মানবপাচার ও হুন্ডি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি:কর্মশালায় বক্তরা

মানবপাচার ও হুন্ডি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি:কর্মশালায় বক্তরা
বিশেষ প্রতিনিধি

মানবপাচারের মতো সংঘবদ্ধ অপরাধ কেবল ব্যক্তি বা পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং হুন্ডি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকেও চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এই অপরাধচক্র ভাঙতে এবং জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
অস্ট্রেলীয় সরকার ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মো. শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘মানবপাচারের সাথে আনুষঙ্গিক অনেক অপরাধ জড়িত। পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক উন্মোচন করতে সাংবাদিকদের সংবাদের গভীরে যেতে হবে’। তিনি অপরাধ দমনে সাংবাদিক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বিদেশে যাওয়ার নামে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতারিত হওয়ার করুণ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দালালের খপ্পরে পড়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন ঝুঁকিতে ফেলছেন । এই ভয়াবহতা গণমাধ্যমে আরও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান ।
আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান বলেন, ‘অভিবাসন ও মানবপাচারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকদের অত্যন্ত সংবেদনশীল হতে হবে’ ।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত ক্র্যাবের ৬৫ জন সদস্য সাংবাদিক এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন। এতে বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ এবং ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সমন্বয়ক হারুন অর রশীদ ।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সাল থেকে কাজ করে যাওয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক তাদের ‘মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুন:একত্রীকরণে কাজ করছে।

মানবপাচারের মতো সংঘবদ্ধ অপরাধ কেবল ব্যক্তি বা পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং হুন্ডি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকেও চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এই অপরাধচক্র ভাঙতে এবং জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
অস্ট্রেলীয় সরকার ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মো. শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘মানবপাচারের সাথে আনুষঙ্গিক অনেক অপরাধ জড়িত। পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক উন্মোচন করতে সাংবাদিকদের সংবাদের গভীরে যেতে হবে’। তিনি অপরাধ দমনে সাংবাদিক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বিদেশে যাওয়ার নামে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতারিত হওয়ার করুণ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দালালের খপ্পরে পড়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন ঝুঁকিতে ফেলছেন । এই ভয়াবহতা গণমাধ্যমে আরও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান ।
আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান বলেন, ‘অভিবাসন ও মানবপাচারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকদের অত্যন্ত সংবেদনশীল হতে হবে’ ।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত ক্র্যাবের ৬৫ জন সদস্য সাংবাদিক এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন। এতে বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ এবং ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সমন্বয়ক হারুন অর রশীদ ।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সাল থেকে কাজ করে যাওয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক তাদের ‘মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুন:একত্রীকরণে কাজ করছে।

মানবপাচার ও হুন্ডি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি:কর্মশালায় বক্তরা
বিশেষ প্রতিনিধি

মানবপাচারের মতো সংঘবদ্ধ অপরাধ কেবল ব্যক্তি বা পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং হুন্ডি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকেও চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এই অপরাধচক্র ভাঙতে এবং জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
অস্ট্রেলীয় সরকার ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মো. শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘মানবপাচারের সাথে আনুষঙ্গিক অনেক অপরাধ জড়িত। পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক উন্মোচন করতে সাংবাদিকদের সংবাদের গভীরে যেতে হবে’। তিনি অপরাধ দমনে সাংবাদিক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বিদেশে যাওয়ার নামে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতারিত হওয়ার করুণ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দালালের খপ্পরে পড়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন ঝুঁকিতে ফেলছেন । এই ভয়াবহতা গণমাধ্যমে আরও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান ।
আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান বলেন, ‘অভিবাসন ও মানবপাচারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকদের অত্যন্ত সংবেদনশীল হতে হবে’ ।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত ক্র্যাবের ৬৫ জন সদস্য সাংবাদিক এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন। এতে বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ এবং ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সমন্বয়ক হারুন অর রশীদ ।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সাল থেকে কাজ করে যাওয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক তাদের ‘মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুন:একত্রীকরণে কাজ করছে।




