এক দিন অপেক্ষা করেও পাম্পে তেল পাওয়া যায় না

এক দিন অপেক্ষা করেও পাম্পে তেল পাওয়া যায় না
সিটিজেন ডেস্ক

মতিঝিলের মেসার্স পূবালী ফিলিং স্টেশন গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে ১১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এতে পাম্পের আশপাশে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘসময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গাড়িচালক ও বাইকাররা।
জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন গাড়িচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত চারটার কিছু আগ পর্যন্ত পূবালী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল দেওয়া হচ্ছিল। রাত চারটার দিকে জ্বালানি তেল শেষ বলে পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে পাম্পের কর্মচারীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে আজ বেলা ১টার দিকে ডিপো থেকে জ্বালানি তেল আসার পরেও সরবরাহ শুরু করেনি ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্পটির সামনে ও আশপাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের লাইন পল্টন থেকে পূবালী ফিলিং স্টেশনের সামনের অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাম্পের কাউন্টারে ঝটলা। একপর্যায়ে যানবাহনচালকেরা পাম্পের মালিককে তেল বিক্রি শুরু করার অনুরোধ জানান। এরপর বেলা সোয়া তিনটার তেল বিক্রি শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা থেকে এই পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের গাড়িচালক হামিদ মোল্লা । তিনি জানালেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর রাত চারটার দিকে তার গাড়িতে তেল ভরার পালা আসে। কিন্তু ওই সময়ই তেল নেই বলে পাম্প বন্ধ করে দেয় কর্মচারীরা। এর ৯ ঘণ্টা পর পাম্পে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এখন অন্যান্য যানচালকরে মতো তিনিও তেল পাবেন বলে আশা করছেন।
রাইড শেয়ার চালকদের সমস্যা বেশি
পূবালী ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহান মোটরসাইকেলচালক ও মালিকেরা। এদের মধ্যে আবার অনেকেই রাইড শেয়ার করেন। যারা রাইড শেয়ার করেন তাদের সমস্যা আরও বেশি। কারণ রাইড শেয়ার করে যে টাকা পান তা দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হয়। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় যদি পাম্পের সামনে যদি জ্বালানি তেলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় তাহলে তাদের আয় অনেক কমে যায়।

আজ শুক্রবার পূবালী ফিলিং স্টেশনে পাশে কালাম হোসেন নামের এমনই একজন রাইড শেয়ার চালকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি ফিলিং স্টেশনের পেছনে প্রধান সড়কের পাশে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে তেল নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানালেন, সকাল সাড়ে আটটা থেকে তিনি এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। বেলা তিনটার সময়ও তিনি তেল পাননি।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশে তেলের সংকট না থাকার কথা বললেও পাম্পে এসে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সকাল থেকে রাত এমনকি এক দিন অপেক্ষা করেও কোনো কোনো পাম্পে তেল পাওয়া যায় না।

মতিঝিলের মেসার্স পূবালী ফিলিং স্টেশন গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে ১১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এতে পাম্পের আশপাশে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘসময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গাড়িচালক ও বাইকাররা।
জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন গাড়িচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত চারটার কিছু আগ পর্যন্ত পূবালী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল দেওয়া হচ্ছিল। রাত চারটার দিকে জ্বালানি তেল শেষ বলে পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে পাম্পের কর্মচারীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে আজ বেলা ১টার দিকে ডিপো থেকে জ্বালানি তেল আসার পরেও সরবরাহ শুরু করেনি ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্পটির সামনে ও আশপাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের লাইন পল্টন থেকে পূবালী ফিলিং স্টেশনের সামনের অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাম্পের কাউন্টারে ঝটলা। একপর্যায়ে যানবাহনচালকেরা পাম্পের মালিককে তেল বিক্রি শুরু করার অনুরোধ জানান। এরপর বেলা সোয়া তিনটার তেল বিক্রি শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা থেকে এই পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের গাড়িচালক হামিদ মোল্লা । তিনি জানালেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর রাত চারটার দিকে তার গাড়িতে তেল ভরার পালা আসে। কিন্তু ওই সময়ই তেল নেই বলে পাম্প বন্ধ করে দেয় কর্মচারীরা। এর ৯ ঘণ্টা পর পাম্পে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এখন অন্যান্য যানচালকরে মতো তিনিও তেল পাবেন বলে আশা করছেন।
রাইড শেয়ার চালকদের সমস্যা বেশি
পূবালী ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহান মোটরসাইকেলচালক ও মালিকেরা। এদের মধ্যে আবার অনেকেই রাইড শেয়ার করেন। যারা রাইড শেয়ার করেন তাদের সমস্যা আরও বেশি। কারণ রাইড শেয়ার করে যে টাকা পান তা দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হয়। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় যদি পাম্পের সামনে যদি জ্বালানি তেলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় তাহলে তাদের আয় অনেক কমে যায়।

আজ শুক্রবার পূবালী ফিলিং স্টেশনে পাশে কালাম হোসেন নামের এমনই একজন রাইড শেয়ার চালকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি ফিলিং স্টেশনের পেছনে প্রধান সড়কের পাশে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে তেল নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানালেন, সকাল সাড়ে আটটা থেকে তিনি এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। বেলা তিনটার সময়ও তিনি তেল পাননি।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশে তেলের সংকট না থাকার কথা বললেও পাম্পে এসে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সকাল থেকে রাত এমনকি এক দিন অপেক্ষা করেও কোনো কোনো পাম্পে তেল পাওয়া যায় না।

এক দিন অপেক্ষা করেও পাম্পে তেল পাওয়া যায় না
সিটিজেন ডেস্ক

মতিঝিলের মেসার্স পূবালী ফিলিং স্টেশন গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে ১১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এতে পাম্পের আশপাশে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘসময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গাড়িচালক ও বাইকাররা।
জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন গাড়িচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত চারটার কিছু আগ পর্যন্ত পূবালী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল দেওয়া হচ্ছিল। রাত চারটার দিকে জ্বালানি তেল শেষ বলে পাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে পাম্পের কর্মচারীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে আজ বেলা ১টার দিকে ডিপো থেকে জ্বালানি তেল আসার পরেও সরবরাহ শুরু করেনি ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্পটির সামনে ও আশপাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের লাইন পল্টন থেকে পূবালী ফিলিং স্টেশনের সামনের অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাম্পের কাউন্টারে ঝটলা। একপর্যায়ে যানবাহনচালকেরা পাম্পের মালিককে তেল বিক্রি শুরু করার অনুরোধ জানান। এরপর বেলা সোয়া তিনটার তেল বিক্রি শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা থেকে এই পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের গাড়িচালক হামিদ মোল্লা । তিনি জানালেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর রাত চারটার দিকে তার গাড়িতে তেল ভরার পালা আসে। কিন্তু ওই সময়ই তেল নেই বলে পাম্প বন্ধ করে দেয় কর্মচারীরা। এর ৯ ঘণ্টা পর পাম্পে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এখন অন্যান্য যানচালকরে মতো তিনিও তেল পাবেন বলে আশা করছেন।
রাইড শেয়ার চালকদের সমস্যা বেশি
পূবালী ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহান মোটরসাইকেলচালক ও মালিকেরা। এদের মধ্যে আবার অনেকেই রাইড শেয়ার করেন। যারা রাইড শেয়ার করেন তাদের সমস্যা আরও বেশি। কারণ রাইড শেয়ার করে যে টাকা পান তা দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হয়। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় যদি পাম্পের সামনে যদি জ্বালানি তেলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় তাহলে তাদের আয় অনেক কমে যায়।

আজ শুক্রবার পূবালী ফিলিং স্টেশনে পাশে কালাম হোসেন নামের এমনই একজন রাইড শেয়ার চালকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি ফিলিং স্টেশনের পেছনে প্রধান সড়কের পাশে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে তেল নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানালেন, সকাল সাড়ে আটটা থেকে তিনি এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। বেলা তিনটার সময়ও তিনি তেল পাননি।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশে তেলের সংকট না থাকার কথা বললেও পাম্পে এসে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সকাল থেকে রাত এমনকি এক দিন অপেক্ষা করেও কোনো কোনো পাম্পে তেল পাওয়া যায় না।




