ন্যাটো কি ভাঙছে, ফ্রান্স-ইতালি-ব্রিটেনের ওপর চটলেন ট্রাম্প

ন্যাটো কি ভাঙছে, ফ্রান্স-ইতালি-ব্রিটেনের ওপর চটলেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইতালি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক কার্যক্রমে কিছু সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ‘অসহযোগী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
এর আগে গত মাসেই ট্রাম্প যুদ্ধে পর্যাপ্ত সহায়তা না করা ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বলেছিলেন। মঙ্গলবারও (৩১ মার্চ) তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় সহযোগিতা না করা দেশগুলোকে ভর্ৎসনা করেছেন।
মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্রান্স তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অনুমতি দেয়নি। ট্রাম্প এ নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করে ফ্রান্সকে খুবই অসহযোগী বলে মন্তব্য করেন। তবে ফরাসি প্রেসিডেন্সি জানায়, তাদের এ সিদ্ধান্ত চলমান সংঘাত নিয়ে আগে থেকেই নির্ধারিত নীতির অংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ফ্রান্স এমন পদক্ষেপ নিল।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ফ্রান্স তাদের অস্ত্র পরিবহন কার্যক্রমে বাধা দিয়েছে, যদিও আগে থেকে এ বিষয়ে সমন্বয় ছিল। তারা আরও জানিয়েছে, এ অস্ত্র কেবল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্যই পাঠানো হচ্ছিল। ঘটনার জেরে ইসরায়েল ফ্রান্স থেকে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে ইতালিও। দেশটি সিসিলির সিগোনেল্লা ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান অবতরণের অনুমতি দেয়নি। যদিও ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি এবং বিদ্যমান চুক্তির বাইরে কিছু করতে চাইলে ওয়াশিংটনকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।
এদিকে স্পেন এ ইস্যুতে সবচেয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করেছেন। আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোব্লেস বলেছেন, ন্যাটো মিত্রদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার জন্যই কেবল স্পেন তার ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেবে।
এসবের বাইরে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকেও ‘অসহযোগিতাকারী’ হিসেবে সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প এ সমালোচনা এমন এক সময়ে করেছেন যখন বাকিংহাম প্যালেস রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প যুক্তরাজ্যর সমালোচনা করে আরও বলেন, তারা ইরানে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোকে আরও সাহসী হতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি সবগুলো দেশই ন্যাটো জোটের সদস্য। তবে জার্মানিতেও এ যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টা স্টাইনমাইয়ার এ যুদ্ধকে অবৈধ বলে মন্তব্য করায় বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে।
সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পশ্চিমা জোটের ভেতরেও বড় ধরনের বিভাজন তৈরি করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইতালি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক কার্যক্রমে কিছু সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ‘অসহযোগী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
এর আগে গত মাসেই ট্রাম্প যুদ্ধে পর্যাপ্ত সহায়তা না করা ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বলেছিলেন। মঙ্গলবারও (৩১ মার্চ) তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় সহযোগিতা না করা দেশগুলোকে ভর্ৎসনা করেছেন।
মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্রান্স তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অনুমতি দেয়নি। ট্রাম্প এ নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করে ফ্রান্সকে খুবই অসহযোগী বলে মন্তব্য করেন। তবে ফরাসি প্রেসিডেন্সি জানায়, তাদের এ সিদ্ধান্ত চলমান সংঘাত নিয়ে আগে থেকেই নির্ধারিত নীতির অংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ফ্রান্স এমন পদক্ষেপ নিল।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ফ্রান্স তাদের অস্ত্র পরিবহন কার্যক্রমে বাধা দিয়েছে, যদিও আগে থেকে এ বিষয়ে সমন্বয় ছিল। তারা আরও জানিয়েছে, এ অস্ত্র কেবল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্যই পাঠানো হচ্ছিল। ঘটনার জেরে ইসরায়েল ফ্রান্স থেকে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে ইতালিও। দেশটি সিসিলির সিগোনেল্লা ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান অবতরণের অনুমতি দেয়নি। যদিও ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি এবং বিদ্যমান চুক্তির বাইরে কিছু করতে চাইলে ওয়াশিংটনকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।
এদিকে স্পেন এ ইস্যুতে সবচেয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করেছেন। আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোব্লেস বলেছেন, ন্যাটো মিত্রদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার জন্যই কেবল স্পেন তার ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেবে।
এসবের বাইরে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকেও ‘অসহযোগিতাকারী’ হিসেবে সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প এ সমালোচনা এমন এক সময়ে করেছেন যখন বাকিংহাম প্যালেস রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প যুক্তরাজ্যর সমালোচনা করে আরও বলেন, তারা ইরানে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোকে আরও সাহসী হতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি সবগুলো দেশই ন্যাটো জোটের সদস্য। তবে জার্মানিতেও এ যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টা স্টাইনমাইয়ার এ যুদ্ধকে অবৈধ বলে মন্তব্য করায় বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে।
সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পশ্চিমা জোটের ভেতরেও বড় ধরনের বিভাজন তৈরি করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ন্যাটো কি ভাঙছে, ফ্রান্স-ইতালি-ব্রিটেনের ওপর চটলেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফ্রান্স ও ইতালি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক কার্যক্রমে কিছু সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ‘অসহযোগী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
এর আগে গত মাসেই ট্রাম্প যুদ্ধে পর্যাপ্ত সহায়তা না করা ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বলেছিলেন। মঙ্গলবারও (৩১ মার্চ) তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় সহযোগিতা না করা দেশগুলোকে ভর্ৎসনা করেছেন।
মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্রান্স তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অনুমতি দেয়নি। ট্রাম্প এ নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করে ফ্রান্সকে খুবই অসহযোগী বলে মন্তব্য করেন। তবে ফরাসি প্রেসিডেন্সি জানায়, তাদের এ সিদ্ধান্ত চলমান সংঘাত নিয়ে আগে থেকেই নির্ধারিত নীতির অংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ফ্রান্স এমন পদক্ষেপ নিল।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ফ্রান্স তাদের অস্ত্র পরিবহন কার্যক্রমে বাধা দিয়েছে, যদিও আগে থেকে এ বিষয়ে সমন্বয় ছিল। তারা আরও জানিয়েছে, এ অস্ত্র কেবল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্যই পাঠানো হচ্ছিল। ঘটনার জেরে ইসরায়েল ফ্রান্স থেকে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে ইতালিও। দেশটি সিসিলির সিগোনেল্লা ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান অবতরণের অনুমতি দেয়নি। যদিও ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি এবং বিদ্যমান চুক্তির বাইরে কিছু করতে চাইলে ওয়াশিংটনকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।
এদিকে স্পেন এ ইস্যুতে সবচেয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করেছেন। আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোব্লেস বলেছেন, ন্যাটো মিত্রদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার জন্যই কেবল স্পেন তার ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেবে।
এসবের বাইরে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকেও ‘অসহযোগিতাকারী’ হিসেবে সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প এ সমালোচনা এমন এক সময়ে করেছেন যখন বাকিংহাম প্যালেস রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প যুক্তরাজ্যর সমালোচনা করে আরও বলেন, তারা ইরানে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোকে আরও সাহসী হতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি সবগুলো দেশই ন্যাটো জোটের সদস্য। তবে জার্মানিতেও এ যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টা স্টাইনমাইয়ার এ যুদ্ধকে অবৈধ বলে মন্তব্য করায় বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে।
সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পশ্চিমা জোটের ভেতরেও বড় ধরনের বিভাজন তৈরি করেছে।
সূত্র: রয়টার্স




