এক্সপ্লেইনার
হরমুজ ইস্যুতে আগের অবস্থানেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ ইস্যুতে আগের অবস্থানেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০১

মার্কিন ডেস্ট্রয়ার। ছবি: সংগৃহীত
আন্তালিয়ায় চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের চলমান আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ে আগের অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে। তবে একই সময়ে তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
এ অবস্থানের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ। ফোরামের এক প্যানেলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো শর্তে ইরান সম্মতি দেয়নি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রণালিটি খোলা থাকলেও জাহাজ চলাচল এখনো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত রুটে সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে খাতিবজাদেহ স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধ কোনো সমাধান হতে পারে না এবং ইরান আলোচনার মাধ্যমেই সংকট নিরসনে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইরানের প্রতিক্রিয়া সীমিত থাকবে না; বরং তা হবে ‘পূর্ণশক্তির জবাব’।
বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ ইস্যুতে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে বলে ফোরামে অংশ নেওয়া অন্যান্য রাজনীতিকরাও মনে করছেন। তাদের মতে, এই ব্যবধান দ্রুত কমিয়ে আনা সহজ হবে না।
তবে ইতিবাচক দিক হিসেবে ইরানি প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেছে, সংলাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষই জানে যে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে জড়ালে এর মূল্য হবে অত্যন্ত বেশি। এই উপলব্ধিই আপাতত একটি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে।
আলোচনায় উপস্থিত এক প্রতিনিধির ভাষায়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে দুই পক্ষকেই এখন অন্তত দুবার ভেবে নিতে হচ্ছে।

আন্তালিয়ায় চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের চলমান আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ে আগের অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে। তবে একই সময়ে তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
এ অবস্থানের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ। ফোরামের এক প্যানেলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো শর্তে ইরান সম্মতি দেয়নি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রণালিটি খোলা থাকলেও জাহাজ চলাচল এখনো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত রুটে সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে খাতিবজাদেহ স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধ কোনো সমাধান হতে পারে না এবং ইরান আলোচনার মাধ্যমেই সংকট নিরসনে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইরানের প্রতিক্রিয়া সীমিত থাকবে না; বরং তা হবে ‘পূর্ণশক্তির জবাব’।
বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ ইস্যুতে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে বলে ফোরামে অংশ নেওয়া অন্যান্য রাজনীতিকরাও মনে করছেন। তাদের মতে, এই ব্যবধান দ্রুত কমিয়ে আনা সহজ হবে না।
তবে ইতিবাচক দিক হিসেবে ইরানি প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেছে, সংলাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষই জানে যে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে জড়ালে এর মূল্য হবে অত্যন্ত বেশি। এই উপলব্ধিই আপাতত একটি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে।
আলোচনায় উপস্থিত এক প্রতিনিধির ভাষায়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে দুই পক্ষকেই এখন অন্তত দুবার ভেবে নিতে হচ্ছে।

হরমুজ ইস্যুতে আগের অবস্থানেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০১

মার্কিন ডেস্ট্রয়ার। ছবি: সংগৃহীত
আন্তালিয়ায় চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের চলমান আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ে আগের অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে। তবে একই সময়ে তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
এ অবস্থানের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ। ফোরামের এক প্যানেলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো শর্তে ইরান সম্মতি দেয়নি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রণালিটি খোলা থাকলেও জাহাজ চলাচল এখনো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত রুটে সীমাবদ্ধ রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে খাতিবজাদেহ স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধ কোনো সমাধান হতে পারে না এবং ইরান আলোচনার মাধ্যমেই সংকট নিরসনে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইরানের প্রতিক্রিয়া সীমিত থাকবে না; বরং তা হবে ‘পূর্ণশক্তির জবাব’।
বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ ইস্যুতে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে বলে ফোরামে অংশ নেওয়া অন্যান্য রাজনীতিকরাও মনে করছেন। তাদের মতে, এই ব্যবধান দ্রুত কমিয়ে আনা সহজ হবে না।
তবে ইতিবাচক দিক হিসেবে ইরানি প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেছে, সংলাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষই জানে যে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে জড়ালে এর মূল্য হবে অত্যন্ত বেশি। এই উপলব্ধিই আপাতত একটি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে।
আলোচনায় উপস্থিত এক প্রতিনিধির ভাষায়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে দুই পক্ষকেই এখন অন্তত দুবার ভেবে নিতে হচ্ছে।
/এমআর/




