বিপরীতে ইউরোপীয় এবং মার্কিন শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া না হয়, তবে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো 'নিশ্চিহ্ন' করে দেবেন।
জবাবে ইরানও বলেছিল, তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাবে।
শনিবার ও রবিবার জুড়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ওইসব বক্তব্যে আর্থিক বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে রূপ নিতে পারে– এমন আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
সোমবার এক পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৩ মার্কিন ডলারে উঠে গিয়েছিল। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পর তা দ্রুত নিচে নেমে আসে। এরপর ব্যারেল প্রতি সর্বনিম্ন ৯৬ ডলারে নেমে পরে আবারও সামান্য বৃদ্ধি পায়।

ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ও ঐকমত্য হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। এমন খবরকে ‘মিথ্যা কথা’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটি।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছেও একই দাবি করেন। সোমবার ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে। দুপক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে খুব আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ (সোমবার) সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’
ট্রাম্পের দাবি, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এ আলোচনা চালাচ্ছেন।
ইরানের ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প বলেন, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তবে ট্রাম্প জানান, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি। মোজতবা বেঁচে আছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের এসব দাবির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
দ্বিতীয় একটি পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে। এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন।’
গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা




