পাম্প থেকে তেল পেতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাম্প থেকে তেল পেতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ১২

প্রতীকী ছবি
জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি এখন নিত্যদিনের চিত্র। তেল নিতে লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আইজিপি বরাবর এক চিঠিতে এই আবেদন করে সংগঠনটি।
চিঠিতে সংগঠনটি দাবি করে, কাজের স্বার্থে লাইনের বাইরে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে জনঅসন্তোষে পড়ছেন পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে। তাই পাম্পে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যম তেল নিতে চাইছেন তারা।
পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ভাবলু সই করা চিঠিতে বলা হয়, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, আসামি গ্রেপ্তার, জরুরি অভিযান পরিচালনা, ভিআইপি নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাস্তব প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে অধিকাংশ পুলিশ সদস্যকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, সরকারি যানবাহন এবং রিকুইজিশনকৃত যানবাহন ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশের বিভিন্ন জ্বালানি পাম্পে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্যদের সাধারণ জনগণের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যদের মূল্যবান কর্মঘণ্টার একটি বড় অংশ পাম্পে অপেক্ষমাণ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘বিশেষ করে আসামি ধরতে অভিযান, জরুরি টহল, মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিতি, দুর্যোগ ও দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত সাড়া প্রদানসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে।’
পাম্পে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে লাইনের বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ সদস্যরা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, জনঅসন্তোষ এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানারও সম্মুখীন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।’
সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়ে তেল নেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে আইজিপি বরাবর দেওয়া চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘জনস্বার্থে এবং এর জরুরি দায়িত্ব পালনের স্বার্থে, সারা দেশের সব সরকারি/বেসরকারি জ্বালানি পাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সরকারি পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৃথক লাইন/বিশেষ বুথের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নির্দেশনা একান্তভাবে কামনা করছি।’

জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি এখন নিত্যদিনের চিত্র। তেল নিতে লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আইজিপি বরাবর এক চিঠিতে এই আবেদন করে সংগঠনটি।
চিঠিতে সংগঠনটি দাবি করে, কাজের স্বার্থে লাইনের বাইরে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে জনঅসন্তোষে পড়ছেন পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে। তাই পাম্পে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যম তেল নিতে চাইছেন তারা।
পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ভাবলু সই করা চিঠিতে বলা হয়, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, আসামি গ্রেপ্তার, জরুরি অভিযান পরিচালনা, ভিআইপি নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাস্তব প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে অধিকাংশ পুলিশ সদস্যকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, সরকারি যানবাহন এবং রিকুইজিশনকৃত যানবাহন ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশের বিভিন্ন জ্বালানি পাম্পে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্যদের সাধারণ জনগণের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যদের মূল্যবান কর্মঘণ্টার একটি বড় অংশ পাম্পে অপেক্ষমাণ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘বিশেষ করে আসামি ধরতে অভিযান, জরুরি টহল, মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিতি, দুর্যোগ ও দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত সাড়া প্রদানসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে।’
পাম্পে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে লাইনের বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ সদস্যরা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, জনঅসন্তোষ এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানারও সম্মুখীন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।’
সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়ে তেল নেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে আইজিপি বরাবর দেওয়া চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘জনস্বার্থে এবং এর জরুরি দায়িত্ব পালনের স্বার্থে, সারা দেশের সব সরকারি/বেসরকারি জ্বালানি পাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সরকারি পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৃথক লাইন/বিশেষ বুথের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নির্দেশনা একান্তভাবে কামনা করছি।’

পাম্প থেকে তেল পেতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ১২

প্রতীকী ছবি
জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি এখন নিত্যদিনের চিত্র। তেল নিতে লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আইজিপি বরাবর এক চিঠিতে এই আবেদন করে সংগঠনটি।
চিঠিতে সংগঠনটি দাবি করে, কাজের স্বার্থে লাইনের বাইরে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে জনঅসন্তোষে পড়ছেন পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে। তাই পাম্পে পৃথক লাইন অথবা বুথের মাধ্যম তেল নিতে চাইছেন তারা।
পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ভাবলু সই করা চিঠিতে বলা হয়, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, আসামি গ্রেপ্তার, জরুরি অভিযান পরিচালনা, ভিআইপি নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাস্তব প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে অধিকাংশ পুলিশ সদস্যকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, সরকারি যানবাহন এবং রিকুইজিশনকৃত যানবাহন ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশের বিভিন্ন জ্বালানি পাম্পে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্যদের সাধারণ জনগণের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যদের মূল্যবান কর্মঘণ্টার একটি বড় অংশ পাম্পে অপেক্ষমাণ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘বিশেষ করে আসামি ধরতে অভিযান, জরুরি টহল, মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিতি, দুর্যোগ ও দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত সাড়া প্রদানসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে।’
পাম্পে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে লাইনের বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ সদস্যরা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, জনঅসন্তোষ এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানারও সম্মুখীন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।’
সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়ে তেল নেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে আইজিপি বরাবর দেওয়া চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘জনস্বার্থে এবং এর জরুরি দায়িত্ব পালনের স্বার্থে, সারা দেশের সব সরকারি/বেসরকারি জ্বালানি পাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সরকারি পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৃথক লাইন/বিশেষ বুথের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নির্দেশনা একান্তভাবে কামনা করছি।’
/এফআর/

যেভাবে সাইবার অপরাধীরা আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে


