ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং এর প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া সংঘাত। প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালেও, ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করার পর তিনি অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। রাষ্ট্রদূত মুসাভি স্টারমারের সেই প্রাথমিক অবস্থানের প্রশংসা করলেও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকেই দায়ী করেছেন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে দিয়েগো গার্সিয়া অভিমুখে ইরান দুটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, যার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রতিহত করে এবং অন্যটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে ব্যর্থ হয়। এটি ছিল ব্রিটেনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকায় ইরানের প্রথম নিশ্চিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
এদিকে, এ হুমকির মুখে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরানের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যা লন্ডন পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম তা মোকাবিলায় ব্রিটেন কার্যত অরক্ষিত। নিজস্ব অ্যান্টি-মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকায় ব্রিটেনকে এখন ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ১ বিলিয়ন পাউন্ডের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ট্রেজারির মধ্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সে প্রকল্প এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার সমালোচনা করে স্টারমার একে ‘অপরিণামদর্শী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করে বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ এবং তিনি দুই দেশের মধ্যে থাকা বিশেষ সম্পর্ককে দুর্বল করছেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং এর প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া সংঘাত। প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালেও, ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করার পর তিনি অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। রাষ্ট্রদূত মুসাভি স্টারমারের সেই প্রাথমিক অবস্থানের প্রশংসা করলেও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকেই দায়ী করেছেন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে দিয়েগো গার্সিয়া অভিমুখে ইরান দুটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, যার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রতিহত করে এবং অন্যটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে ব্যর্থ হয়। এটি ছিল ব্রিটেনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকায় ইরানের প্রথম নিশ্চিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
এদিকে, এ হুমকির মুখে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরানের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যা লন্ডন পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম তা মোকাবিলায় ব্রিটেন কার্যত অরক্ষিত। নিজস্ব অ্যান্টি-মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকায় ব্রিটেনকে এখন ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ১ বিলিয়ন পাউন্ডের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ট্রেজারির মধ্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সে প্রকল্প এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার সমালোচনা করে স্টারমার একে ‘অপরিণামদর্শী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করে বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ এবং তিনি দুই দেশের মধ্যে থাকা বিশেষ সম্পর্ককে দুর্বল করছেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং এর প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া সংঘাত। প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালেও, ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করার পর তিনি অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। রাষ্ট্রদূত মুসাভি স্টারমারের সেই প্রাথমিক অবস্থানের প্রশংসা করলেও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকেই দায়ী করেছেন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে দিয়েগো গার্সিয়া অভিমুখে ইরান দুটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, যার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রতিহত করে এবং অন্যটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে ব্যর্থ হয়। এটি ছিল ব্রিটেনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকায় ইরানের প্রথম নিশ্চিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
এদিকে, এ হুমকির মুখে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইরানের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যা লন্ডন পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম তা মোকাবিলায় ব্রিটেন কার্যত অরক্ষিত। নিজস্ব অ্যান্টি-মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকায় ব্রিটেনকে এখন ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ১ বিলিয়ন পাউন্ডের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ট্রেজারির মধ্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সে প্রকল্প এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার সমালোচনা করে স্টারমার একে ‘অপরিণামদর্শী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করে বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ এবং তিনি দুই দেশের মধ্যে থাকা বিশেষ সম্পর্ককে দুর্বল করছেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ




