রপ্তানিতে নতুন নিয়ম চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

রপ্তানিতে নতুন নিয়ম চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে নীতিগত ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রপ্তানিকারকরা তাদের শিপিং বা পরিবহন দলিল সরাসরি বিদেশি আমদানিকারকদের কাছে পাঠাতে পারবেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
আগে রপ্তানি সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম ছিল। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ লাখ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের রপ্তানি চালানের ক্ষেত্রে এই বাধা থাকছে না।
অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত কোনো পক্ষের নামে পরিবহন দলিল ইস্যু এবং তা প্রেরণের অনুমতি দিতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনেক বিদেশি ক্রেতা দ্রুত পণ্য ছাড় করার সুবিধার জন্য নিজেদের নামে শিপিং ডকুমেন্ট ইস্যু করতে চান। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
তবে রপ্তানি আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু শর্ত রাখা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট পন্যের জন্য বৈধ রপ্তানি আদেশ রয়েছে। বিদেশি ক্রেতা বা কনসাইনির পরিচয়ও যাচাই করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারককে বিগত ৩টি অর্থবছরে সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রপ্তানি আয় দেশে আনার রেকর্ড থাকতে হবে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ কমবে এবং পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে।

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে নীতিগত ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রপ্তানিকারকরা তাদের শিপিং বা পরিবহন দলিল সরাসরি বিদেশি আমদানিকারকদের কাছে পাঠাতে পারবেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
আগে রপ্তানি সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম ছিল। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ লাখ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের রপ্তানি চালানের ক্ষেত্রে এই বাধা থাকছে না।
অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত কোনো পক্ষের নামে পরিবহন দলিল ইস্যু এবং তা প্রেরণের অনুমতি দিতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনেক বিদেশি ক্রেতা দ্রুত পণ্য ছাড় করার সুবিধার জন্য নিজেদের নামে শিপিং ডকুমেন্ট ইস্যু করতে চান। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
তবে রপ্তানি আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু শর্ত রাখা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট পন্যের জন্য বৈধ রপ্তানি আদেশ রয়েছে। বিদেশি ক্রেতা বা কনসাইনির পরিচয়ও যাচাই করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারককে বিগত ৩টি অর্থবছরে সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রপ্তানি আয় দেশে আনার রেকর্ড থাকতে হবে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ কমবে এবং পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে।

রপ্তানিতে নতুন নিয়ম চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে নীতিগত ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রপ্তানিকারকরা তাদের শিপিং বা পরিবহন দলিল সরাসরি বিদেশি আমদানিকারকদের কাছে পাঠাতে পারবেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
আগে রপ্তানি সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম ছিল। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ লাখ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের রপ্তানি চালানের ক্ষেত্রে এই বাধা থাকছে না।
অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত কোনো পক্ষের নামে পরিবহন দলিল ইস্যু এবং তা প্রেরণের অনুমতি দিতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনেক বিদেশি ক্রেতা দ্রুত পণ্য ছাড় করার সুবিধার জন্য নিজেদের নামে শিপিং ডকুমেন্ট ইস্যু করতে চান। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
তবে রপ্তানি আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু শর্ত রাখা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট পন্যের জন্য বৈধ রপ্তানি আদেশ রয়েছে। বিদেশি ক্রেতা বা কনসাইনির পরিচয়ও যাচাই করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারককে বিগত ৩টি অর্থবছরে সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রপ্তানি আয় দেশে আনার রেকর্ড থাকতে হবে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ কমবে এবং পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে।




