মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও ঘাঁটি কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও ঘাঁটি কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, এ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে মোতায়েন থাকা সেনা ও স্থাপনার সংখ্যা কাটছাঁট করতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে পেন্টাগন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক বহর উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে দুটি বিমানবাহী রণতরি ও এক ডজনের বেশি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। তবে পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা কয়েক ডজন উপসাগরীয় দেশ থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়ে নিরাপত্তার বাড়তি দায়িত্বটা আঞ্চলিক মিত্রদের ওপরই ছেড়ে দিতে চান। এ উদ্দেশ্যে আগামী বছরের শুরুতে এ অঞ্চলের সামরিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে কয়েকটি সম্ভাব্য খসড়া পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
সৈন্য কমানোর পাশাপাশি যেসব মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থেকে যাবে, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। সম্প্রতি ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বেহাল দশা ও সুরক্ষার ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভূগর্ভে বা মাটির নিচে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মার্কিন সরকারের এক কর্মকর্তা সিএনএন-কে বলেন, ‘দুর্বলতাগুলো সবসময়ই জানা ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কখনো জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি’।
ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত সিআইএ-র একটি ঘাঁটি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে তেহরান। চড়া মেরামত খরচের কথা ভেবে পেন্টাগন এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ না করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে। এর বদলে স্থায়ী ঘাঁটি ছাড়াই কেবল প্রয়োজনভিত্তিক নির্দিষ্ট অভিযানের জন্য ওয়াশিংটন থেকে কর্মী পাঠিয়ে কাজ শেষে আবার ফেরত আনার কথা ভাবা হচ্ছে। এ বিষয়ে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস জে হার্স্ট তৃতীয় এপ্রিলেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি মেরামতের সিদ্ধান্ত মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ভবিষ্যৎ অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।
তবে খাতাকলমে এসব পরিকল্পনা থাকলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার পথ এখনো অনেক দূরে। সম্প্রতি জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান। পেন্টাগনের হিসাব বলছে, নিকট ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনী সেখানে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যেই থাকবে।
নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডল পরিষ্কার জানিয়েছেন, পঞ্চম নৌবহরের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি বাহরাইনে এখনই মার্কিন নৌসেনাদের ফেরানো হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা শিগগিরই সেখানে ফিরছি না।’ সার্বিক পরিস্থিতিতে পেন্টাগন হয়তো কয়েকটি বড় ঘাঁটি রেখে দেবে, তবে তা পুনর্গঠন ও সুরক্ষিত করার পেছনে খরচের বড় একটা অংশ স্বাগতিক দেশগুলোকেই গুনতে হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, এ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে মোতায়েন থাকা সেনা ও স্থাপনার সংখ্যা কাটছাঁট করতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে পেন্টাগন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক বহর উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে দুটি বিমানবাহী রণতরি ও এক ডজনের বেশি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। তবে পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা কয়েক ডজন উপসাগরীয় দেশ থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়ে নিরাপত্তার বাড়তি দায়িত্বটা আঞ্চলিক মিত্রদের ওপরই ছেড়ে দিতে চান। এ উদ্দেশ্যে আগামী বছরের শুরুতে এ অঞ্চলের সামরিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে কয়েকটি সম্ভাব্য খসড়া পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
সৈন্য কমানোর পাশাপাশি যেসব মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থেকে যাবে, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। সম্প্রতি ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বেহাল দশা ও সুরক্ষার ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভূগর্ভে বা মাটির নিচে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মার্কিন সরকারের এক কর্মকর্তা সিএনএন-কে বলেন, ‘দুর্বলতাগুলো সবসময়ই জানা ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কখনো জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি’।
ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত সিআইএ-র একটি ঘাঁটি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে তেহরান। চড়া মেরামত খরচের কথা ভেবে পেন্টাগন এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ না করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে। এর বদলে স্থায়ী ঘাঁটি ছাড়াই কেবল প্রয়োজনভিত্তিক নির্দিষ্ট অভিযানের জন্য ওয়াশিংটন থেকে কর্মী পাঠিয়ে কাজ শেষে আবার ফেরত আনার কথা ভাবা হচ্ছে। এ বিষয়ে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস জে হার্স্ট তৃতীয় এপ্রিলেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি মেরামতের সিদ্ধান্ত মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ভবিষ্যৎ অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।
তবে খাতাকলমে এসব পরিকল্পনা থাকলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার পথ এখনো অনেক দূরে। সম্প্রতি জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান। পেন্টাগনের হিসাব বলছে, নিকট ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনী সেখানে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যেই থাকবে।
নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডল পরিষ্কার জানিয়েছেন, পঞ্চম নৌবহরের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি বাহরাইনে এখনই মার্কিন নৌসেনাদের ফেরানো হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা শিগগিরই সেখানে ফিরছি না।’ সার্বিক পরিস্থিতিতে পেন্টাগন হয়তো কয়েকটি বড় ঘাঁটি রেখে দেবে, তবে তা পুনর্গঠন ও সুরক্ষিত করার পেছনে খরচের বড় একটা অংশ স্বাগতিক দেশগুলোকেই গুনতে হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও ঘাঁটি কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, এ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে মোতায়েন থাকা সেনা ও স্থাপনার সংখ্যা কাটছাঁট করতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে পেন্টাগন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক বহর উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে দুটি বিমানবাহী রণতরি ও এক ডজনের বেশি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। তবে পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা কয়েক ডজন উপসাগরীয় দেশ থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়ে নিরাপত্তার বাড়তি দায়িত্বটা আঞ্চলিক মিত্রদের ওপরই ছেড়ে দিতে চান। এ উদ্দেশ্যে আগামী বছরের শুরুতে এ অঞ্চলের সামরিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে কয়েকটি সম্ভাব্য খসড়া পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
সৈন্য কমানোর পাশাপাশি যেসব মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থেকে যাবে, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। সম্প্রতি ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বেহাল দশা ও সুরক্ষার ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভূগর্ভে বা মাটির নিচে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মার্কিন সরকারের এক কর্মকর্তা সিএনএন-কে বলেন, ‘দুর্বলতাগুলো সবসময়ই জানা ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কখনো জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি’।
ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত সিআইএ-র একটি ঘাঁটি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে তেহরান। চড়া মেরামত খরচের কথা ভেবে পেন্টাগন এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ না করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে। এর বদলে স্থায়ী ঘাঁটি ছাড়াই কেবল প্রয়োজনভিত্তিক নির্দিষ্ট অভিযানের জন্য ওয়াশিংটন থেকে কর্মী পাঠিয়ে কাজ শেষে আবার ফেরত আনার কথা ভাবা হচ্ছে। এ বিষয়ে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস জে হার্স্ট তৃতীয় এপ্রিলেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি মেরামতের সিদ্ধান্ত মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ভবিষ্যৎ অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।
তবে খাতাকলমে এসব পরিকল্পনা থাকলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার পথ এখনো অনেক দূরে। সম্প্রতি জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান। পেন্টাগনের হিসাব বলছে, নিকট ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনী সেখানে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যেই থাকবে।
নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডল পরিষ্কার জানিয়েছেন, পঞ্চম নৌবহরের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি বাহরাইনে এখনই মার্কিন নৌসেনাদের ফেরানো হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা শিগগিরই সেখানে ফিরছি না।’ সার্বিক পরিস্থিতিতে পেন্টাগন হয়তো কয়েকটি বড় ঘাঁটি রেখে দেবে, তবে তা পুনর্গঠন ও সুরক্ষিত করার পেছনে খরচের বড় একটা অংশ স্বাগতিক দেশগুলোকেই গুনতে হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

হরমুজের মাইন অপসারণে যেভাবে ডুবুরি ও ডুবো ড্রোন ব্যবহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র







