শিরোনাম

মে মাসেই গাজায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েন করবে ইসরায়েল

সিটিজেন ডেস্ক
মে মাসেই গাজায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েন করবে ইসরায়েল
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে গাজা শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একাধিক ভবন এবং উঁচু টাওয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ধোঁয়া উড়ছে। ছবি: আল-জাজিরা

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। আগামী মে মাসের মধ্যেই এই বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম কান পাবলিক ব্রডকাস্টার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই বাহিনীতে বিভিন্ন দেশের সেনারা অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছে কাজাখস্তান, মরক্কো, আলবেনিয়া ও কসোভো। ধারণা করা হচ্ছে, সবচেয়ে বেশি সেনা আসতে পারে ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রায় পাঁচ হাজার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ গাজার রাফাহ অঞ্চলের একটি নতুন শহরে এই বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে। শহরটি নির্মাণে সহায়তা দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সেনারা দুই সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলে পৌঁছাতে পারেন এবং পরে তাদের গাজার ভেতরে পাঠানো হবে।

এদিকে গাজার ভেতরে একটি তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করেছে ইসরায়েল। এই রেখার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের থাকার জন্য নির্ধারিত এলাকা এবং ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রিত এলাকা আলাদা করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তির আওতায় ওই অঞ্চল থেকে সাময়িকভাবে সেনা প্রত্যাহারও করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনের আগে কয়েক শ বিদেশি সেনাকে প্রশিক্ষণের জন্য জর্ডানে পাঠানো হতে পারে। আগামী মাসেই তাদের প্রশিক্ষণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে একই গণমাধ্যম জানায়, গাজা যুদ্ধ বন্ধের একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার হাজারো সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আর গত ১৬ জানুয়ারি হোয়াইট হাউস গাজার জন্য একটি অন্তর্বর্তী শাসন কাঠামোর প্রস্তাব দেয়। এতে একটি শান্তি বোর্ড, গাজা নির্বাহী পরিষদ, জাতীয় গাজা প্রশাসন কমিটি এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়।

/এসএ/