যেকোনোভাবে ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

যেকোনোভাবে ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো উপায়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে। তার এই বক্তব্য নতুন করে ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে ইরান শুরুতেই এ প্রস্তাবকে ‘নন-স্টার্টার’ বা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সার্বভৌম অধিকার নিয়ে কোনো আপস হবে না।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান নাকি ‘সব বিষয়ে সম্মত’ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যৌথভাবে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও আলোচনার অন্তর্ভুক্ত এবং এতে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, কোনো সেনা দরকার হবে না; বরং সমঝোতার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। তিনি দাবি করেন, একটি চুক্তি হয়ে গেলে সংঘাতের কোনো প্রয়োজন পড়বে না।
পরবর্তীতে অ্যারিজোনাতে এক নির্বাচনী জনসভায় একই বক্তব্য পুনরায় তুলে ধরেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি সম্ভাব্য চুক্তির বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব পারমাণবিক ‘ধুলো’ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। যদিও ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ নামে পরমাণু শক্তি খাতে স্বীকৃত কোনো পরিভাষা নেই; বিশ্লেষকদের মতে, তিনি মূলত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকেই এভাবে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ট্রাম্পের এসব বক্তব্যকে ‘কাল্পনিক তথ্য’ বা ‘অল্টারনেটিভ ফ্যাক্টস’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর বিষয়ে ইরান কোনো ধরনের সম্মতি দেয়নি।
ওই সূত্র আরও জানায়, ইরান অনির্দিষ্টকালের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে রাজি হয়েছে—ট্রাম্পের এমন দাবিও সঠিক নয়। তাদের অবস্থান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যতিক্রমী শর্ত মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুই অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
সূত্র: সিএনএন

ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো উপায়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে। তার এই বক্তব্য নতুন করে ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে ইরান শুরুতেই এ প্রস্তাবকে ‘নন-স্টার্টার’ বা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সার্বভৌম অধিকার নিয়ে কোনো আপস হবে না।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান নাকি ‘সব বিষয়ে সম্মত’ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যৌথভাবে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও আলোচনার অন্তর্ভুক্ত এবং এতে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, কোনো সেনা দরকার হবে না; বরং সমঝোতার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। তিনি দাবি করেন, একটি চুক্তি হয়ে গেলে সংঘাতের কোনো প্রয়োজন পড়বে না।
পরবর্তীতে অ্যারিজোনাতে এক নির্বাচনী জনসভায় একই বক্তব্য পুনরায় তুলে ধরেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি সম্ভাব্য চুক্তির বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব পারমাণবিক ‘ধুলো’ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। যদিও ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ নামে পরমাণু শক্তি খাতে স্বীকৃত কোনো পরিভাষা নেই; বিশ্লেষকদের মতে, তিনি মূলত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকেই এভাবে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ট্রাম্পের এসব বক্তব্যকে ‘কাল্পনিক তথ্য’ বা ‘অল্টারনেটিভ ফ্যাক্টস’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর বিষয়ে ইরান কোনো ধরনের সম্মতি দেয়নি।
ওই সূত্র আরও জানায়, ইরান অনির্দিষ্টকালের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে রাজি হয়েছে—ট্রাম্পের এমন দাবিও সঠিক নয়। তাদের অবস্থান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যতিক্রমী শর্ত মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুই অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
সূত্র: সিএনএন

যেকোনোভাবে ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো উপায়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে। তার এই বক্তব্য নতুন করে ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে ইরান শুরুতেই এ প্রস্তাবকে ‘নন-স্টার্টার’ বা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সার্বভৌম অধিকার নিয়ে কোনো আপস হবে না।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান নাকি ‘সব বিষয়ে সম্মত’ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যৌথভাবে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও আলোচনার অন্তর্ভুক্ত এবং এতে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, কোনো সেনা দরকার হবে না; বরং সমঝোতার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। তিনি দাবি করেন, একটি চুক্তি হয়ে গেলে সংঘাতের কোনো প্রয়োজন পড়বে না।
পরবর্তীতে অ্যারিজোনাতে এক নির্বাচনী জনসভায় একই বক্তব্য পুনরায় তুলে ধরেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি সম্ভাব্য চুক্তির বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব পারমাণবিক ‘ধুলো’ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। যদিও ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ নামে পরমাণু শক্তি খাতে স্বীকৃত কোনো পরিভাষা নেই; বিশ্লেষকদের মতে, তিনি মূলত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকেই এভাবে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ট্রাম্পের এসব বক্তব্যকে ‘কাল্পনিক তথ্য’ বা ‘অল্টারনেটিভ ফ্যাক্টস’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর বিষয়ে ইরান কোনো ধরনের সম্মতি দেয়নি।
ওই সূত্র আরও জানায়, ইরান অনির্দিষ্টকালের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে রাজি হয়েছে—ট্রাম্পের এমন দাবিও সঠিক নয়। তাদের অবস্থান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যতিক্রমী শর্ত মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুই অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
সূত্র: সিএনএন




