খামেনির শোক অনুষ্ঠান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি ইরানের

খামেনির শোক অনুষ্ঠান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক অনুষ্ঠানে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর খতম আল-আনবিয়ার কমান্ডার আলী আবদোল্লাহী রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নবাদী শাসনব্যবস্থাকে (ইসরায়েল) যেকোনো ধরনের ভুল হিসাবের বিষয়ে সতর্ক করছি। দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি ও আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্ত সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আলী আবদোল্লাহী এসব কথা বলেন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অভিযানের প্রথম দিনই স্ত্রী, পুত্রবধু এবং নাতিসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
নিহতের চার মাস পর ছয় দিনব্যাপী তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সময় তার দেহ ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার (৪-৬ জুলাই) পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর রাস্তাগুলো দিয়ে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হয়। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছিলেন, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইসরায়েলের পরবর্তী ‘টার্গেট’। এর পরের দিনই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক অনুষ্ঠানে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর খতম আল-আনবিয়ার কমান্ডার আলী আবদোল্লাহী রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নবাদী শাসনব্যবস্থাকে (ইসরায়েল) যেকোনো ধরনের ভুল হিসাবের বিষয়ে সতর্ক করছি। দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি ও আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্ত সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আলী আবদোল্লাহী এসব কথা বলেন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অভিযানের প্রথম দিনই স্ত্রী, পুত্রবধু এবং নাতিসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
নিহতের চার মাস পর ছয় দিনব্যাপী তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সময় তার দেহ ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার (৪-৬ জুলাই) পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর রাস্তাগুলো দিয়ে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হয়। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছিলেন, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইসরায়েলের পরবর্তী ‘টার্গেট’। এর পরের দিনই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

খামেনির শোক অনুষ্ঠান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক অনুষ্ঠানে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর খতম আল-আনবিয়ার কমান্ডার আলী আবদোল্লাহী রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নবাদী শাসনব্যবস্থাকে (ইসরায়েল) যেকোনো ধরনের ভুল হিসাবের বিষয়ে সতর্ক করছি। দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি ও আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্ত সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আলী আবদোল্লাহী এসব কথা বলেন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অভিযানের প্রথম দিনই স্ত্রী, পুত্রবধু এবং নাতিসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
নিহতের চার মাস পর ছয় দিনব্যাপী তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সময় তার দেহ ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার (৪-৬ জুলাই) পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তার মরদেহ রাখা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর রাস্তাগুলো দিয়ে একটি বিশাল জানাজা মিছিল বের হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিছিলটি তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের দিকে অগ্রসর হয়। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বাইরে প্রতিবেশী ইরাকের ঐতিহাসিক পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছিলেন, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইসরায়েলের পরবর্তী ‘টার্গেট’। এর পরের দিনই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের রাস্তায় লাখো জনতা

