‘ভাইভার নামে দলীয়করণ মানি না,’ নোবিপ্রবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ

‘ভাইভার নামে দলীয়করণ মানি না,’ নোবিপ্রবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়োগে দলীয়করণ, তদবির ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ, মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা প্রস্তাবিত মানবণ্টন বাতিলের দাবি জানান।
ওশানোগ্রাফি বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, অতীতে লিখিত পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ রাখার পরও রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সরকারের সমালোচনার কারণে অনেক প্রার্থী ভাইভায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। ফলে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের সুযোগ আরও বাড়তে পারে।
নোবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে জুলাই আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়োগে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম বলেন, যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে পছন্দের ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া বা দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হচ্ছে। জালিয়াতি ঠেকাতে না পেরে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগকে তিনি সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাগুলোর ১১-২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মানবণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২তম গ্রেডে ভাইভার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও পাসের ক্ষেত্রে নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি।

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়োগে দলীয়করণ, তদবির ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ, মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা প্রস্তাবিত মানবণ্টন বাতিলের দাবি জানান।
ওশানোগ্রাফি বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, অতীতে লিখিত পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ রাখার পরও রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সরকারের সমালোচনার কারণে অনেক প্রার্থী ভাইভায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। ফলে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের সুযোগ আরও বাড়তে পারে।
নোবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে জুলাই আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়োগে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম বলেন, যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে পছন্দের ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া বা দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হচ্ছে। জালিয়াতি ঠেকাতে না পেরে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগকে তিনি সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাগুলোর ১১-২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মানবণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২তম গ্রেডে ভাইভার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও পাসের ক্ষেত্রে নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি।

‘ভাইভার নামে দলীয়করণ মানি না,’ নোবিপ্রবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়োগে দলীয়করণ, তদবির ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ, মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা প্রস্তাবিত মানবণ্টন বাতিলের দাবি জানান।
ওশানোগ্রাফি বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, অতীতে লিখিত পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ রাখার পরও রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সরকারের সমালোচনার কারণে অনেক প্রার্থী ভাইভায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। ফলে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের সুযোগ আরও বাড়তে পারে।
নোবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে জুলাই আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়োগে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম বলেন, যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে পছন্দের ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া বা দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হচ্ছে। জালিয়াতি ঠেকাতে না পেরে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগকে তিনি সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাগুলোর ১১-২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মানবণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২তম গ্রেডে ভাইভার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও পাসের ক্ষেত্রে নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি।

বৃষ্টি হলেই ডোবে নোবিপ্রবি, ২১ বছরেও নেই কার্যকর ড্রেনেজ







