শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: জয়সওয়াল
সিটিজেন ডেস্ক

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: জয়সওয়াল
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ৩৯

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, ‘চলমান বিচার প্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আমরা গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবো।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।’
এসময় বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জোরদার নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলতে চাই, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে ভারতের ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমে অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল দিল্লি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদীপ সিংহ পুরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ জানানো হয়।
এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দেয়।
রায়ের চার দিন পর ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ফেরত দেওয়ার জন্য দ্বিতীয়বারের অনুরোধ করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা ও কামাল।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, ‘চলমান বিচার প্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আমরা গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবো।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।’
এসময় বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জোরদার নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলতে চাই, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে ভারতের ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমে অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল দিল্লি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদীপ সিংহ পুরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ জানানো হয়।
এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দেয়।
রায়ের চার দিন পর ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ফেরত দেওয়ার জন্য দ্বিতীয়বারের অনুরোধ করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা ও কামাল।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: জয়সওয়াল
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ৩৯

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, ‘চলমান বিচার প্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আমরা গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবো।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।’
এসময় বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জোরদার নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলতে চাই, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে ভারতের ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমে অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল দিল্লি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদীপ সিংহ পুরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ জানানো হয়।
এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দেয়।
রায়ের চার দিন পর ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ফেরত দেওয়ার জন্য দ্বিতীয়বারের অনুরোধ করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা ও কামাল।
/এফআর/

লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি: তুরস্ক


