আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। এরইমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতাম-আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের বিদ্যমান সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর প্রতিবাদেই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তাহলে ইরান আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে এগোবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ ও প্রস্থানকারী জাহাজগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের অবরোধ তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই এই রুটে যেকোনো ধরনের অচলাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। এরইমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতাম-আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের বিদ্যমান সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর প্রতিবাদেই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তাহলে ইরান আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে এগোবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ ও প্রস্থানকারী জাহাজগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের অবরোধ তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই এই রুটে যেকোনো ধরনের অচলাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। এরইমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতাম-আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের বিদ্যমান সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর প্রতিবাদেই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তাহলে ইরান আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে এগোবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ ও প্রস্থানকারী জাহাজগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের অবরোধ তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই এই রুটে যেকোনো ধরনের অচলাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানের বন্দর থেকে অবরোধ তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র


