দুই সপ্তাহে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা

দুই সপ্তাহে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীতে মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চালের দাম আবার বেড়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মানের এসব চাল কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৮ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ধান মজুত করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের প্রভাবে চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তা অব্যাহত থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহে এসব চালের দাম ধাপে ধাপে বেড়েছে।
মিনিকেট চাল
মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। সাগর, মুজাম্মেল, মুনজুর ও মজুমদার কোম্পানির চাল ৭৫ থেকে ৭৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তার দাম রাখা হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকা।
এছাড়া, মা ভাণ্ডারী, এআর ও রশিদ কোম্পানির মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার খরচ পড়ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
নাজিরশাইল চাল
নাজিরশাইল চালের দামও প্রতি কেজিতে ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। পালকি, আকিজ ও মজুমদার কোম্পানির নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে প্রতি কেজি চালের দাম পড়ছে ৮২ থেকে ৮৪ টাকা।
পালকি, ডায়মন্ড ও শক্তি প্রিমিয়াম কোম্পানির নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৫ কেজির বস্তার দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা।
আটাশ চাল
আমিন, এনবি, জোরাশালী ও আল রাজ্জাক কোম্পানির আটাশ চালের দাম কেজিপ্রতি ৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫৪ টাকা হয়েছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সুগন্ধি চাল
এরফান, মুজাম্মেল, আকিজ ও তীর কোম্পানির চিনিগুঁড়া চাল প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার দাম পড়ছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
এছাড়া, সাগর, মুনজুর ও গ্রামীণ কোম্পানির সুগন্ধি চাল প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দুই সপ্তাহ আগের দাম
দুই সপ্তাহ আগে মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিল। তখন মানভেদে ৫০ কেজির বস্তা ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেসময় ভালো মানের মিনিকেট প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭২ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা দুই সপ্তাহ আগেও মানভেদে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা ছিল। এসময় ভালো মানের নাজিরশাইল প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৭৬ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তা সেসময় ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ৫০ টাকা।
গত সপ্তাহে মানভেদে ৫০ কেজির সুগন্ধি চালের বস্তা ৭ হাজার ৭০০ থেকে ৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ১৫৪ টাকা থেকে ১৭০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা যা বলছেন
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৬ মাস ধরে সুগন্ধি চালের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এছাড়া, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, নাজিরশাইল ও আটাশ চালের দামও মানভেদে বেড়েছে।
নোয়াখালী রাইস ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শাওন বলেন, মিল মালিক ও কর্পোরেট কোম্পানিগুলো কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে মজুত করছে। পরে তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এর ফলে আমাদেরও বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল। তবে ঊনত্রিশ ও বাসমতি চালের দাম এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজী রাইস এজেন্সির এক কর্মচারী জানান, ঊনত্রিশ চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তার দাম ৩ হাজার টাকা। এছাড়া, বাসমতি চাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীতে মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চালের দাম আবার বেড়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মানের এসব চাল কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৮ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ধান মজুত করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের প্রভাবে চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তা অব্যাহত থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহে এসব চালের দাম ধাপে ধাপে বেড়েছে।
মিনিকেট চাল
মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। সাগর, মুজাম্মেল, মুনজুর ও মজুমদার কোম্পানির চাল ৭৫ থেকে ৭৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তার দাম রাখা হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকা।
এছাড়া, মা ভাণ্ডারী, এআর ও রশিদ কোম্পানির মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার খরচ পড়ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
নাজিরশাইল চাল
নাজিরশাইল চালের দামও প্রতি কেজিতে ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। পালকি, আকিজ ও মজুমদার কোম্পানির নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে প্রতি কেজি চালের দাম পড়ছে ৮২ থেকে ৮৪ টাকা।
পালকি, ডায়মন্ড ও শক্তি প্রিমিয়াম কোম্পানির নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৫ কেজির বস্তার দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা।
আটাশ চাল
আমিন, এনবি, জোরাশালী ও আল রাজ্জাক কোম্পানির আটাশ চালের দাম কেজিপ্রতি ৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫৪ টাকা হয়েছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সুগন্ধি চাল
এরফান, মুজাম্মেল, আকিজ ও তীর কোম্পানির চিনিগুঁড়া চাল প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার দাম পড়ছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
এছাড়া, সাগর, মুনজুর ও গ্রামীণ কোম্পানির সুগন্ধি চাল প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দুই সপ্তাহ আগের দাম
দুই সপ্তাহ আগে মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিল। তখন মানভেদে ৫০ কেজির বস্তা ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেসময় ভালো মানের মিনিকেট প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭২ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা দুই সপ্তাহ আগেও মানভেদে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা ছিল। এসময় ভালো মানের নাজিরশাইল প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৭৬ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তা সেসময় ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ৫০ টাকা।
গত সপ্তাহে মানভেদে ৫০ কেজির সুগন্ধি চালের বস্তা ৭ হাজার ৭০০ থেকে ৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ১৫৪ টাকা থেকে ১৭০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা যা বলছেন
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৬ মাস ধরে সুগন্ধি চালের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এছাড়া, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, নাজিরশাইল ও আটাশ চালের দামও মানভেদে বেড়েছে।
নোয়াখালী রাইস ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শাওন বলেন, মিল মালিক ও কর্পোরেট কোম্পানিগুলো কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে মজুত করছে। পরে তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এর ফলে আমাদেরও বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল। তবে ঊনত্রিশ ও বাসমতি চালের দাম এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজী রাইস এজেন্সির এক কর্মচারী জানান, ঊনত্রিশ চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তার দাম ৩ হাজার টাকা। এছাড়া, বাসমতি চাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দুই সপ্তাহে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীতে মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চালের দাম আবার বেড়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মানের এসব চাল কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৮ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ধান মজুত করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের প্রভাবে চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তা অব্যাহত থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, গত কয়েক সপ্তাহে এসব চালের দাম ধাপে ধাপে বেড়েছে।
মিনিকেট চাল
মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। সাগর, মুজাম্মেল, মুনজুর ও মজুমদার কোম্পানির চাল ৭৫ থেকে ৭৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তার দাম রাখা হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকা।
এছাড়া, মা ভাণ্ডারী, এআর ও রশিদ কোম্পানির মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার খরচ পড়ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
নাজিরশাইল চাল
নাজিরশাইল চালের দামও প্রতি কেজিতে ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। পালকি, আকিজ ও মজুমদার কোম্পানির নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে প্রতি কেজি চালের দাম পড়ছে ৮২ থেকে ৮৪ টাকা।
পালকি, ডায়মন্ড ও শক্তি প্রিমিয়াম কোম্পানির নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৫ কেজির বস্তার দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা।
আটাশ চাল
আমিন, এনবি, জোরাশালী ও আল রাজ্জাক কোম্পানির আটাশ চালের দাম কেজিপ্রতি ৪ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫৪ টাকা হয়েছে। এগুলোর ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সুগন্ধি চাল
এরফান, মুজাম্মেল, আকিজ ও তীর কোম্পানির চিনিগুঁড়া চাল প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০ কেজির বস্তার দাম পড়ছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
এছাড়া, সাগর, মুনজুর ও গ্রামীণ কোম্পানির সুগন্ধি চাল প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দুই সপ্তাহ আগের দাম
দুই সপ্তাহ আগে মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিল। তখন মানভেদে ৫০ কেজির বস্তা ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেসময় ভালো মানের মিনিকেট প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭২ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা দুই সপ্তাহ আগেও মানভেদে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা ছিল। এসময় ভালো মানের নাজিরশাইল প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৭৬ টাকা এবং সাধারণ মানের চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তা সেসময় ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ৫০ টাকা।
গত সপ্তাহে মানভেদে ৫০ কেজির সুগন্ধি চালের বস্তা ৭ হাজার ৭০০ থেকে ৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজির দাম ছিল ১৫৪ টাকা থেকে ১৭০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা যা বলছেন
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৬ মাস ধরে সুগন্ধি চালের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এছাড়া, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, নাজিরশাইল ও আটাশ চালের দামও মানভেদে বেড়েছে।
নোয়াখালী রাইস ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শাওন বলেন, মিল মালিক ও কর্পোরেট কোম্পানিগুলো কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে মজুত করছে। পরে তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এর ফলে আমাদেরও বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ ও সুগন্ধি চাল। তবে ঊনত্রিশ ও বাসমতি চালের দাম এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজী রাইস এজেন্সির এক কর্মচারী জানান, ঊনত্রিশ চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তার দাম ৩ হাজার টাকা। এছাড়া, বাসমতি চাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং ৫০ কেজির বস্তা ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ-সবজি


