ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই বেড়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই বেড়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

ট্রাম্পের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করার দাবির পরও উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার মাত্রা বাড়ছে।
গত কয়েক ঘণ্টায় উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ে সতর্ক সংকেত বেজে উঠতে শোনা গেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এসব হামলা প্রতিহত করার দৃশ্য দেখা গেছে। বাহরাইনেও একাধিকবার সাইরেন বাজে এবং স্থানীয়রা কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন। সৌদি আরব জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলে তারা পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমানবাহিনীর এক ব্রিফিংয়ে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, হামলার সংখ্যা বরং বেড়েছে।
কুয়েতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। তার আগের রাতে ছিল ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানে ইস্পাত কারখানায় হামলার পরদিনই বাহরাইনের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলা হয়। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার খবরের পর কুয়েতেও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করছে। আবার হুতি বিদ্রোহীরাও সংঘাতে জড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনার দিকে যাচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য উদ্বেগজনক।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করার দাবির পরও উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার মাত্রা বাড়ছে।
গত কয়েক ঘণ্টায় উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ে সতর্ক সংকেত বেজে উঠতে শোনা গেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এসব হামলা প্রতিহত করার দৃশ্য দেখা গেছে। বাহরাইনেও একাধিকবার সাইরেন বাজে এবং স্থানীয়রা কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন। সৌদি আরব জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলে তারা পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমানবাহিনীর এক ব্রিফিংয়ে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, হামলার সংখ্যা বরং বেড়েছে।
কুয়েতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। তার আগের রাতে ছিল ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানে ইস্পাত কারখানায় হামলার পরদিনই বাহরাইনের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলা হয়। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার খবরের পর কুয়েতেও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করছে। আবার হুতি বিদ্রোহীরাও সংঘাতে জড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনার দিকে যাচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য উদ্বেগজনক।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই বেড়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

ট্রাম্পের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করার দাবির পরও উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার মাত্রা বাড়ছে।
গত কয়েক ঘণ্টায় উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ে সতর্ক সংকেত বেজে উঠতে শোনা গেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এসব হামলা প্রতিহত করার দৃশ্য দেখা গেছে। বাহরাইনেও একাধিকবার সাইরেন বাজে এবং স্থানীয়রা কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন। সৌদি আরব জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলে তারা পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমানবাহিনীর এক ব্রিফিংয়ে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, হামলার সংখ্যা বরং বেড়েছে।
কুয়েতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল তাদের আকাশসীমায় ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। তার আগের রাতে ছিল ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানে ইস্পাত কারখানায় হামলার পরদিনই বাহরাইনের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলা হয়। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার খবরের পর কুয়েতেও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করছে। আবার হুতি বিদ্রোহীরাও সংঘাতে জড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনার দিকে যাচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য উদ্বেগজনক।
সূত্র: আল জাজিরা




