কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ৬৬

কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ৬৬
সিটিজেন ডেস্ক

কলম্বিয়ার বিমান বাহিনীর একটি পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওই অঞ্চলের গভর্নর জন গ্যাব্রিয়েল মোলিনা।
সোমবার (২৩ মার্চ) পেরু সীমান্তবর্তী পুতুমায়ো অঞ্চলের পুয়ের্তো লেগুইজামো শহরের কাছে ‘সি-১৩০ হারকিউলিস’ মডেলের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
গভর্নর মোলিনা বলেন, উড়োজাহাজটিতে ১১৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১২ জনই কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর সদস্য। বাকি দুজন পুলিশ কর্মকর্তা। এ ছাড়া উড়োজাহাজে ১১ জন ক্রু ছিলেন।
একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন্য সেনাবাহিনীর সদস্য, ৬ জন সামরিক কর্মকর্তা এবং দুজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পেরুর সীমান্তবর্তী পুয়ের্তো লেগুইসামো থেকে উড্ডয়নের সময় মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি হারকিউলিস সি-১৩০ পরিবহন বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
পুয়ের্তো লেগুইসামো কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় আমাজন অঞ্চলের প্রদেশ পুতুমায়োর প্রত্যন্ত এলাকার একটি ছোট শহর। বিমানটি স্থানীয় কাউকাইয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়তে থাকা অবস্থায়ই ধারবাহিকভাবে উচ্চতা হারাতে থাকে। পরবর্তীতে বিমানটি দ্রুত নিচে পড়ার সময় এর একটি ডানা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

দমকল কর্মী এদুয়ার্দো সান হুয়ান জানান, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানে আগুন ধরে যায় আর এতে ভেতরে থাকা বোমা বিস্ফোরিত হতে শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা জীবিতদের সরিয়ে নিয়ে আসেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় কিছু মানুষ তাদের মোটরসাইকেলের পেছনে আহত সেনাদের নিয়ে দ্রুতগতিতে একটি কাঁচা রাস্তা দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন।
পরে সামরিক বাহিনীর গাড়ি সেখানে হাজির হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন আর তাতে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী সানচেজ জানিয়েছেন, কী কারণে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে তা নির্ধারণ করা যায়নি। কোনো অপরাধী গোষ্ঠীর হামলারও কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
লকহিড মার্টিন কোম্পানির মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে কলম্বিয়ার কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করবে তারা।

কলম্বিয়ার বিমান বাহিনীর একটি পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওই অঞ্চলের গভর্নর জন গ্যাব্রিয়েল মোলিনা।
সোমবার (২৩ মার্চ) পেরু সীমান্তবর্তী পুতুমায়ো অঞ্চলের পুয়ের্তো লেগুইজামো শহরের কাছে ‘সি-১৩০ হারকিউলিস’ মডেলের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
গভর্নর মোলিনা বলেন, উড়োজাহাজটিতে ১১৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১২ জনই কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর সদস্য। বাকি দুজন পুলিশ কর্মকর্তা। এ ছাড়া উড়োজাহাজে ১১ জন ক্রু ছিলেন।
একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন্য সেনাবাহিনীর সদস্য, ৬ জন সামরিক কর্মকর্তা এবং দুজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পেরুর সীমান্তবর্তী পুয়ের্তো লেগুইসামো থেকে উড্ডয়নের সময় মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি হারকিউলিস সি-১৩০ পরিবহন বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
পুয়ের্তো লেগুইসামো কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় আমাজন অঞ্চলের প্রদেশ পুতুমায়োর প্রত্যন্ত এলাকার একটি ছোট শহর। বিমানটি স্থানীয় কাউকাইয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়তে থাকা অবস্থায়ই ধারবাহিকভাবে উচ্চতা হারাতে থাকে। পরবর্তীতে বিমানটি দ্রুত নিচে পড়ার সময় এর একটি ডানা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

দমকল কর্মী এদুয়ার্দো সান হুয়ান জানান, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানে আগুন ধরে যায় আর এতে ভেতরে থাকা বোমা বিস্ফোরিত হতে শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা জীবিতদের সরিয়ে নিয়ে আসেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় কিছু মানুষ তাদের মোটরসাইকেলের পেছনে আহত সেনাদের নিয়ে দ্রুতগতিতে একটি কাঁচা রাস্তা দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন।
পরে সামরিক বাহিনীর গাড়ি সেখানে হাজির হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন আর তাতে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী সানচেজ জানিয়েছেন, কী কারণে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে তা নির্ধারণ করা যায়নি। কোনো অপরাধী গোষ্ঠীর হামলারও কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
লকহিড মার্টিন কোম্পানির মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে কলম্বিয়ার কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করবে তারা।

কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ৬৬
সিটিজেন ডেস্ক

কলম্বিয়ার বিমান বাহিনীর একটি পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওই অঞ্চলের গভর্নর জন গ্যাব্রিয়েল মোলিনা।
সোমবার (২৩ মার্চ) পেরু সীমান্তবর্তী পুতুমায়ো অঞ্চলের পুয়ের্তো লেগুইজামো শহরের কাছে ‘সি-১৩০ হারকিউলিস’ মডেলের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
গভর্নর মোলিনা বলেন, উড়োজাহাজটিতে ১১৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১২ জনই কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর সদস্য। বাকি দুজন পুলিশ কর্মকর্তা। এ ছাড়া উড়োজাহাজে ১১ জন ক্রু ছিলেন।
একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন্য সেনাবাহিনীর সদস্য, ৬ জন সামরিক কর্মকর্তা এবং দুজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পেরুর সীমান্তবর্তী পুয়ের্তো লেগুইসামো থেকে উড্ডয়নের সময় মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি হারকিউলিস সি-১৩০ পরিবহন বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
পুয়ের্তো লেগুইসামো কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় আমাজন অঞ্চলের প্রদেশ পুতুমায়োর প্রত্যন্ত এলাকার একটি ছোট শহর। বিমানটি স্থানীয় কাউকাইয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়তে থাকা অবস্থায়ই ধারবাহিকভাবে উচ্চতা হারাতে থাকে। পরবর্তীতে বিমানটি দ্রুত নিচে পড়ার সময় এর একটি ডানা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

দমকল কর্মী এদুয়ার্দো সান হুয়ান জানান, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানে আগুন ধরে যায় আর এতে ভেতরে থাকা বোমা বিস্ফোরিত হতে শুরু করে।
স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা জীবিতদের সরিয়ে নিয়ে আসেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় কিছু মানুষ তাদের মোটরসাইকেলের পেছনে আহত সেনাদের নিয়ে দ্রুতগতিতে একটি কাঁচা রাস্তা দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন।
পরে সামরিক বাহিনীর গাড়ি সেখানে হাজির হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন আর তাতে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী সানচেজ জানিয়েছেন, কী কারণে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে তা নির্ধারণ করা যায়নি। কোনো অপরাধী গোষ্ঠীর হামলারও কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
লকহিড মার্টিন কোম্পানির মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে কলম্বিয়ার কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করবে তারা।




