খামেনির জানাজা শুরু

খামেনির জানাজা শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

নিহতের ৪ মাস পর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রথম জানাজার নামাজ।
প্রয়াত এই নেতার জানাজায় অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছেন। গত ২৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্ত্রী, সন্তান, নাতনিসহ শহীদ হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে দীর্ঘ ৪ মাস ধরে তার মরদেহ শীতলীকরণ করে রাখা হয়।
এদিকে সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে জড়ো হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। কমপ্লেক্সটির সামনে সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন তারা। কালো পোশাক পরে রাস্তায় নেমে এসেছেন বাসিন্দারা। তাদের ইরানের জাতীয় পতাকা ওড়াতে ও শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এসময় কাউকে কাউকে কাঁদতেও দেখা যায়।
‘আমরা আমাদের নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে চাই। এ কারণে এভাবে অপেক্ষা করাটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক বা কঠিন নয়,’ বলেন সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি সোমায়ে হামেদি।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিনব্যাপী খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান চলবে। ৪ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হবে। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা আশা করছেন, ছয় দিনব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবে, যার ফলে পুলিশ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

নিহতের ৪ মাস পর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রথম জানাজার নামাজ।
প্রয়াত এই নেতার জানাজায় অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছেন। গত ২৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্ত্রী, সন্তান, নাতনিসহ শহীদ হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে দীর্ঘ ৪ মাস ধরে তার মরদেহ শীতলীকরণ করে রাখা হয়।
এদিকে সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে জড়ো হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। কমপ্লেক্সটির সামনে সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন তারা। কালো পোশাক পরে রাস্তায় নেমে এসেছেন বাসিন্দারা। তাদের ইরানের জাতীয় পতাকা ওড়াতে ও শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এসময় কাউকে কাউকে কাঁদতেও দেখা যায়।
‘আমরা আমাদের নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে চাই। এ কারণে এভাবে অপেক্ষা করাটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক বা কঠিন নয়,’ বলেন সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি সোমায়ে হামেদি।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিনব্যাপী খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান চলবে। ৪ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হবে। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা আশা করছেন, ছয় দিনব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবে, যার ফলে পুলিশ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

খামেনির জানাজা শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

নিহতের ৪ মাস পর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রথম জানাজার নামাজ।
প্রয়াত এই নেতার জানাজায় অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছেন। গত ২৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্ত্রী, সন্তান, নাতনিসহ শহীদ হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে দীর্ঘ ৪ মাস ধরে তার মরদেহ শীতলীকরণ করে রাখা হয়।
এদিকে সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে জড়ো হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। কমপ্লেক্সটির সামনে সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন তারা। কালো পোশাক পরে রাস্তায় নেমে এসেছেন বাসিন্দারা। তাদের ইরানের জাতীয় পতাকা ওড়াতে ও শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এসময় কাউকে কাউকে কাঁদতেও দেখা যায়।
‘আমরা আমাদের নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে চাই। এ কারণে এভাবে অপেক্ষা করাটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক বা কঠিন নয়,’ বলেন সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি সোমায়ে হামেদি।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিনব্যাপী খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান চলবে। ৪ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হবে। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা আশা করছেন, ছয় দিনব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবে, যার ফলে পুলিশ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

খামেনির শোক অনুষ্ঠান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি ইরানের

