ইরানে ‘কঠোর হামলা’ অব্যাহত রাখার আহ্বান সৌদি যুবরাজের

ইরানে ‘কঠোর হামলা’ অব্যাহত রাখার আহ্বান সৌদি যুবরাজের
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান হামলা-পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব আলোচনায় ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ-এমন দাবি মার্কিন গণমাধ্যমের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। এছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও ট্রাম্প যোগাযোগ রাখছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এসব কথোপকথনে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এসব আলোচনায় ট্রাম্প বারবার একটি পরামর্শ পেয়েছেন-ইরানের মূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করা।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশা আব্দুল্লাহর একটি কূটনৈতিক তারবার্তা ফাঁস হয়েছিল। সেখানে উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের একাধিক অনুরোধের পরই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক মাসে ব্যক্তিগত ফোনালাপে একাধিকবার ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক হামলার পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ। যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান হামলা-পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব আলোচনায় ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ-এমন দাবি মার্কিন গণমাধ্যমের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। এছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও ট্রাম্প যোগাযোগ রাখছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এসব কথোপকথনে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এসব আলোচনায় ট্রাম্প বারবার একটি পরামর্শ পেয়েছেন-ইরানের মূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করা।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশা আব্দুল্লাহর একটি কূটনৈতিক তারবার্তা ফাঁস হয়েছিল। সেখানে উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের একাধিক অনুরোধের পরই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক মাসে ব্যক্তিগত ফোনালাপে একাধিকবার ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক হামলার পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ। যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

ইরানে ‘কঠোর হামলা’ অব্যাহত রাখার আহ্বান সৌদি যুবরাজের
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান হামলা-পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব আলোচনায় ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ-এমন দাবি মার্কিন গণমাধ্যমের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। এছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও ট্রাম্প যোগাযোগ রাখছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এসব কথোপকথনে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এসব আলোচনায় ট্রাম্প বারবার একটি পরামর্শ পেয়েছেন-ইরানের মূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করা।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশা আব্দুল্লাহর একটি কূটনৈতিক তারবার্তা ফাঁস হয়েছিল। সেখানে উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের একাধিক অনুরোধের পরই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক মাসে ব্যক্তিগত ফোনালাপে একাধিকবার ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক হামলার পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ। যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান প্রকাশ করেছেন।




