চট্টগ্রামে ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, ব্যাপক লোডশেডিং

চট্টগ্রামে ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, ব্যাপক লোডশেডিং
সিটিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি বন্ধ রয়েছে। সচল আছে ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। ৬টি বন্ধ থাকার কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়েছে।
একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং হচ্ছে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত। কিছু কিছু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না।
চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ঘাটতি ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। লোডশেডিংয়ের কারণে কৃষি উৎপাদনের সেচ ব্যবস্থাসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিল্প-কারখনায় উৎপাদন।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামে দক্ষিণাঞ্চলে মোট ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে ইতিমধ্যে ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ২ (৪৬ মেগাওয়াট), ৩ (৫০ মেগাওয়াট) এবং ৫ (৫০ মেগাওয়াট) বন্ধ রয়েছে। কাপ্তাই-৪ (৫০ মেগাওয়াট) থেকে উৎপাদন হয়েছে ৮০ মেগাওয়াট। একইভাব বন্ধ রাউজান-১ ও রাউজান-২ দুটি ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র। এছাড়া জুডিয়াকের ৫৪ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটিও বন্ধ বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে।
নগরীর পাথরঘাটা, আসকারদিঘির পাড়, হালিশহর, কালুরঘাট ও বায়েজিদ বোস্তামীসহ শিল্পাঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।
শুক্র ও শনিবার (১৭ ও ১৮ এপ্রিল) নগরীর প্রায় অর্ধেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয় স্থানীয় দৈনিকে। ‘উন্নয়ন, জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য নগরীর কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে’ উল্লেখ করে এই নোটিশ দেওয়া হলেও গ্রাহকরা বলছেন, এটা এক ধরনের চাতুরি।

চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি বন্ধ রয়েছে। সচল আছে ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। ৬টি বন্ধ থাকার কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়েছে।
একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং হচ্ছে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত। কিছু কিছু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না।
চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ঘাটতি ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। লোডশেডিংয়ের কারণে কৃষি উৎপাদনের সেচ ব্যবস্থাসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিল্প-কারখনায় উৎপাদন।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামে দক্ষিণাঞ্চলে মোট ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে ইতিমধ্যে ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ২ (৪৬ মেগাওয়াট), ৩ (৫০ মেগাওয়াট) এবং ৫ (৫০ মেগাওয়াট) বন্ধ রয়েছে। কাপ্তাই-৪ (৫০ মেগাওয়াট) থেকে উৎপাদন হয়েছে ৮০ মেগাওয়াট। একইভাব বন্ধ রাউজান-১ ও রাউজান-২ দুটি ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র। এছাড়া জুডিয়াকের ৫৪ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটিও বন্ধ বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে।
নগরীর পাথরঘাটা, আসকারদিঘির পাড়, হালিশহর, কালুরঘাট ও বায়েজিদ বোস্তামীসহ শিল্পাঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।
শুক্র ও শনিবার (১৭ ও ১৮ এপ্রিল) নগরীর প্রায় অর্ধেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয় স্থানীয় দৈনিকে। ‘উন্নয়ন, জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য নগরীর কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে’ উল্লেখ করে এই নোটিশ দেওয়া হলেও গ্রাহকরা বলছেন, এটা এক ধরনের চাতুরি।

চট্টগ্রামে ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, ব্যাপক লোডশেডিং
সিটিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি বন্ধ রয়েছে। সচল আছে ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। ৬টি বন্ধ থাকার কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়েছে।
একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং হচ্ছে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত। কিছু কিছু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না।
চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ঘাটতি ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। লোডশেডিংয়ের কারণে কৃষি উৎপাদনের সেচ ব্যবস্থাসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিল্প-কারখনায় উৎপাদন।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামে দক্ষিণাঞ্চলে মোট ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে ইতিমধ্যে ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ২ (৪৬ মেগাওয়াট), ৩ (৫০ মেগাওয়াট) এবং ৫ (৫০ মেগাওয়াট) বন্ধ রয়েছে। কাপ্তাই-৪ (৫০ মেগাওয়াট) থেকে উৎপাদন হয়েছে ৮০ মেগাওয়াট। একইভাব বন্ধ রাউজান-১ ও রাউজান-২ দুটি ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র। এছাড়া জুডিয়াকের ৫৪ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটিও বন্ধ বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে।
নগরীর পাথরঘাটা, আসকারদিঘির পাড়, হালিশহর, কালুরঘাট ও বায়েজিদ বোস্তামীসহ শিল্পাঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।
শুক্র ও শনিবার (১৭ ও ১৮ এপ্রিল) নগরীর প্রায় অর্ধেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয় স্থানীয় দৈনিকে। ‘উন্নয়ন, জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য নগরীর কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে’ উল্লেখ করে এই নোটিশ দেওয়া হলেও গ্রাহকরা বলছেন, এটা এক ধরনের চাতুরি।

লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মোমবাতি বিতরণ হাসনাতের
হরমুজ প্রণালি খোলার খবরে হ্রাস পেলো তেলের দাম


