গ্রামবাসীর বিক্ষোভে যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিলো পুলিশ

গ্রামবাসীর বিক্ষোভে যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিলো পুলিশ
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগের এক নেতাকে আটকের পর থানায় নিলে গ্রামবাসীর বিক্ষোভে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক রিপন সরকার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর সরকারের ছেলে। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টায় পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে নাশকতা সম্পৃক্ততার সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল ইসলাম। এরপর তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানার সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেন ৩ শতাধিক গ্রামবাসী। পরে গ্রামবাসীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আটক রিপনকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।
তবে গ্রামবাসীর ভাষ্য হয়রানি করতেই রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছে। এর প্রেক্ষাপট অনেক আগের। টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও ছোট বাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে এক ব্যক্তির বিরোধ চলছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সরকারি জায়গা দখল করে ইউনুস সরকার সেখানে একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন। তবে গ্রামবাসী ঘরটি ভেঙে স্থানটিকে ছোট বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যানার টাঙান। এই ঘটনায় ইউনুস সরকার জায়গাটি নিজের দাবি করে রিপন সরকারসহ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ওই বিরোধে গ্রামবাসীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা রিপন সরকার। হয়রানি ও আন্দোলন থামাতেই তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। ইউনুস সরকারের দায়ের করা অভিযোগের কারণেই তাঁকে আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, ‘নাশকতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভ এবং দাবির কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগের এক নেতাকে আটকের পর থানায় নিলে গ্রামবাসীর বিক্ষোভে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক রিপন সরকার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর সরকারের ছেলে। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টায় পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে নাশকতা সম্পৃক্ততার সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল ইসলাম। এরপর তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানার সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেন ৩ শতাধিক গ্রামবাসী। পরে গ্রামবাসীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আটক রিপনকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।
তবে গ্রামবাসীর ভাষ্য হয়রানি করতেই রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছে। এর প্রেক্ষাপট অনেক আগের। টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও ছোট বাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে এক ব্যক্তির বিরোধ চলছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সরকারি জায়গা দখল করে ইউনুস সরকার সেখানে একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন। তবে গ্রামবাসী ঘরটি ভেঙে স্থানটিকে ছোট বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যানার টাঙান। এই ঘটনায় ইউনুস সরকার জায়গাটি নিজের দাবি করে রিপন সরকারসহ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ওই বিরোধে গ্রামবাসীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা রিপন সরকার। হয়রানি ও আন্দোলন থামাতেই তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। ইউনুস সরকারের দায়ের করা অভিযোগের কারণেই তাঁকে আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, ‘নাশকতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভ এবং দাবির কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

গ্রামবাসীর বিক্ষোভে যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিলো পুলিশ
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগের এক নেতাকে আটকের পর থানায় নিলে গ্রামবাসীর বিক্ষোভে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক রিপন সরকার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর সরকারের ছেলে। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টায় পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে নাশকতা সম্পৃক্ততার সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল ইসলাম। এরপর তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানার সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেন ৩ শতাধিক গ্রামবাসী। পরে গ্রামবাসীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আটক রিপনকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।
তবে গ্রামবাসীর ভাষ্য হয়রানি করতেই রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছে। এর প্রেক্ষাপট অনেক আগের। টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও ছোট বাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে এক ব্যক্তির বিরোধ চলছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সরকারি জায়গা দখল করে ইউনুস সরকার সেখানে একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন। তবে গ্রামবাসী ঘরটি ভেঙে স্থানটিকে ছোট বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যানার টাঙান। এই ঘটনায় ইউনুস সরকার জায়গাটি নিজের দাবি করে রিপন সরকারসহ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ওই বিরোধে গ্রামবাসীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা রিপন সরকার। হয়রানি ও আন্দোলন থামাতেই তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর। ইউনুস সরকারের দায়ের করা অভিযোগের কারণেই তাঁকে আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, ‘নাশকতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভ এবং দাবির কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার


