মনোহরদীতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা
মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি

মনোহরদীতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা
মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০০

মোমের আলোতে পড়াশোনা করছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘনঘন বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উপজেলার বোরো আবাদ। কৃষকরা ঠিক মতো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় মন বসাতে পারছে না পরীক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতিও নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।
চন্দনবাড়ী সেকান্দর আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ অতিথির মতো যায় আর আসে। রাতের বেশির ভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। একবার বিদ্যুৎ গেলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরে আসে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফলাফল ভালো নাও হতে পারে।
মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী হাবিবা আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রাতে পড়াশোনা ঠিক মতো করতে পারি না। আবার ভ্যাপসা গরমে ঘুমাতেও পারি না।

মনোহরদী বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে সন্ধ্যা ৭টার ভেতরে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি ক্রেতারাও মার্কেটে আসছেন না। এর ফলে ব্যবসা মন্দ যাচ্ছে।
তবে মনোহরদী বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবারাহ না পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বলেন, এবার গ্রীষ্ম শুরু হতে না হতেই বিদ্যুতের যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে পুরোপুরি গরম শুরু হলে কী হবে তাই ভেবে ভয় হচ্ছে। আমাদের এখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লী বিদ্যুৎ। এখন দিন-রাত মিলিয়ে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।
শিক্ষক আলী হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে নাকাল গ্রামবাসী। সকাল হতেই সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময় গড়িয়ে দুপুর আসতে না আসতেই সেই তাপদাহ রীতিমত অসহনীয় হয়ে উঠছে। এরমধ্যে ঘন লোডশেডিংয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মনোহরদী জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ফজিলাত রাব্বি মুমিনা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, হঠাৎ করে চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন বাড়েনি। ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার কারণে লোডশেডিং হচ্ছে।

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘনঘন বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উপজেলার বোরো আবাদ। কৃষকরা ঠিক মতো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় মন বসাতে পারছে না পরীক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতিও নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।
চন্দনবাড়ী সেকান্দর আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ অতিথির মতো যায় আর আসে। রাতের বেশির ভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। একবার বিদ্যুৎ গেলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরে আসে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফলাফল ভালো নাও হতে পারে।
মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী হাবিবা আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রাতে পড়াশোনা ঠিক মতো করতে পারি না। আবার ভ্যাপসা গরমে ঘুমাতেও পারি না।

মনোহরদী বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে সন্ধ্যা ৭টার ভেতরে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি ক্রেতারাও মার্কেটে আসছেন না। এর ফলে ব্যবসা মন্দ যাচ্ছে।
তবে মনোহরদী বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবারাহ না পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বলেন, এবার গ্রীষ্ম শুরু হতে না হতেই বিদ্যুতের যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে পুরোপুরি গরম শুরু হলে কী হবে তাই ভেবে ভয় হচ্ছে। আমাদের এখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লী বিদ্যুৎ। এখন দিন-রাত মিলিয়ে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।
শিক্ষক আলী হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে নাকাল গ্রামবাসী। সকাল হতেই সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময় গড়িয়ে দুপুর আসতে না আসতেই সেই তাপদাহ রীতিমত অসহনীয় হয়ে উঠছে। এরমধ্যে ঘন লোডশেডিংয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মনোহরদী জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ফজিলাত রাব্বি মুমিনা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, হঠাৎ করে চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন বাড়েনি। ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার কারণে লোডশেডিং হচ্ছে।

মনোহরদীতে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং, ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা
মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০০

মোমের আলোতে পড়াশোনা করছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘনঘন বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উপজেলার বোরো আবাদ। কৃষকরা ঠিক মতো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় মন বসাতে পারছে না পরীক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতিও নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।
চন্দনবাড়ী সেকান্দর আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ অতিথির মতো যায় আর আসে। রাতের বেশির ভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। একবার বিদ্যুৎ গেলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরে আসে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফলাফল ভালো নাও হতে পারে।
মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী হাবিবা আক্তার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রাতে পড়াশোনা ঠিক মতো করতে পারি না। আবার ভ্যাপসা গরমে ঘুমাতেও পারি না।

মনোহরদী বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হচ্ছে। একদিকে সন্ধ্যা ৭টার ভেতরে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি ক্রেতারাও মার্কেটে আসছেন না। এর ফলে ব্যবসা মন্দ যাচ্ছে।
তবে মনোহরদী বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবারাহ না পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বলেন, এবার গ্রীষ্ম শুরু হতে না হতেই বিদ্যুতের যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে পুরোপুরি গরম শুরু হলে কী হবে তাই ভেবে ভয় হচ্ছে। আমাদের এখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লী বিদ্যুৎ। এখন দিন-রাত মিলিয়ে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।
শিক্ষক আলী হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে নাকাল গ্রামবাসী। সকাল হতেই সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময় গড়িয়ে দুপুর আসতে না আসতেই সেই তাপদাহ রীতিমত অসহনীয় হয়ে উঠছে। এরমধ্যে ঘন লোডশেডিংয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মনোহরদী জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ফজিলাত রাব্বি মুমিনা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, হঠাৎ করে চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন বাড়েনি। ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার কারণে লোডশেডিং হচ্ছে।
/এসআর/




